Dream of Bengali's.

It is a place of peace,love,Joy and happiness forever.

  • ✿➢১) সামরিক শাসন জারি করা হয় – ১৯৫৮ সালের ৭ অক্টোবর
    ✿➢২) আইয়ুব খান ক্ষমতা দখল করেন – ১৯৫৮ সালের ২৭ অক্টোবর
    ✿➢৩) মৌলিক গণতন্ত্র চালু করেন – আইয়ুব খান
    ✿➢৪) আইয়ুব বিরোধী আন্দোলন শুরু হয় – ১৯৬১ সালে
    ✿➢৫) ছাত্র সমাজ ১৫ দফা কর্মসূচি ঘোষণা করে – ১৯৬২ সালে
    ✿➢৬) ভারত পাকিস্তান যুদ্ধ হয় – ১৯৬৫ সালের ৬ সেপ্টেম্বর
    ✿➢৭) ভারত পাকিস্তান যুদ্ধ চলে – ১৭ দিন
    ✿➢৮) বাঙ্গালি জাতির মুক্তির সনদ – ৬ দফা দাবি
    ✿➢৯) ৬ দফা দাবি উথাপন করেন – বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
    ✿➢১০) ৬ দফা দাবি উথাপন করা হয় – ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি
    ✿➢১১) আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার আসামি ছিল – ৩৫ জন
    ✿➢১২) আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার প্রধান আসামি করা হয় – বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে
    ✿➢১৩) আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার শুনানি হয় – ১৯৬৮ সালের ১৯ জুন
    ✿➢১৪) ঊনসত্তরের গণ অব্যুথান হয় – ১৯৬৯ সালে
    ✿➢১৫) গণ অভ্যুথানে শহীদ হন – আসাদ, ড. শামসুজ্জোহা
    ✿➢১৬) আগরতাল ষড়যন্ত্র মামলা থেকে শেখ মুজিবুর রহমানকে মুক্তি দেয়া হয় – ১৯৬৯ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি
    ✿➢১৭) শেখ মুজিবুর রহমানকে ” বঙ্গবন্ধু ” উপাধি দেয়া হয় – ১৯৬৯ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি
    ✿➢১৮) আইয়ুব খান পদত্যাগ করেন – ১৯৬৯ সালের ২৫ মার্চ
    ✿➢১৯) কেন্দ্রীয় আইন পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় – ১৯৭০ সালের ৭ ডিসেম্বর
    ✿➢২০) নির্বাচনে মোট ভোটার ছিল – ৫ কোটি ৬৪ লাখ
    ✿➢২১) কেন্দ্রীয় আইন পরিষদের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ আসন লাভ করে – ১৬৭ টি ( ১৬৯ এর ধ্যে)
    ✿➢২২) প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় – ১৯৭০ সালের ১৭ ডিসেম্বর
    ✿➢২৩) প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে আ.লীগ আসন পায় – ২৮৮ টি ( ৩০০ এর মধ্যে)
    ✿➢২৪) পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের অধিবেশন স্থগিত করেন – আগা খান
    ✿➢২৫) অধিবেশন স্থগিত করা হয় – ১৯৭১ সালের ১ মার্চ
    ✿➢২৬) অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দেন – বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
    ✿➢২৭) অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দেয়া হয় – ১৯৭১ সালের ২ মার্চ
    ✿➢২৮) বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণের সময় পূর্ব পাকিস্তানে চলছিল – অসহযোগ আন্দোলন
    ✿➢২৯) জাতীয় পরিষদের অধিবেশন আহবান করা হয় – ১৯৭১ সালের ৩ মার্চ
    ✿➢৩০) পূর্ববাংলার স্বাধীনতার ঘোষণা দেয়া হয় – ১৯৭১ সালের ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণে
    ✿➢৩১) অপারেশন সার্চ লাইট চালানোর নীলনক্সা করা হয় – ১৯৭১ সালের ১৭ মার্চ
    ✿➢৩২) নীলনক্সা করেন – টিক্কা খান, রাও ফরমান আলী
    ✿➢৩৩) অপারেশন সার্চ লাইট হলো – ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের বর্বরহত্যাকান্ড
    ✿➢৩৪) বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার ঘোষণা দেন – ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে ওয়্যারলেসযোগে
    ✿➢৩৫) বঙ্গবন্ধুকে শেখ মুজিবুর রহমানকে গ্রেফতার করা হয় – ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে আনুমানিক রাত ১.৩০ মিনিটে
    ✿➢৩৬) শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দেন- ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে ২৫ মার্চ রাত ১২ টার পর
    ✿➢৩৭) বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণাটি ছিল – ইংরেজিতে।
    ✿➢৩৮) বাংলাদেশের অধিকাংশ নদীর উৎপত্তিস্থল – ভারতে
    ✿➢৩৯) বাংলাদেশে নদী পথের দৈর্ঘ্য – ৯৮৩৩ কিমি
    ✿➢৪০) সারাবছর নৌ চলাচলের উপযোগী নৌপথ – ৩,৮৬৫ কি.মি
    ✿➢৪১) অভ্যন্তরীন নৌ পরিবহন কর্তৃপক্ষ তৈরি হয়েছে – ১৯৫৮ সালে
    ✿➢৪২) কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকর প্রথম বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয় – পাকিস্তান আমলে
    ✿➢৪৩) অভ্যন্তরীন নৌ পথে দেশের মোট বাণিজ্যিক মালামালের – ৭৫% আনা নেয়া হয়
    ✿➢৪৪) বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন প্রতিষ্ঠিত হয় – ১৯৭২ সালে
    ✿➢৪৫) বাংলাদেশে চা চাষ হচ্ছে – উওর ও পূর্বাঞ্চলের পাহাড়ে
    ✿➢৪৬) সারা বছর বৃষ্টিপাত হয় – উষ্ণ ও আদ্র জরবায়ু অঞ্চলে
    ✿➢৪৭) বাংলাদেশে চির হরিৎ বনাঞ্চল – পার্বত্য চট্টগ্রামের বনাঞ্চল
    ✿➢৪৮) বাংলাদেশে খনিজ সম্পদ সমৃদ্ধ জেলা সমূহ – পূবাঞ্চলীয় পাহাড়ি জেলা সমূহ
    ✿➢৪৯) বাংলাদেশের লবণাক্তের পরিমাণ বেশি – দক্ষিণাঞ্চলের বেশ কিছু এলাকা
    ✿➢৫০) বাংলাদেশের ক্রান্তীয় চিরহরিৎ ও পত্রপতনশীল বনভূমি- দক্ষিণ পূর্ব ও উত্তর পুর্ব অংশের পাহাড়ী অঞ্চল
    ✿➢৫১) চিরহরিৎ বনকে বলা হয় – চির সবুজ বন
    ✿➢৫২) চিরহরিৎ বনভূমির পরিমাণ – ১৪ হাজার বর্গ কি.মি
    ✿➢৫৩) প্রচুচুর বাঁশ ও বেত জন্মে – সিলেটে
    ✿➢৫৪) রাবার চাষ হয় – পার্বত্য চট্টগ্রাম ও সিলেটে
    ✿➢৫৫) ক্রান্তীয় পাতাঝরা অরণ্য – ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, গাজীপুর, দিনাজপুর ও রংপুর জেলায়
    ✿➢৫৬) শীতকালে গাছের পাতা সম্পূর্ণ ঝরে যায় – ক্রান্তীয় পাতাঝরা বনভূমির
    ✿➢৫৭) ক্রান্তীয় পাতাঝরা বনভূমির প্রধান বৃক্ষ – শাল
    ✿➢৫৮) মধুপুর ভাওয়াল বনভূমি – ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল ও গাজীপুরে
    ✿➢৫৯) দিনাজপুরে এটি – বরেন্দ্র নামে পরিচিত
    ✿➢৬০) স্রোতজ বনভূমি- দক্ষিণ পশ্চিমাংশের নোয়াখালী ও চট্টগ্রাম জেলার উপকূলীয় বন
    ✿➢৬১) স্রোতজ বনভূমি প্রধানত জন্মে – সুন্দরবনে
    ✿➢৬২) বাংলাদেশে স্রোতজ বা গরান বনভূমির পরিমাণ – ৪,১৯২ বর্গ কি.মি
    ✿➢৬৩) বাংলাদেশ সরকারে বিভাগ – ৩ টি
    ✿➢৬৪) আইনবিভাগের কাজ – আইন প্রনয়ন ও প্রচলিত আইনের সংশোধন
    ✿➢৬৫) আইন বিভাগের একটি অংশ – আইনসভা
    ✿➢৬৬) এপ্রিল মাসের গড় তাপমাত্রা – কক্সবাজার ২৭.৬৪ ডিগ্রী, নারায়ণগঞ্জে ২৮.৬৬ ডিগ্রী, রাজশাহীতে ৩০ ডিগ্রী
    ✿➢৬৭) গ্রীষ্মকালে বাংলাদেশের উপর দিয়ে বয়ে যায় – দক্ষিণ পশ্চিম মৌসুমী বায়ু
    ✿➢৬৮) কালবৈশাখী ঝড় আঘাত হানে – পশ্চিম ও উত্তর পশ্চিম দিক থেকে
    ✿➢৬৯) প্রলয়ংকারী ঘূর্ণিঝড় হয় – ১৯৯১ সালের ২৯ এপ্রিল
    ✿➢৭০) বাংলাদেশে বর্ষাকাল – জুন হতে অক্টোবর মাস
    ✿➢৭১) প্রচুর বৃষ্টিপাত হয় – জুন মাসের শেষ দিকে মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে
    ✿➢৭২) বর্ষাকালে আবহাওয়া সর্বদা – উষ্ণ থাকে
    ✿➢৭৩) বর্ষাকালে গড় উষ্ণতা – ২৭ ডিগ্রী সে.
    ✿➢৭৪) বর্ষাকালে সবচেয়ে বেশি গরম পড়ে – জুন ও সেপ্টেম্বর মাসে
    ✿➢৭৫) বাংলাদেশের মোট বৃষ্টিপাতের – ৪/৫ ভাগ হয় হয় বর্ষাকালে
    ✿➢৭৬) বর্ষাকালে সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন গড় বৃষ্টিপাত হয় – ৩৪০ ও ১১৯ সে.মি
    ✿➢৭৭) বর্ষাকালে ক্রমে বৃষ্টিপাত বেশি হয় – পশ্চিম হতে পূর্ব দিকে
    ✿➢৭৮) বর্ষাকালে বিভিন্ন জেলার বৃষ্টিপাতের পরিমান –পাবনায় প্রায় ১১৪, ঢাকায় ১২০, কুমিল্লায় ১৪০, শ্রীমঙ্গলে ১৮০ এবং রাঙ্গামাটিতে ১৯০ সে.মি
    ✿➢৭৯) বর্ষাকালে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয় – মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে
    ✿➢৮০) বর্ষাকালে পর্বতের পাদদেশে এবং উপকূলবর্তী অঞ্চলের কোথাও বৃষ্টিপাত – ২০০ সে.মি কম হয়
    ✿➢৮১) বর্ষাকালে বিভিন্ন অঞ্চলের বৃষ্টিপাত – সিলেটের পাহাড়ী অঞ্চলে ৩৪০ সেমি, পটুয়াখালীতে ২০০ সেমি, চটগ্রামে ২৫০ সেমি, রাঙ্গামাটিতে ২৮০ সেমি এবং
    কক্সবাজারে ৩২০ সেমি।
    ✿➢৮২) জলবায়ু পরিবর্তনের কারনে সমুদ্রপৃষ্টের উচ্চতা প্রতি বছর গড়ে বৃদ্ধি – ৪ মিমি থেকে ৬ মিমি ( হিরন পয়েন্ট, চর চংগা, কক্সবাজার)
    ✿➢৮৩) গত ৪ হাজার বছরে ভূমিকম্পে পৃথিবীতে মানুষ মারা যায় – প্রায় ১ কোটি ৫০ লাখ
    ✿➢৮৪) ভৌগোলিক ভাবে বাংলাদেশের অবস্থান – ইন্ডিয়ান ও ইউরোপিয়ান প্লেটের সীমানায়
    ✿➢৮৫) বাংলাদেশে ভূমিকম্পের মানবসৃষ্ট কারন – পাহাড় কাটা
    ✿➢৮৬) ভূমিকম্পের ফলে সমুদ্রের পানি উপকূলে উঠে – ১৫-২০ মিটার উঁচু হয়ে
    ✿➢৮৭) ভূমিকম্পের ফলে সৃষ্টি হয় – সুনামি
    ✿➢৮৮) ইন্দোনেশিয়ায় মারাত্নক সুনামি আঘাত হানে – ২০০৪ সালের ২৬ ডিসেম্বর
    ✿➢৮৯) বাংলাদেশে ভূমিকম্প হয়ে থাকে – টেকটনিক প্লেটের সংঘর্ষের কারনে
    ✿➢৯০) বাংলাদেশের ভূমিকম্প বলয় মানচিত্র তৈরি করেছিলেন – ফরাসি ইঞ্জিনিয়ার কনসোর্টিয়াম ১৯৮৯ সালে
    ✿➢৯১) তিনি বলয় দেখিয়েছেন – ৩ টি
    ✿➢৯২) বলয়গুলোকে ভাগ করেছেন – প্রলয়ংকারী, বিপজ্জনক, লঘু
    ✿➢৯৩) এই বলয় সমূহকে বলা হয় – সিসমিক রিস্ক জোন
    ✿➢৯৪) বরেন্দ্রভূমি – নওগাঁ, রাজশাহী, বগুড়া, জয়পুরহাট, রংপুর ও দিনাজপুরের অংশ বিশেষ নিয়ে গঠিত
    ✿➢৯৫) বরেন্দ্রভূমির আয়তন – ৯৩২০ বর্গ কি.মি
    ✿➢৯৬) প্লাবন সমভূমি থেকে এর উচ্চতা – ৬ থেকে ১২ মিটার
    ✿➢৯৭) বরেন্দ্র অঞ্চলের মাটি – ধূসর ও লাল বর্ণের
    ✿➢৯৮) মধুপুর ও ভাওয়ালের সোপানের আয়তন – ৪,১০৩ বর্গ কি.মি
    ✿➢৯৯) সমভূমি থেকে এর উচ্চতা – ৬থেকে ৩০ মিটার
    ✿➢১০০) মধুপুর ও ভাওয়ালের মাটি – লালচে ও ধূসর
    ১০১) লালমাই পাহাড় – কুমিল্লা শহর থেকে ৮ কি.মি পশ্চিমে
    ১০২) লালমাই পাহাড়ের আয়তন – ৩৪ বর্গ কি.মি
    ১০৩) এই পাহাড়ের উচ্চতা–২১ মিটার
    ১০৪) লালমাই পাহাড়ের মাটি- লালচে, এবং নুড়ি, বালি ও কংকর মিশ্রিত
    ১০৫) বাংলাদেশের নদী বিধৌত বিস্তীর্ণ সমভূমি – প্রায় ৮০%
    ১০৬) প্লাবন সমভূমির আয়তন – ১,২৪,২৬৬ বর্গ কি.মি
    ১০৭) প্লাবন সমভূমি – দেশের উত্তর পশ্চিমে অবস্থিত রংপুর ও দিনাজপুর জেলার অধিকাংশ
    ১০৮) উপকূলীয় সমভূমি – নোয়াখালী, ফেনীর নিম্নভাগ থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত
    ১০৯) স্রোতজ সমভূমি – খুলনা পটুয়াখালী ও বরগুনা জেলার কিয়দংশ
    ১১০) জনসংখ্যায় বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান – ৯ম
    ১১১) ২০০১ সালে জনসংখ্যা ছিল – ১২.৯৩ কোটি
    (২০১৭সালে১৬৩,১৮৭,০০০ জন প্রায়)
    ১১২) জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ছিল – ১.৪৮%
    ১১৩) বর্তমানে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার – ১.৩৭ %
    ১১৪) আদমশুমারি ২০১১ অনুযায়ী জনসংখ্যা – ১৪.৯৭ কোটি (১৪,৯৭,৭২,৩,৬৪ জন)
    ১১৫) প্রতি বর্গকিলোমিটারে বাস করে – ১১০৬ জন
    ১১৬) জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম – পার্বত্য অঞ্চল ও সুন্দরবনে
    ১১৭) শীত গ্রীষ্মের তারতম্য বেশী – দেশের উত্তরাঞ্চলে
    ১১৮) বর্তমানে মাথাপিছু জমির পরিমান – ০.২৫ একর
    ১১৯) বাংলাদেশের জলবায়ু – ক্রান্তীয় মৌসুমী জলবায়ু
    ১২০) বাংলাদেশে শীতকাল- নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি
    ১২১) শীতকালে দেশের সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা – ২৯ ডিগ্রী ও ১১ ডিগ্রী সে.
    ১২২) বাংলাদেশের শীতলতম মাস- জানুয়ারি
    ১২৩) জানুয়ারি মাসের গড় তাপমাত্রা – ১৭.৭ ডিগ্রী সে.
    ১২৪) জানুয়ারি মাসে সবচেয়ে কম তাপমাত্রা – দিনাজপুরে ১৬.৬
    ১২৫) বাংলাদেশে গ্রীষ্মকাল – মার্চ থেকে মে মাস
    ১২৬) গ্রীষ্মকালে সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা – ৩৮ এবং ২১ ডিগ্রী সে.
    ১২৭) উষ্ণতম মাস – এপ্রিল মাস
    ১২৮) মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ মুসলিম লীগের দাপ্তরিক ভাষা উর্দু করার প্রস্তাব দেন – ১৯৩৭ সালে
    ১২৯) ব্রিটিশ শাসনের অবসান হয় – ১৯৪৭ সালের ১৪ আগষ্ট
    ১৩০) মুসলিম লীগের দাপ্তরিক ভাষা উর্দু করার প্রস্তাবের বিরোধীতা করেন – শেরে বাংলা এ.কে. ফজলুল হক
    ১৩১) চৌধুরী খালেকুজ্জামান পাকিস্তানের রাষ্ট্র ভাষা উর্দু করার দাবি করেন – ১৯৪৭ সালের ১৭ মে
    ১৩২) চৌধুরী খালেকুজ্জামান এর প্রস্তাবের বিরোধীতা করেন – ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ এবং ড. এনামুল হক
    ১৩৩) ‘ গণ আজাদী লীগ’ গঠিত হয় – ১৯৪৭ সালে কারুদ্দিন আহমদের নেতৃত্বে
    ১৩৪) গণ আজাদী লীগের দাবি ছিল – মাতৃভাষায় শিক্ষা দান
    ১৩৫) তমদ্দুন মজলিশ গঠিত হয় – ১৯৪৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর
    ১৩৬) তমদ্দুন মজলিশ গঠিত হয় – অধ্যাপক আবুল কাশেমের নেতৃত্বে
    ১৩৭) ভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠন করে – তমদ্দুন মজলিশ
    ১৩৮) উর্দুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্র ভাষা করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় – ১৯৪৭ সালের ডিসেম্বর মাসে
    ১৩৯) বাংলাকে উর্দু ও ইংরেজির পাশাপাশি পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করার দাবি জানান – ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ( ১৯৪৮ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি)
    ১৪০) সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয় – ১৯৪৮ সালের ২ মার্চ
    ১৪১) বাংলা ভাষা দাবি দিবস পালনের ঘোষণা দেয় যে তারিখকে – ১৯৪৮ সালে ১১ মার্চকে
    ১৪২) পূর্ব পাকিস্তান মুসলিম ছাত্র লীগ ( বর্তমান ছাত্র লীগ) গঠিত হয় – ১৯৪৮ সালের ৪ জানুয়ারি
    ১৪৩) ৮ দফা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় – ১৯৪৮ সালের ১৫ মার্চ
    ১৪৪) ৮ দফা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় – মুখ্য মন্ত্রী খাজা নাজিমুদ্দিন ও রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের মধ্যে
    ১৪৫) মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ রেসকোর্স ময়দানে উর্দুকে রাষ্ট্রভাষার করার কথা ঘোষণা দেন – ১৯৪৮ সালের ২১ মার্চ

    ১৪৬) খাজা নাজিমুদ্দিন উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা করার ঘোষণা দেন- ১৯৫২ সালের ২৬ জানুয়ারি পল্টন ময়দানে
    ১৪৭) রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ নতুন ভাবে গঠিত হয় – ১৯৫২ সালের ৩০ জানুয়ারি ( আবদুল মতিন আহবায়ক)
    ১৪৮) ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি কর্মসূচি পালনের পরামর্শ দেন – বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
    ১৪৯) ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি – সকাল ১১ টায় সভা অনুষ্ঠিত হয়
    ১৫০) ২১ ফেব্রুয়ারির সভা অনুষ্ঠিত হয় – ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আমতলায়
    এরকম আরো গুরত্বপূর্ন সব পোস্ট সাথে সাথে পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে দিয়ে রাখুন।
    ১৫১) সভায় সিদ্ধান্ত হয় – ১০ জন করে মিছিল করবে
    ১৫২) শহীদ শফিউর মৃত্যুবরণ করেন – ১৯৫২ সালের ২২ফেব্রুয়ারি
    ১৫৩) প্রথম শহীদ মিনার নির্মান করা হয় – ১৯৫২ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি ঢাকা মেডিকেল কলেজের সামনে
    ১৫৪) প্রথম শহীদ মিনার উদ্বোধন – ১৯৫২ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি
    ১৫৫) প্রথম শহীদ মিনার উদ্বোধন করেন – ভাষা শহীদ শফিউরের পিতা
    ১৫৬) একুশে ফ্রব্রুয়ারির উপর প্রথম কবিতা লেখেন – চট্টগ্রামের কবি মাহবুব উল আলম
    ১৫৭) ভাষা আন্দোলনের প্রথম কবিতার নাম – কাঁদতে
    আসিনি ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি
    ১৫৮) আলাউদ্দিন আল আজাদ রচনা করেন – স্মৃতির মিনার কবিতাটি
    ১৫৯) ভাষা আন্দোলনের গান – আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙ্গানো একুশে ফেব্রুয়ারি ( আব্দুল গাফফার চৌধুরী)
    ১৬০) আব্দুল লতিফ রচনা করেন – ওরা আমার মুখের ভাষা কাইড়া নিতে চায়
    ১৬১) মুনীর চৌধুরী ঢাকা জেলে বসে রচনা করেন – কবর নাটক
    ১৬২) জহির রায়হান রচনা করেন – আরেক ফাল্গুন উপন্যাস
    ১৬৩) বাংলাকে পাকিস্তানের সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করে – ১৯৫৬ সালে
    ১৬৪) বাঙ্গালীর পরিবর্তী সব আন্দোলনের প্ররণা দিয়েছিল – ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন
    ১৬৫) শহীদ দিবস পালন শুরু হয় – ১৯৫৩ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে
    ১৬৬) শহীদ দিবসকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ঘোষণা করে – UNESCO
    ১৬৭) ইউনেস্কো আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ঘোষণা করে – ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর
    ১৬৮) পৃথিবীতে ভাষা রয়েছে – ৬০০০ এর বেশি
    ১৬৯) পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ গঠিত হয় – ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন
    ১৭০) গঠনের স্থান – ঢাকার রোজ গার্ডেন
    ১৭১) সভাপতি ছিলেন – মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী
    ১৭২) সাধারণ সম্পাদক ছিলেন – শামসুল হক ( টাঙ্গাইল)
    ১৭৩) যুগ্ন সম্পাদক ছিলেন – শেখ মুজিবুর রহমান
    ১৭৪) ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট গঠনের উদ্যোগ ছিল – আওয়ামী লীগের
    ১৭৫) পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগ নামকরন করা হয় – ১৯৫৫ সালে
    ১৭৬) যুক্তফ্রন্ট গঠনের সিদ্ধান্ত হয় – ১৯৫৩ সালের ১৪ নভেম্বর
    ১৭৭) যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয় – ৪ টি দল নিয়ে
    ১৭৮) যুক্তফ্রন্টের ইশতেহার ছিল – ২১ টা
    ১৭৯) প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় – ১৯৫৪ সালের মার্চে
    ১৮০) পূর্ব বাংলার প্রাদেশিক পরিষদের আসনছিল – ২৩৭ টি
    ১৮১) যুক্তফ্রন্ট আসন লাভ করে – ২২৩ টি
    ১৮২) ২১ দফার প্রথম দফা ছিল – বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করা
    ১৮৩) যুক্তফ্রন্টের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহন করেন – এ.কে ফজলুল হক ( ১৯৫৪ সালের ৩ এপ্রিল)
    ১৮৪) যুক্তফ্রন্ট সরকার ক্ষমতায় ছিল – ৫৬ দিন
    ১৮৫) যুক্তফ্রন্ট সরকারকে বরখাস্ত করে – ১৯৫৪ সালের ৩০ মে
    ১৮৬) বরখাস্ত করেন – গভর্নর জেনারেল গোলাম মোহাম্মদ
    ১৮৭) বরখাস্তের ইস্যু ছিল – আদমজি ও কর্ণফুলি কাগজ কলে বাঙ্গালিঅবাঙ্গা লি দাঙ্গা।
    ১৮৮) বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণা প্রচার করা হয় – ইপিআর ট্রান্সমিটার, টেলিগ্রাম ও টেলিপ্রিন্টারের মাধ্যমে
    ১৮৯) বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার ঘোষণা চট্টগ্রাম থেকে প্রচার করেন – ২৬ মার্চ দুপুর ও সন্ধ্যায় এম, এ, হান্নান
    ১৯০) মেজর জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা পত্র পাঠ করেন – ২৭ মার্চ সন্ধ্যায় চট্টগ্রামের কালুর ঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে
    ১৯১) বাঙ্গালী পাকিস্তানের শাসনের অধীনে ছিল- ২৪ বছর
    ১৯২) মেহেরপুর জেলার অন্তর্গত – বৈদ্যনাথ তলাএবং আম্রকানন
    ১৯৩) বৈদ্যনাথ তলার বর্তমান নাম – মুজিবনগর
    ১৯৪) মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় – ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল
    ১৯৫) বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা আদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষিত হয় – ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল
    ১৯৬) মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহন করে – ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল
    ১৯৭) মুজিব নগর সরকারের রাষ্ট্রপতি ও মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক – বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
    ১৯৮) উপরাষ্ট্রপতি – সৈয়দ নজরুল ইসলাম
    ১৯৯) প্রধান মন্ত্রী – তাজ উদ্দীন আহমেদ
    ২০০) অর্থমন্ত্রী – এম. মনসুর আহমদ
    ২০১)মুজিবনগর সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী – এ.এইচ. এম. কামারুজ্জামান
    ২০২) মুজিবনগর সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী – খন্দকার মোশতাক আহমেদ
    ❍☞২০৩) মুজিব নগর সরকারের শপথবাক্য পাঠ করান – অধ্যাপক ইউসুফ আলী
    ❍☞২০৪) মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি ছিলেন – কর্ণেল ( অব.) এম.এ. জি ওসমানী
    ❍☞২০৫) মুজিব নগর সরকারের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল – মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা ও বাংলাদেশের পক্ষে বিশ্বে জনমত সৃষ্টি করা
    ❍☞২০৬) মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রনালয় ছির – ১২ টি
    ❍☞২০৭) মুজিবনগর সরকারের বিশেষ দূত ছিলেন – বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী
    ❍☞২০৮) বাংলাদেশে কয়টি সামরিক জোনে ভাগ করা হয় – ৪ টি ( ১৯৭১ সাল ১০ এপ্রিল)
    ❍☞২০৯) ৪ সামরিক জোনে ছিলেন – ৪ জন সেক্টর কমান্ডার
    ❍☞২১০) ১১ এপ্রিল পুনঃরায় ভাগ করা হয় – ১১ টি সেক্টরে
    ❍☞২১১) মুক্তিযুদ্ধের ব্রিগেড ফোর্স ছিল – ৩ টি
    ❍☞২১২) কাদেরীয়া বাহিনী ছিল – টাঙ্গাইলের
    ❍☞২১৩) ইপিআর – ইষ্ট পাকিস্তান রাইফেল
    ❍☞২১৪) বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকে বলা যায় – গণযুদ্ধ বা জনযুদ্ধ
    ❍☞২১৫) ভারতে শরার্থী ছিল – ১ কোটি
    ❍☞২১৬) বুদ্ধিজীবীদের হত্যাকরা হয় – ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর
    ❍☞২১৭) ১১ দফা আন্দোলন হয়েছিল – ১৯৬৮ সালে
    ❍☞২১৮) ১৯৭১ সালের মার্চ মাসে চলছিল – বঙ্গবন্ধুর অসহযোগ আন্দোলন
    ❍☞২১৯) মুজিবনগর সরকারের অধীনে ” পরিকল্পনা সেল ” গঠন করে – পেশাজীবীরা
    ❍☞২২০) মুক্তিযুদ্ধে সম্ভ্রম হারান – প্রায় তিন লক্ষ নারী
    ❍☞২২১) স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র চালু করেন – চট্টগ্রাম বেতারের শিল্পী ও সংস্কৃতিনকর্মীরা
    ❍☞২২২) ভারত বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় – ৬ ডিসেম্বর১৯৭১

    ❍☞২২৩) মুক্তি বাহিনী ও ভারতীয় বাহিনী মিলে গঠিত হয় – যৌথ কমাণ্ড
    ❍☞২২৪) মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে বহির্বিশ্বে প্রচারের প্রধান কেন্দ্র ছিল – লন্ডন
    ❍☞২২৫) কনসার্ট ফর বাংলাদেশ এর শিল্পী ছিলেন – জর্জ হ্যারিসন
    ❍☞২২৬) কনসার্ট ফর বাংলাদেশ অনুষ্ঠিত হয় – যুক্তরাষ্ট্রর নিউইয়র্ক শহরে ( ৪০০০০ লোক ছিল)
    ❍☞২২৭) স্বাধীন বাংলাদেশ সরকার ক্ষমতা গ্রহন করে – ১৯৭১ সালের ২২ ডিসেম্বর
    ❍☞২২৮) বঙ্গবন্ধু দেশে ফিরে আসেন – ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি
    ❍☞২২৯) অস্থায়ী সংবিধান আদেশ জারি করা হয় – ১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারি
    ❍☞২৩০) অস্থায়ী সংবিধান আদেশ জারি করেন – বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
    ❍☞২৩১) গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয় – ১৯৭২ সালের ১০ এপ্রিল
    ❍☞২৩২) সংবিধান প্রনয়ণ কমিটির সদস ছিলেন – ৩৪ জন
    ❍☞২৩৩) সংবিধান কমিটি খসড়া সংবিধান পেশ করেন – ১৯৭২ সালের ১২ অক্টোবর
    ❍☞২৩৪) সংবিধান গণ পরিষদে গৃহীত হয় – ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর
    ❍☞২৩৫) বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয় – ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর থেকে
    ❍☞২৩৬) সংবিধানের মূলনীতি – ৪ টি
    ❍☞২৩৭) বাংলাদেশ গণ পরিষদ আদেশ জারি করা হয় – ১৯৭২ সালের ২৩ মার্চ
    ❍☞২৩৮) বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশন – ড. কুদরত এ খুদা কমিশন
    ❍☞২৩৯) বাংলাদেশের প্রথম সাধারন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় – ১৯৭৩ সালের ৭ মার্চ
    ❍☞২৪০) বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতি ছিল – সকলের সাথে বন্ধুত্ব, কারো সাথে শত্রুতা নয়
    ❍☞২৪১) প্রথম দিকে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দান করে – ১৪০ টি দেশ
    ❍☞২৪২) চট্টগ্রাম বন্দরের মাইনমুক্ত করার বিষয়ে সহযোগিতা করে – সোভিয়েত ইউনিয়ন
    ❍☞২৪৩) ভারতীয় বাহিনী বাংলাদেশ ছাড়ে – ১৯৭২ সালের মার্চে
    ❍☞২৪৪) বাংলাদেশ কমনওয়েলথের সদস্য হয় – ১৯৭২ সালে
    ❍☞২৪৫) জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে – ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর
    ❍☞২৪৬) জাতি সংঘের সাধারণ অধিবেশনে সর্বপ্রথম বাংলায় ভাষণ দেন – বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
    ❍☞২৪৭) বঙ্গবন্ধু পুরষ্কার পান – জুলিও কুরি শান্তি পদক
    ❍☞২৪৮) জুলিও কুরি পদক দেয় – বিশ্বশান্তি পরিষদ
    ❍☞২৪৯) সংবিধান কমিটির প্রধান ছিলেন – ড. কামাল হোসেন
    ❍☞২৫০) সংবিধান প্রণয়ণ কমিটিতে মহিলা সদস্য ছিলেন – ১ জন
    ✺ ২৫১) বাংলাদেশের সংবিধান প্রনয়ণে সময় লাগে – ১০ মাস
    ✺ ২৫২) বাংলাদেশ সংবিধান – লিখিত ও দুষ্পরিবর্তনীয়
    ✺ ২৫৩) সংবিধানে ন্যায়পাল সৃষ্টির কথা বলা হয়েছে – ৭৭ নং অনুচ্ছেদে
    ✺ ২৫৪) বীরঙ্গনাদের সরকার ” নারী মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি দেয় – ২০১৬ সালের ২৯ জানুয়ারি
    ✺ ২৫৫) সর্বজনীন ভোটাধিকারের নীতি – এক ব্যক্তি এক ভোট নীতি
    ✺ ২৫৬) সুপ্রীম কোর্ট বাতিল করে সংবিধানের – ৫ম, ৭ম ও ১৩ দশ সংশোধনী
    ✺ ২৫৭) জাতীয় শোক দিবস – ১৫ আগষ্ট
    ✺ ২৫৮) বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করা হয় – ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট
    ✺ ২৫৯) জাতীয় ৪ নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয় – ১৯৭৫ সালে ২২ আগষ্ট
    ✺ ২৬০) রাজনৈতিক দল ও কার্যকলাপ নিষিদ্ধ করা হয় – ১৯৭৫ সালের ৩১ আগষ্ট
    ✺ ২৬১) ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি করেন – খন্দকার মোশতাক আহমেদ
    ✺ ২৬২) ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি করা হয় – ১৯৭৫ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর
    ✺ ২৬৩) খালেদ মোশাররফ এর নেতৃত্বে সেনা অভ্যুথান হয় -১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর
    ✺ ২৬৪) জাতীয় ৪ নেতাকে হত্যা করা হয় – ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর
    ✺ ২৬৫) বাংলাদেশে সেনা শাসন আমল – ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্টের পর থেকে ১৯৯০ পর্যন্ত
    ✺ ২৬৬) গণতন্ত্রের যাত্রা শুরু হয় – ১৯৯১ সালে
    ✺ ২৬৭) জিয়াউর রহমান সেক্টর কমান্ডার ছিলেন – ২ নং সেক্টরের
    ✺ ২৬৮) জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রপতি পদে অধিষ্ঠিত হন – ১৯৭৭ সালের ২১ এপ্রিল
    ✺ ২৬৯) রাষ্টপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় – ১৯৭৮ সালের ৩ জুন
    ✺ ২৭০) বাংলাদেশের ২য় জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় – ১৯৭৯ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি
    ✺ ২৭১) সংবিধানের ৫ম সংশোধনী অবৈধ বলে সুপ্রীম কোর্ট রায় দেন – ২০০৮ সালে
    ✺ ২৭২) সার্ক গঠনের উদ্যেগক্তা – জিয়াউর রহমান
    ✺ ২৭৩) রাষ্টপতি জেনারেল জিয়াউর রহমান নিহত হন – ১৯৮১ সালের ৩১ মে
    ✺ ২৭৪) জিয়াউর রহমানের সামরিক শাসন ছিল – সাড়ে ৫ বছর
    ✺ ২৭৫) জেনারেল এরশাদ রাষ্টপতি হন – ১৯৮৩ সালের ১১ ডিসেম্বর
    ✺ ২৭৬) রাষ্টপতি এরশাদ রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ করেন – ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ
    ✺ ২৭৭) সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে প্রথম বিক্ষোভ হয় – ১৯৮৩ সালে
    ✺ ২৭৮) গণ আন্দোলন হয় – ১৯৯০ সালে
    ✺ ২৭৯) জেনারেল এরশাদ পদত্যাগ করেন – ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর
    ✺ ২৮০) এরশাদ ক্ষমতা দখল করেন – ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ
    ✺ ২৮১) ঘরোয়া রাজনীতির অনুমতি দেয়া হয় – ১৯৮৩ সালের ১ এপ্রিল
    ✺ ২৮২) ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় – ১৯৮৩ সালে
    ✺ ২৮৩) পৌরসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় – ১৯৮৪ সালে
    ✺ ২৮৪) এরশাদ গণভোটের আয়োজন করেন – ১৯৮৫ সালের ২১ মার্চ
    ✺ ২৮৫) উপজেলা পদ্ধতি চালু করেন – এরশাদ
    ✺ ২৮৬) উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় – ১৯৮৫ সালের ১৬ ও ২১ মে
    ✺ ২৮৭) বাংলাদেশের ৩য় জাতীয় সংসদ নির্বাচন হয় – ১৯৮৬ সালের ৭ মে
    ✺ ২৮৮) ৪র্থ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আয়োজন করা হয় – ১৯৮৮ সালের ৩ মার্চ
    ✺ ২৮৯) জেনারেল এরশাদের শাসন আমল – ৯ বছর
    ✺ ২৯০) প্রথম গণতান্ত্রিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় – ১৯৯১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি
    ✺ ২৯১) নুর হোসেন শহীদ হন – স্বৈরাচার বিরোধি আন্দোলন ১৯৮৭ সালের ১০ নভেম্বর
    ✺ ২৯২) এরশাদ জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন – ১৯৮৭ সালের ২৭ নভেম্বর
    ✺ ২৯৩) সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্য গঠন করা হয় – ১৯৯০ সালের ১০ অক্টোবর ( ২২ টি ছাত্র সংগঠন)
    ✺ ২৯৪) ডা. সামসুল আলম মিলন গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান – ১৯৯০ সালের ২৭ নভেম্বর
    ✺ ২৯৫) ৫ম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় – ১৯৯১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি
    ✺ ২৯৬) তত্ববধায়ক সরকারে বিল সংসদে পাশ হয় – ১৯৯৬ সালের ২৬ মার্চ
    ✺ ২৯৭) তত্তবধায়ক সরকারের প্রথম প্রধান উপদেষ্টা ছিলেন – বিচারপতি হাবিবুর রহমান
    ✺ ২৯৮) তত্ববধায়ক সরকারের অধীনে প্রথম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় – ১২ জুন ১৯৯৬ সালে ( ৭ম জাতীয় নির্বাচন)
    ✺ ২৯৯) ৮মম জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় – ২০০১ সালের ১ অক্টোবর
    ✺ ৩০০) বাংলাদেশে ১/ ১১ এর সময় কাল – ২০০৭ সাল
    ❑➫৩০১) ৮ম জাতীয় সংসদ নির্বাচন হয় – ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর
    ❑➫৩০২) ১৯৭২ সালে বাংলাদেশের দারিদ্র্যের হার ছিল – ৭০%
    ❑➫৩০৩) ৪০ বছরে দারিদ্যের হার কমেছে – ৩০%
    ❑➫৩০৪) ৪ দশকে শিশু মৃত্যু হার কমেছে -প্রতি হাজারে ১৮৫ থেকে ৪৮
    ❑➫৩০৫) বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় শিক্ষানীতি প্রনীত হয় – ২০১০ সালে
    ❑➫৩০৬) পারিবারিক সংহিংসতা ও সুরক্ষা আইন – ২০১০ সালে প্রণীত হয়
    ❑➫৩০৭) জাতীয় খাদ্য নীতি – ২০০৬ সালে
    ❑➫৩০৮) জাতীয় শিশু নীতি প্রণীত হয় – ২০১১ সালে
    ❑➫৩০৯) জাতীয় শিশু নীতি ২০১১ অনুযায়ী শিশু বলে বিবেচিত হবে -১৮ বছরের কম বয়সী সব ব্যক্তি
    ❑➫৩১০) বাংলাদেশ পলল গঠিত – আদ্র অঞ্চল
    ❑➫৩১১) বাংলাদেশের পাহাড়ী অঞ্চল – উত্তর পূর্ব ও দক্ষিণ পূর্বে
    ❑➫৩১২) উঁচু ভুমির অবস্থান – উত্তর পশ্চিমাংশে
    ❑➫৩১৩) বাংলাদেশের ভূ প্রকৃতি – নিচু ও সমতল
    ❑➫৩১৪) দক্ষিণ এশিয়ার বড় নদী – ৩ টি( গঙ্গা, ব্রক্ষপুত্র, মেঘনা)
    ❑➫৩১৫) বাংলাদেশের অবস্থান – এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণে
    ❑➫৩১৬) বাংলাদেশের অবস্থান – ২০.৩৪“ উত্তর অক্ষরেখা থেকে ২৬.৩৮” উত্তর অক্ষরেখার মধ্যে
    ❑➫৩১৭) দ্রাঘিমা রেখা – ৮৮.০১” থেকে ৯২.৪১” পূর্ব দ্রাঘিমা
    ❑➫৩১৮) বাংলাদেশের মাঝামাঝি দিয়ে অতিক্রম করেছে – কর্কটক্রান্তি রেখা ( ২৩.৫”)
    ❑➫৩১৯) বাংলাদেশের উত্তরে – পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয়, আসাম
    ❑➫৩২০) পূর্বে – আসাম, ত্রিপুরা, মিজোরাম,মায়ানমার
    ❑➫৩২১) দক্ষিণে – বঙ্গোপসাগর
    ❑➫৩২২) মোট আয়তন – ১,৪৭,৬১০ কি.মি.।
    ❑➫৩২৩) পৃথিবীর বৃহত্তম ব দ্বীপ – বাংলাদেশ
    ❑➫৩২৪) বাংলাদেশের ভু খন্ড – উত্তর থেকে দক্ষিণে ঢালু
    ❑➫৩২৫) বাংলাদেশের প্রায় সমগ্র অঞ্চল – এক বিস্তীর্ন সমভূমি
    ❑➫৩২৬) ভূ প্রকৃতির ভিত্তিতে বাংলাদেশ ভাগ করা হয় – ৩ টি শ্রেণীতে
    ❑➫৩২৭) টারশিয়ারে যুগের পাহাড়সমূহ – মোট ভূমির প্রায় ১২%
    ❑➫৩২৮) হিমালয় পর্বত উথিত হয় – টারশিয়ারি যুগে
    ❑➫৩২৯) দক্ষিণ পূর্বাঞ্চলের পাহাড় সমূহ – রাঙ্গামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, কক্সবাজার এবং চট্টগ্রামের পূর্বাংশ
    ❑➫৩৩০) দক্ষিণ পূর্বাঞ্চলের পাহাড়গুলোর উচ্চতা – ৬১০ মিটার
    ❑➫৩৩১) বাংলাদেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ – তাজিনডং ( বিজয়)
    ❑➫৩৩২) বিজয়ের উচ্চতা – ১২৩১ মিটার
    ❑➫৩৩৩) বিজয় – বান্দরবানে অবস্থিত
    ❑➫৩৩৪) বাংলাদেশের ২য় সর্বোচ্চ শৃঙ্গ – কিওক্রাডং( ১২৩০ মি)
    ❑➫৩৩৫) আরো দুটি পাহাড় – মোদকমুয়াল ( ১০০০মি.), পিরামিড( ৯১৫মি)
    ❑➫৩৩৬) এই পাহাড় গুলো গঠিত – বেলে পাথর, কর্দম, শেল পাথর দ্বারা
    ❑➫৩৩৭) উত্তর উত্তরপূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ – ময়মনসিংহ, নেত্রকোনার উত্তরাংশ, সিলেটের উত্তর উত্তর পূর্বাংশ, মৌলভী বাজার, হবিগঞ্জের দক্ষিনের পাহাড়
    ❑➫৩৩৮) পাহাড় গুলোর উচ্চতা – ২৪৪ মিটার
    ❑➫৩৩৯) উত্তরের পাহাড়গুলো – টিলা নামে পরিচিত
    ❑➫৩৪০) টিলার উচ্চতা – ৩০ থেকে ৯০ মিটার
    ❑➫৩৪১) এ অঞ্চলের পাহাড় সমূহ – চিকনাগুল, খাসিয়া, জয়ন্তিয়া
    ❑➫৩৪২) প্লাইস্টোসিন কালের সোপান – দেশের মোট ভূমির ৮% নিয়ে গঠিত
    ❑➫৩৪৩) প্লাইস্টোসিন কাল বলা হয় – আনুমানিক ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে
    ❑➫৩৪৪) প্লাইস্টোসিন কালের সোপিনসমূহ – ৩ ভাগে বিভক্ত
    ❑➫৩৪৫) বাংলাদেশে ছোট বড় নদী রয়েছে -৭০০ টি
    ❑➫৩৪৬) নদীর গুলোর আয়তন দৈর্ঘ্যে – ২২,১৫৫ কি.মি
    ❑➫৩৪৭) পদ্মা নদী ভারতে পরিচিত – গঙ্গা নামে
    ❑➫৩৪৮) পদ্মা নদীর উৎপত্তিস্থল – হিমালয়ের গাঙ্গোত্রী হিমবাহে
    ❑➫৩৪৯) গঙ্গা বাংলাদেশে প্রবেশ করে – রাজশাহী জেলা দিয়ে
    ❑➫৩৫০) পদ্মা নদী যমুনার সাথে মিলিত হয় – গোয়ালন্দে
    ■➢৩৫১) ব্রক্ষপুত্রের প্রধান ধারা – যমুনা নদী
    ■➢৩৫২) পদ্মা নদী মেঘনার নাথে মিলিত হয় – চাঁদপুরে
    ■➢৩৫৩) গঙ্গা পদ্মা বিধৌত অঞ্চলের পরিমান – ৩৪, ১৮৮ বর্গ কি.মি
    ➢৩৫৪) পদ্মার শাখা নদী সমূহ – ভাগীরথী, হুগলি, মাথাভাঙ্গা, ইছামতি, ভৈরব, কুমার, কপোতাক্ষ, নবগঙ্গা, চিত্রা, মধুমতী, আড়িয়াল খাঁ
    ■➢৩৫৫) ব্রক্ষপুত্রের উৎপত্তি – তিব্বতের মানস সরোবর
    ■➢৩৫৬) বক্ষপুত্র নদী বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে – কুড়িগ্রাম জেলার মধ্য দিয়ে
    ■➢৩৫৭) ১৭৮৭ সালের আগে ব্রক্ষপুত্রের প্রধান ধারাটি প্রবাহিত হতো – ময়মনসিংহের মধ্যে দিয়ে উত্তর পশ্চিম থেকে দক্ষিণ পূর্বে
    ■➢৩৫৮) ব্রক্ষপুত্র নদের গতি পরিবর্তিত হয় – ১৭৮৭ সালের ভূমিকম্পে
    ■➢৩৫৯) যমুনা নদীর শাখা নদী – ধলেশ্বরী
    ■➢৩৬০) ধলেশ্বরী নদীর শাখা নদী – বুড়িগঙ্গা
    ■➢৩৬১) যমুনা নদীর উপনদী সমূহ – ধরলা, তিস্তা, করতোয়া, আত্রাই
    ■➢৩৬২) গঙ্গার সঙ্গমস্থল পর্যন্ত ব্রক্ষপুত্রের দৈর্ঘ্য – ২৮৯৭ কি.মি এবং আয়তন – ৫,৮০,১৬০ বর্গ কি.মি এবং এর ৪৪,০৩০ বর্গ কি.মি বাংলাদেশের
    ■➢৩৬৩) সুরমা ও কুশিয়ারা নদী মিলনে উৎপত্তি – মেঘনা নদী
    ■➢৩৬৪) সুরমা ও কুশিয়ার উৎপত্তি- আসামের বরাক নদী নাগা- মণিপুর অঞ্চলে
    ■➢৩৬৫) সুরমা ও কুশিয়ারা নদী বাংলাদেশে প্রবেশ করে – সিলেট জেলা দিয়ে
    ■➢৩৬৬) সুরমা ও কুশিয়ারা নদী মিলিত হয় – সুনামগঞ্জের আজমিরিগঞ্জে এবং কালনী নামে দক্ষিণ পশ্চিমে অগ্রসর হয়ে মেঘনা নাম ধারন করে
    ■➢৩৬৭) মেঘনা পুত্রের সাথে মিলিত হয় – ভৈরব বাজারের কাছে
    ■➢৩৬৮) বুড়িগঙ্গা, ধলেশ্বরী, ও শীতলক্ষ্যা মেঘনার সাথে মিলিত হয় – মুন্সিগঞ্জে
    ■➢৩৬৯) মেঘনার শাখা নদী – মুন, তিতাস, গোমতী, বাউলাই।
    ■➢৩৭০) বাংলাদেশের দক্ষিণ পূর্বাঞ্চলের প্রধান নদী – কর্ণফুলী
    ■➢৩৭১) কর্ণফুলি নদীর উৎপত্তি – লুসাই পাহাড়ে
    ■➢৩৭২) কর্ণফুলির দৈর্ঘ্য – ৩২০ কি.মি
    ■➢৩৭৩) কর্ণফুলির প্রধান উপনদী – কাপ্তাই, হালদা, কাসালাং, রাঙখিয়াং
    ■➢৩৭৪) বাংলাদেশের প্রধান সমুদ্র বন্দর – চট্টগ্রাম কর্ণফুলির তীরে অবস্থিত
    ■➢৩৭৫) তিস্তা নদীর উৎপত্তি – সিকিমের পার্বত্য অঞ্চল
    ■➢৩৭৬) তিস্তা নদী – ভারতের জলপাইগুড়ি ও দার্জিলিং হয়ে ডিমলা অঞ্চল দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে
    ■➢৩৭৭) তিস্তা নদীরর গতিপথ পরিবর্তিত হয় – ১৯৮৭ সালের বন্যায়

  • সংশ্লিষ্ট তথ্য


    ১. পৃথিবীর কোন কোন দেশে মহিষ পালিত হয়?

    • গ্রীষ্মপ্রধান এবং অ-গ্রীষ্মপ্রধান দেশসমূহে মহিষ পালিত হয়।

     

    ২ মহিষ পালনে পৃথিবীর কোন দেশ শীর্ষ-স্থানীয়?

    • চীন।

     

    ৩. বর্তমানে পালিত মহিষের বংশধর কোন জাতের?

    • এশিয়ার বন্য-প্রজাতির মহিষ।

     

    ৪. কোন কোন প্রয়োজনে মহিষ পালিত হয়?

    • কৃষি কাজ, পরিবহন, দুধ ও মাংস উৎপাদনের জন্য মহিষ পালিত হয়।

    ৫. এশিয়া মহাদেশে উৎপাদিত মহিষের দুধের পরিমাণ কী রকম?

    • এ অঞ্চলের মহিষ প্রায় ৩৭% দুধ উৎপাদন করে।

    ৬. বাংলাদেশে মহিষ থেকে কি পরিমাণ মাংস উৎপাদিত হয়?

    • পাঁচ হাজার টনের বেশি মাংস উৎপাদিত হয়।

    ৭. মহিষকে জীবন্ত ট্রাক বলা হয় কেন?

    • কৃষি কাজ ও ভার বহনের বিশেষ উপযোগী বিধায় মহিষকে জীবন্ত ট্রাক বলা হয়।

    ৮. মহিষকে দামী ব্লাক পাথর বলা হয় কেন?

    • মহিষ অপেক্ষাকৃত অধিক উপকারী বিধায় থাইল্যান্ডে মহিষকে দামী ব্লাক পাথর বলা হয়।

    ৯. মহিষ কোন অঞ্চলে বিচরণ করতে ভালবাসে?

    • সামান্য লোনাপানির অঞ্চলে মহিষ বিচরণ করতে ভালবাসে।

    ১০. উপকূলীয় অঞ্চলে কিভাবে মহিষ পালন করা হয়?

    • সুনির্দিষ্ট স্থান ও দুপুর বেলায় মালিক কেবল খামারের মিঠাপানি, সামান্য দানাদার খাদ্য, ভূষি, খৈল ইত্যাদি খাদ্যসামগ্রী সরবরাহ করে মহিষ পালন করেন।

    ১১. মালিক কখন মহিষের দুগ্ধ দোহন করেন?

    • আধাবনে দলবেধে মহিষ যখন খাবারের লোভে বিচরণ করতে আসে মালিক তখন নৌকাযোগে ঘাটে আসেন এবং দুগ্ধ দোহন করেন।

    ১২. কোন এলাকায় এ ধরণের মহিষ পালন ও দোহন করা হয়?

    • ভারতের অন্ধ্র প্রদেশের কাকিনগর ও গোদাভরী নদীর মোহনার বনাঞ্চলে আধাবনে মহিষ পালন করা হয়।

    ১৩. বাংলাদেশের কোন এলাকায় অধিক সংখ্যক মহিষ পালিত হয়?

    • খুলনা ও বাগেরহাটে সরকারী তত্ত্বাবধানে খামারে মহিষ পালিত হয়। এ ছাড়াও সমতল ভূমিতে বিগত ২০ বছরে গরুর তুলনায় মহিষের সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ বেড়েছে।

    ১৪. মহিষ পালনে সাধারণ সুবিধাগুলি কি?

    • গরুর তুলনায় রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বেশি এবং প্রতিকূল আবহাওয়ায় মহিষ অতি সহজে বাঁচতে পারে।

    ১৫. মহিষ পালনে বাড়তি সুবিধাসমূহ কি?

    • গরুর তুলনায় আকারে বড় হওয়ায় মহিষ বেশি পরিমাণে মাংস ও গোবর এবং বিশেষ ধরণের মোটা চামড়া উৎপাদন করতে পারে।

    ১৬. মহিষ কি ধরণের খাবার সহজে খেতে পারে?

    • গরুর তুলনায় মহিষ বেশি আঁশ-জাতীয় খাদ্য সহজে হজম করতে পারে। তাই আঁশ-জাতীয় নিম্ন মানের খাবার সরবরাহ করে গরম মৌসুমে মহিষ পালন করা যায়। এ কারণে বেশি মোটা খড় মহিষকে খাওয়ানো যেতে পারে।

    ১৭. গরুর দুধের তুলনায় মহিষের দুধ উৎকৃষ্ট কেন?

    • গরুর দুধের তুলনায় মহিষের দুধে প্রায় দ্বিগুণ চর্বি থাকে।

     

    ১৮. মহিষের বাসস্থানের খরচ কেমন এবং মহিষ ব্যবহারের সুবিধা কি কি?

    • অপেক্ষাকৃত অল্প খরচে বাসস্থান তৈরি করা যায় এবং কাদা অবস্থায় অনেক বেশি জমি চাষ করা যায়।

     

    ১৯. কাজ করানোর জন্য মহিষ কত বছর রাখা যেতে পারে?

    • কাজ করানোর জন্য প্রায় ২০ বছর মহিষ ব্যবহার করা যেতে পারে।

     

    ২০. মহিষের দুধের অন্যান্য গুণাগুণ কি?

    • মহিষের দুধে কঠিন পদার্থ ও চর্বি বেশি থাকে এবং গরুর তুলনায় দুধ ও মাংসে কলেস্টেরল কম থাকে।

     

    ২১. মহিষের দুধে কি কি দুগ্ধজাত খাদ্যপণ্য তৈরি করা হয়?

    • মহিষের দুধ অনেক প্রকার মিষ্টি খাদ্যপণ্য তৈরির উপযোগী।

     

    ২২. মহিষকে কোন ঋতুতে প্রজনন করানো হয়?

    • সুনির্দিষ্ট কোন প্রজনন ঋতু নেই তবে শীতকালে সাধারণত প্রজননের আধিক্য দেখা যায়।

     

    ২৩. মহিষকে সাধারণত কত ভাগে ভাগ করা যায়?

    • দু’ধরণের মহিষ আছে যথা, জলাভূমির মহিষ এবং নদীর মহিষ।

     

    ২৪. জলাভূমি এবং নদীর মহিষের মধ্যে কি ধরণের পার্থক্য দেখা যায়?

    • জলাভূমি এবং নদীর মহিষের মধ্যে ক্রোমোজম সংখ্যা, দৈহিক গঠন, আকৃতি এবং শিঙের অনেক পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়।

     

    ২৫. দু’ধরণের মহিষ সাধারণত কোন ধরণের কাজ বা প্রয়োজনে পালন করা হয়?

    • দৈহিক বৈচিত্র্যের জল-মহিষ কাজের শক্তি হিসাবে আর নদীর মহিষ প্রধানত দুধ ও মাংসের জন্য পালন করা হয়।

     

    ২৬. জল-মহিষের কোন জাত আছে কি?

    • জল-মহিষের কোন জাত নেই।

     

    ২৭. নদীর মহিষের জাত আছে কি?

    • নদীর মহিষের আঠারটি জাত আছে।

     

    ৮. নদীর মহিষের জাতগুলো কি?

    • নীলি, রাভী, মুরাহ্, সুর্তি, জাফরাবাদি, মেহসানা, কুনদি, ভাদোয়ারি এবং ইতালীর ভূ-মধ্যসাগরীয় মহিষ বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।

     

    ২৯. বাংলাদেশে-প্রাপ্ত মহিষের ধরণ ও জাতের নাম কি কি?

    • বাংলাদেশে প্রধানত নদীর মহিষ, জলাভূমির মহিষ এবং শংকর জাতের মহিষ পাওয়া যায়।

     

    ৩০. বাংলাদেশে কোন এলাকায় বেশি মহিষ পালিত হয়?

    • উপকূল ও হাওর এলাকায় বেশি মহিষ পালিত হয়।

    ৩১. বাংলাদেশে নদীর মহিষ কোন কোন অঞ্চলে পালিত হয়?

    • দেশের মধ্য ভাগ ও পশ্চিমাঞ্চলে নদীর মহিষ পাওয়া যায়।

    ৩২. নদীর মহিষের উৎপত্তি কোথায়?

    • নদীর মহিষের উৎপত্তি ভারতে তবে বর্তমানে বাগেরহাটে পাকিস্থান থেকে আমদানীকৃত নীলী-রাভী জাতের মহিষ বাংলাদেশের সরকারী মহিষ খামারে পাওয়া যায়।

    ৩৩. দেশীয় জলাভূমির মহিষ কোন অঞ্চলে পাওয়া যায়?

    • দেশের পূর্বাঞ্চল এবং উপকূলীয় অঞ্চলে পাওয়া যায়।

    ৩৪. বাংলাদেশে শংকর জাতের মহিষ কিভাবে সৃষ্টি হয়?

    • মুরাহ অথবা নীলি-রাভী জাতের মহিষের শংকরায়ণের ফলে দেশীয় শংকর মহিষ সৃষ্টি হয় যা মূলত উপকূলীয় অঞ্চলে পাওয়া যায়।

    ৩৫. দেশীয় নদী মহিষের উৎপাদন ক্ষমতা কেমন?

    • উৎপাদন ক্ষমতা সবচেয়ে বেশি এবং সুযোগ পেলে এসব মহিষ প্রতি বছর বাচ্চা দিতে পারে।

    ৩৬. জলাভূমি মহিষের অধিবাস বিস্তৃতি কোথায়?

    • মালয়েশিয়া, সিংগাপুর, ফিলিপাইনস, থাইল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া এবং চীন।

    ৩৭. জলাভূমির মহিষের সাধারণ বৈশিষ্ট্যসমূহ কি?

    • দেহের সামনের অংশ হালকা ও পেছনের অংশ মাংসল তাই এদের আকৃতি অনেকটা ব্যারেলের মত দেখায়। এদের শিং দুটি বেশ লম্বা এবং চওড়া।

    ৩৮. জলাভূমি মহিষের অভ্যাস বা পছন্দ কি কি?

    • স্রোতহীন বা স্থির কাঁদাযুক্ত জলামাটিতে গড়াগড়ি দিতে পছন্দ করে।

    ৩৯. জলা-মহিষের দেহের গঠন কি রকম?

    • খর্বাকৃতির বলিষ্ট দেহ, চওড়া মাংসল, ছোট মুখমন্ডল, ছোট ও চিকন পা এবং বুকের বেষ্টনী চওড়া।

    ৪০. জলাভূমির মহিষের শরীরের রং কেমন দেখায়?

    • সাধারণত গাঢ় ধূসর বর্ণের হয় তবে কালো বা সাদা রংয়ের মহিষও দেখা যায়।

    ৪১. জলাভূমির মহিষের শিং দেখতে কেমন?

    • সম্পূর্ণ চওড়া, অর্ধ-গোলাকৃতির বা অর্ধ-চন্দ্রাকৃতির।

    ৪২. জলাভূমি মহিষের ওলান দেখতে কেমন?

    • ছোট আকৃতির এবং পিছনের দুই পায়ের পিছনে অবস্থিত।

    ৪৩. জলাভূমি মহিষের দৈহিক ওজন কত হতে পারে ও কাঁধের উচ্চতা কত?

    • জলাভূমি মহিষের ওজন ৩০০-৬০০ কেজি এবং কাঁধের উচ্চতা ১৩০-১৩৫ সে.মি.।

    ৪৪. জলাভূমি মহিষের বয়:সন্ধিক্ষণ কখন আসে এবং গর্ভধারণ কাল কতদিন হতে পারে ?

    • প্রায় ৩ বছরে বয়:সন্ধিক্ষণ প্রাপ্ত হয় এবং গর্ভধারণ কাল ৩২৫-৩৩০ দিন।

    ৪৫. জলাভূমি মহিষের ক্রোমোজোম সংখ্যা কত?

    • জলাভূমি মহিষের ক্রোমোজোম সংখ্যা ৪৮।

    ৪৬. নদীর মহিষের অধিবাস বিস্তৃতি কোথায়?

    • বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্থান, নেপাল ও শ্রীলংকা।

    ৪৭. নদীর মহিষের সাধারণ দৈহিক বৈশিষ্ট্য কি রকম?

    • সামনে এবং পিছনের অংশ মাংসল, দেখতে ত্রিভুজাকৃতির।

    ৪৮. নদীর মহিষের পছন্দনীয় কাজ কি?

    • স্রোতযুক্ত পানিতে সাঁতার কাঁটতে বেশ পছন্দ করে।

    ৪৯. নদীর মহিষের দেহের গঠন কি রকম?

    • অপেক্ষাকৃত লম্বা ও বড় দেহ তবে বুকের বেষ্টনী ছোট।

    ৫০. নদীর মহিষের শরীরের রং কেমন?

    • সাধারণত কালো রংয়ের হয় তবে মাথা এবং পায়ের মাঝে মাঝে সাদা সাদা ছাপ আছে।

    ৫১. নদীর মহিষের শিং দেখতে কেমন?

    • গোলাকার তবে বিভিন্ন ধরণের বাঁকা ও লম্বা।

    ৫২. নদীর মহিষের ওলান দেখতে কেমন?

    • অনেকটা বড় এবং দুধালো জাতের পশুর মত।

    ৫৩. নদীর মহিষের দৈহিক ওজন এবং কাঁধের উচ্চতা কতটুকু?

    • নদীর মহিষের ওজন ৪৫০-৮০০ কেজি এবং কাঁধের উচ্চতা পুরুষ ও স্ত্রীর ক্ষেত্রে যথাক্রমে ১২০-১৫০ সে.মি. এবং ১১৫-১৩৫ সে.মি.।

     

    ৫৪. নদীর মহিষের বয়:সন্ধিক্ষণ ও গর্ভধারণ কাল কতদিন?

    • ষাঁড় দুই বছরে পাল দেওয়ার উপযোগী হয় এবং বকনা ৩৫ মাস বয়সে বাচ্চা দেয়।

     

    ৫৫. নদীর মহিষের ক্রোমোজোম সংখ্যা কত?

    • নদীর মহিষের ক্রোমোজোম সংখ্যা ৫০।

    ৫৬. জাফরাবাদী মহিষের উৎপত্তি ও বিস্তৃতি কোথায়?

    • ভারতের গিরবন এবং জাফরাবাদ শহরের চারপাশে জাফরাবাদী মহিষ বসবাস করে।

    ৫৭. জাফরাবাদী মহিষের বৈশিষ্ট্যসমূহ কি?

    • বৃহদাকৃতির দেহ, কপাল খুবই স্পষ্ট, প্রশস্ত মোটা শিং ঘাড়ের উভয় পাশে উঁচু হয়ে থাকে, ঘাড় মাংসল, গলগম্বল ও ওলান সুগঠিত, শরীর দীর্ঘ ও লম্বাটে এবং গায়ের রং কালো।

    ৫৮. জাফরাবাদী মহিষের উচ্চতা, দৈর্ঘ্ ও ওজন কি রকম?

    • পুরুষ ও স্ত্রী মহিষের উচ্চতা যথাক্রমে ১৪০ এবং ১৩০ সে.মি., দৈর্ঘ্ যথাক্রমে ১৬৭.৫ ও ১৬০ সে.মি. এবং ওজন যথাক্রমে ৫৯০ ও ৪৫০ কেজি।

    ৫৯. জাফরাবাদী মহিষ কতটুকু দুধ দেয় এবং কি কাজে লাগানো যায়?

    • স্ত্রী মহিষ প্রতিদিন ১৫-২০ লিটার দুধ দেয় যাতে চর্বির পরিমাণ অনেক বেশি থাকে; পুরুষ মহিষ চাষাবাদ ও গাড়ি টানার কাজে ব্যবহৃত হয়।

    ৬০. মুরাহ্ মহিষ অন্য আর কোন নামে পরিচিত?

    • দিল্লী মহিষ নামে পরিচিত।

    ৬১. মুরাহ্ মহিষের নাম মুরাহ্ রাখা হয়েছে কেন?

    • শিং কুঞ্চিত (মুরাহ্) ও কুণ্ডলীকৃত বলে মুরাহ্ নামকরণ করা হয়েছে।

    ৬২. মুরাহ্ মহিষের শরীরের বৈশিষ্ট্য কি?

    • শরীর জামকালো বর্ণের, কোন কোন সময় লেজের আগা, কপাল ও পায়ের নিচে সাদা ছাপ থাকে, মোটাসোটা, পেছনের অংশ বেশ চওড়া, দেহের তুলনায় মাথা ছোট তবে কপাল চওড়া; গাভীর গলা লম্বা ও চিকন, চ্যাপ্টা ছোট শিঙের প্রথমাংশ পিছনের দিকে গিয়ে পরে উপরে উঠে পাকিয়ে থাকে।

    ৬৩. মুরাহ্ মহিষের ওলান দেখতে কি রকম?

    • দেখতে সুন্দর, বড় আকৃতির, লম্বা বাঁট, পিছনের বাট লম্বা।

    ৬৪. মুরাহ্ মহিষের দুধ উৎপাদন কি পরিমাণ হতে পারে?

    • প্রথম বাচ্চা প্রসবের পর প্রায় দশ মাসে ১৪০০-২০০০ লিটার (গড়ে প্রতিদিন ২.২-২.৭ লি.) দুধ দেয়, দুধের চর্বি প্রায় ৭% যা ঘি ও মাখন তৈরির জন্য বেশ চাহিদাপূর্ণ।

    ৬৫. মুরাহ্ মহিষ কি কি কাজে লাগে?

    • পুরুষ মহিষ কৃষি কাজের জন্য উপযোগী, মহিষের জাত উন্নয়ণের ক্ষেত্রে কৃত্রিম প্রজননে ষাঁড় ব্যবহৃত হয়।

    ৬৬. নীলি-রাভী মহিষের উৎপত্তিস্থল ও বিস্তৃতি কোথায়?

    • পাকিস্থানের সুতলেজ নদীর তীরস্থ এলাকায় নীলি জাতের মহিষের অবস্থান। নদীর পানির বর্ণ নীল এবং নদীর পাড়ে বিচরণ করে বিধায় নীলি নাম দেয়া হয়েছে। পাকিস্থানের রাভী নদীর অববাহিকায় পাওয়া যায় বিধায় এ মহিষের নাম দেয়া হয়েছে রাভী।

    ৬৭. নীলি জাতের মহিষের আদি বাসস্থান কোথায়?

    • পাকিস্থানের মন্টেগোমারী ও মুলতান এবং পাঞ্জাবের ফিরোজপুর জেলায় নীলি জাতের মহিষের আদি বাসস্থান।

    ৬৮. নীলি-রাভী জাতের মহিষের প্রধান বৈশিষ্ট্য কি কি?

    • মাঝারী দেহের পিছনের অংশ মোটাসোটা, চোখ-কপাল-লেজ সাদা, লেজ বেশ লম্বা, মাথা বড় ও চওড়া, শিং ছোট, শিংয়ের মাঝখানে উপরে ফোলানো, মাথা-মুখের পশম মোটা, গলা লম্বা ও সরু, চওড়া গোলাকৃতি বুক, বলিষ্ট পা, পিঠ সোজা, গলকম্বল থাকে না, নাভীর ফাঁপা ছোট থাকে, গায়ের রং কালো, কপালে ক্ষুরে সাদা বর্ণ, সারা শরীরে সাদা ছাপ আছে।

    ৬৯. নীলি-রাভী মহিষের ওজন কত?

    • ষাঁড়ের ওজন ৬০০ কেজি এবং গাভীর ওজন ৪৫০ কেজি।

    ৭০. নীলি-রাভী মহিষ কি পরিমাণ দুধ দেয়?

    • প্রথম বাচ্চা প্রসবের পর প্রতিদিন ৯-১৮ লিটার হিসাবে মোট দুধ দানকালে ২৫০দিনে প্রায় ৩৬০০ লিটার দুধ দেয়।

    ৭১. নীলি-রাভী মহিষ কি কাজে ব্যবহৃত হয় এবং কোথায় পালন উপযোগী?

    • নিরীহ ও শান্তশিষ্ট বিধায় ডেইরী খামারে পালন করা যায় এবং কৃষি কাজের জন্য বেশ উপযোগী।

    ৭২. মেহসানা জাতের মহিষের উৎপত্তিস্থল কোথায়?

    • ভারতের গুজরাট রাজ্যের উত্তরে মেহসানা জেলা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকায় এ জাতের মহিষ বসবাস করে।

    ৭৩. মেহসানা জাতের উৎপত্তি হয়েছিল কিভাবে?

    • মুরাহ্ ও সুরতি জাতের মহিষের মাধ্যে সংকরায়ণের মাধ্যমে মেহসানা জাতের মহিষের উৎপত্তি হয়েছিল।

    ৭৪. মেহসানা জাতের মহিষ দেখতে কেমন?

    • মেহসানা জাতের মহিষের দেহের গড়ন মধ্যম, মুখ ও ঘাড় লম্বাটে, হালকা পা, চওড়া কপাল, কালো বর্ণ, মুখ, পা ও লেজের আগায় সাদা ছাপ আছে, উন্নত বাটে সমৃদ্ধ বেশ বড় ওলান, নাকের ছিদ্র বড়, গলকম্বল নেই. কাঁধ বেশ চওড়া এবং কাস্তে আকারের বাঁকা শিং।

    ৭৫. মেহসানা জাতের মহিষের ওজন কত?

    • ষাঁড় প্রায় ৫৪০ কেজি এবং গাভী-মহিষের ওজন ৩৬৫-৪৫৫ কেজি।

    ৭৬. মেহসানা জাতের মহিষ কত বয়সে বয়:সন্ধিক্ষণ প্রাপ্ত হয় এবং দুধ উৎপাদনের হার কেমন ?

    • তুলনামূলকভাবে অতি অল্প বয়সে মেহসানা জাতের মহিষ বাচ্চা দেয়, প্রতিবার বাচ্চা প্রসবের পর দৈনিক ২৬ লিটার হিসাবে প্রায় ২৬৭০ লিটার দুধ দেয় এবং দুধে চর্বির পরিমাণ ৬.৫%।

    ৭৭. নাগপুরী জাতের মহিষের উৎপত্তিস্থল কোথায় এবং এ জাতের মহিষের অপরাপর নাম কি কি?

    • নাগপুর জাতের মহিষ কোথাও কোথাও মারাথওয়াডা এবং বেরারি মহিষ নামে পরিচিত। মধ্য ভারতের নাগপুর অঞ্চলে এ জাতের মহিষের অবস্থান।

    ৭৮. নাগপুরী জাতের মহিষের বৈশিষ্ট্যসমুহ কি?

    • গায়ের রং কালো, মুখ পা ও লেজের আগায় সাদা ছাপ আছে, বক্ষ মোটা, মাথা ও ঘাড় লম্বা, বাট চিকন, শিং তলোয়ারের মতো পিঠে প্রায় ঠেকানো, পেট লম্বা, গাভীর পা হালকা ও লেজ ছোট এবং নাভীর ফ্লাপ থাকে না।

     

    ৭৯. নাগপুরী মহিষের ওজন কত কেজি হতে পারে?

    • ঘাঁড়ের ওজন প্রায় ৫২৫ কেজি এবং গাভীর ওজন প্রায় ৪২৫ কেজি।

     

    ৮০. নাগপুরী মহিষ কি প্রয়োজনে পালন করা হয় এবং কতটুকু দুধ দেয়?

    • কাজে কর্মে ধীরস্থির না-হলেও কৃষিকাজে ব্যবহার করা হয় যা ৩০০ দিনে প্রায় ১০০০ লিটার দুধ দেয়, দুধে চর্বির পরিমাণ ৫.৫-৭.0%।

     

    ৮১. সুরতি জাতের মহিষের পরিচয় কি?

    • সুরতি জাতের মহিষ দেশী বা নাডিয়াডি নামেও পরিচিত। ভারতের গুজরাট রাজ্যের কায়রু ও বড়োদা জেলায় এ জাতের মহিষ পাওয়া যায়।

    ৮২. সুরতি জাতের মহিষের জাতের বৈশিষ্ট্য কি কি?

    • গায়ের রং প্রধানত কালো ও তামাটে হয়, পশমের রং তামাটে ও ধূসর বর্ণের মিশ্রণ, গাভীর গলা চিকন, ষাঁড়ের গলা মোটা ও ভারী, লম্বা চওড়া মাথা, শিংয়ের মধ্যস্থল বেশ উঁচু ও উত্তলাকৃতির, শিং লম্বা কাস্তের মত চ্যাপ্টা, গলকম্বল-চুঁড়া থাকে না, সোজা চওড়া পিঠ, লেজ সরু লম্বা, লেজের পশম সাদা এবং ওলান বড় ও সুবিন্যস্ত।

    ৮৩. সুরতি মহিষের দুধ উৎপাদন ক্ষমতা কি পরিমাণ এবং কি জন্য পালন করা হয়?

    • সুরতি মহিষ শুধুমাত্র দুধ উৎপাদনের জন্য পালিত হয় যা দৈনিক ৬ লিটার হিসাবে প্রতি বিয়ানে ১৫৫০-১৬০০ লি. দুধ দেয় এবং দুধে চর্বির পরিমাণ প্রায় ৭.৫%।

    ৮৪. কুন্ডি জাতের মহিষের উৎপত্তি স্থল কোথায় এবং এদের বৈশিষ্ট্যসূমহ কি?

    • পাকিস্থানের সিন্ধু এলাকায় পাওয়া যায়। খাটো মুচরানো শিং, গায়ের রং গাঢ় কাল, শক্তিশালী খাটো পা, ওলান ও বাঁটের গঠন উন্নত।

    ৮৫. কুন্ডি জাতের মহিষ কখন বয়:সন্ধিক্ষণ প্রাপ্ত হয় এবং কি পরিমাণ দুধ দেয়?

    • চার-পাঁচ বৎসর বয়সে প্রথম বাচ্চা দেয় এবং প্রায় ১০ বৎসর দুধ দেয়।

    ৮৬. কুন্ডি মহিষের ওজন কত কেজি এবং কি পরিমাণ দুধ দেয়?

    • ওজন প্রায় ৬০০ কেজি, প্রতিদিন প্রায় ১০-১২ লিটার দুধ দেয়, কোন কাজের জন্য তেমন উপযোগী নয়।

    ৮৭. কুয়াকাম এবং কুয়াইটিউ জাতের মহিষ কোথায় পাওয়া যায়?

    • থাইল্যান্ডের উত্তরাঞ্চলে পাওয়া যায়।

    ৮৮. কুয়াকাম এবং কুয়াইটিউ মহিষের জাতের বৈশিষ্ট্য কি কি?

    • অপেক্ষাকৃত ছোট আকৃতির, চামড়া পুরু, রং কাল কিংবা হালকা ধূসর এবং ত্বক কাল, লোম থাকে, দেহ ও মুখ মুন্ডল লম্বা এবং প্রশস্ত ঘাড় পাতলা, স্ত্রী মহিষের গলা পাতলা ও হালকা, কাঁধের উচ্চতা ১৩০-১৪০ সে.মি.।

    ৮৯. কুয়াকাম এবং কুয়াইটিউ জাতের মহিষের দৈহিক ওজন কত কেজি?

    • পুরুষ মহিষ ৩৬০ কেজি এবং স্ত্রী মহিষ ৪৫০ কেজি।

    ৯০. কুয়াকাম মহিষের পছন্দনীয় বিষয় কি?

    • গাছের পাতা খেতে পছন্দ করে এবং কুয়াইটিউ অপেক্ষা গরম সহ্য করতে পারে।

    ৯১. কুয়াকাম মহিষ কি পরিমাণ দুধ দেয় এবং কি কাজে লাগে?

    • খুব কম পরিমাণ দুধ দেয় তবে মূলত কৃষি কাজে এবং মাল বহনের কাজে ব্যবহৃত হয়।

    ৯২. কুয়াইপারা মহিষের অধিবাস কোথায়, এদের বৈশিষ্ট্য কি এবংএরা কি পরিমাণ দুধ দেয়?

    • থাইল্যান্ডের মীসও এবং টাপ অঞ্চলে পাওয়া যায়। ছোট আকৃতির মহিষ, হাড্ডি চিকন, পা ছোট , অপ্রশস্ত কাঁধ, পূর্ণ বয়স্ক অবস্থায় ওজন ৩০০-৩৫০ কেজি, দুধ প্রদানের তথ্য জানা নেই।

    ৯৩. লাল রঙের মহিষ কোথায় পাওয়া যায়?

    • পৃথিবীতে লাল রঙের মহিষ আছে থাইল্যান্ডের দক্ষিণাঞ্চলে যাদের দেহ দীর্ঘ, লাল রঙের ঘন লোম দ্বারা আবৃত এবং দৈহিক ওজন প্রায় ৩৫০ কেজি।

    ৯৪. এশিয়াতে ম্যারিড নামের কোন মহিষ আছে কি এবং এ জাতীয় মহিষের বৈশিষ্ট্যসমূহ কি?

    • মায়ানমারে ম্যারিড নামের মহিষ পাওয়া যায়। এ জাতীয় মহিষের আকার ছোট, গায়ের পশম লম্বা ও গাঢ়, পায়ের দিক খাটো ও সোজা, স্ত্রী ও পুরুষ মহিষের ওজন যথাক্রমে ৩০০ ও ৩১৫ কেজি, দুধ উৎপাদনের তথ্য জানা নেই।

    ৯৫. বানিজ্যিক খামারে মহিষের খাদ্য খরচ কি রকম হতে পারে এবং খরচ কম হওয়ার কারণ কি?

    • মহিষের খাদ্য খরচ মোট উৎপাদন ও রক্ষনাবেক্ষণ খরচের প্রায় ৬০%। মহিষ রাস্তার ধারের খাবার খায় বিধায় খাদ্য খরচ অপেক্ষাকৃত কম।

    ৯৬. মহিষকে কি কি সামগ্রীর খাদ্য খাওয়ানো হয়?

    • সাধারণত রাস্তার ঘাস, ধানের খড়, আখের ডোগা, ছোবড়া, খৈল ও ভূট্টা খেয়ে জীবন ধারণ করে যার মধ্যে খাদ্যের পুষ্টি অনেক কম থাকে।

    ৯৭. মহিষকে কি কি কারণে খাদ্য দেয়া হয়?

    • দৈহিক বৃদ্ধি, দেহ-রক্ষণ ও ক্ষয়-পূরণ, তাপ সংরক্ষণ ও পেশীর কর্মশক্তি যোগান, দুধ উৎপাদন ও প্রজনন ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য।

    ৯৮. মহিষের খাদ্যকে কি কি ভাগে ভাগ করা যায়?

    • আঁশ-জাতীয় খাদ্য (তাজা ও শুষ্ক) দানাদার খাদ্য, সম্পূরক খাদ্য এবং অতিরিক্ত খাদ্য।

    ৯৯. আঁশ-জাতীয় খাদ্য কাকে বলে?

    • যেসব খাদ্যে ১৮%-এর বেশি আঁশ থাকে এবং ৬০% -এর কম পরিপাচ্য খাদ্যপুষ্টি থাকে তাকে আঁশ-জাতীয় খাদ্য বলে।

    ১০০. কী ধরণের আঁশ-জাতীয় খাদ্য মহিষকে খাওয়ানো হয়?

    • শুকনো এবং তাজা এ দু’ধরণের আঁশ-জাতীয় খাদ্য মহিষকে খাওয়ানো হয়্ ।
    ১০১. শুকনো আঁশ-জাতীয় খাদ্যের বৈশিষ্ট্য কি?
    • এ জাতীয় খাদ্যে ১০-১৫% পানি বিদ্যমান থাকে, খড়, শুকনো ঘাস, আখের শুকনো ডগা, ভূট্টার শুকনো গাছ ইত্যাদি শুকনো আঁশ-জাতীয় খাদ্যের আওতাভুক্ত।

    ১০২. তাজা আঁশ-জাতীয় খাদ্যের বৈশিষ্ট্য ও উদাহরণ কি কি?

    • তাজা আঁশ-জাতীয় খাদ্যে ৬০-৯০% পানি বিদ্যমান থাকে। সবুজ ঘাস, গাছের পাতা, গাছের মূল ইত্যাদি তাজা আঁশ-জাতীয় খাদ্যের উদাহরণ।

    ১০৩. মহিষ কোন-জাতীয় খাদ্য পছন্দ করে?

    • আঁশ-জাতীয় খাদ্য বিশেষভাবে পছন্দ করে।

    ১০৪. শুকনো আঁশ-জাতীয় খাদ্য কি এবং কোথায় পাওয়া যেতে পারে?

    • নেপিয়ার, পারা, জার্মান, জাম্বু, জোয়ার ইত্যাদি ঘাস মহিষের পছন্দনীয় খাদ্যসামগ্রী যেগুলো আবাদকৃত এবং চারণ-ভূমিতে পাওয়া যেতে পারে।

    ১০৫. উল্লিখিত এসব ঘাস ছাড়া আর কি কি তাজা ঘাস মহিষকে খাওয়ানো যেতে পারে?

    • শিম-জাতীয় আঁশযুক্ত খাদ্য হিসাবে মটর, খেসারী, মাষকলাই ইত্যাদি অনেক সময় মহিষকে খাওয়ানো হয়।

    ১০৬. দানাদার খাদ্য বলতে কোন কোন খাদ্যকে বুঝায়?

    • যেসব খাদ্যসামগ্রীতে ১৮%-এর কম আঁশ আছে এবং ৬০%-এর বেশি পরিপাচ্য খাদ্য পুষ্টি থাকে তাদেরকে দানাদার খাদ্য বলে।

    ১০৭. দানাদার খাদ্যের অন্যতম গুণাগুণ কি?

    • দানাদার খাদ্য আমিষ অথবা বিপাকীয় শক্তিতে অনেক ক্ষেত্রেই সমৃদ্ধ থাকে।

    ১০৮. আমিষ উপাদানের ভি্ত্তিতে দানাদার খাদ্যকে কত ভাগে ভাগ করা যায়?

    • স্বল্প আমিষযুক্ত(৫-১৫%, মধ্যম আমিষ-যুক্ত(২০-২৫%) এবং অধিক আমিষযুক্ত (৩৫%- এর বেশি)দানাদার খাদ্য।

    ১০৯. আমিষ-ভি্ত্তিক দানাদার খাদ্যের উদাহরণ কি কি?

    • স্বল্প আমিষযুক্ত: চাউলের কুঁড়া, গমের ভূষি, ভূট্টা, চাউল ইত্যাদি; মধ্যম আমিষযুক্ত: কলাই, বুট, খেসারিসহ খৈল-জাতীয় খাদ্য এবং অধিক আমিষযুক্ত: সয়াবিন বীজ, শুকনো মাছ ও শুকনো রক্তের গুঁড়া ইত্যাদি।

    ১১০. মহিষের সম্পূরক খাদ্য বলতে কোন খাদ্যকে বুঝায়?

    • সাধারণ খাদ্যে যথেষ্ট পরিমাণে পুষ্টি উপাদান না থাকলে বানিজ্যিকভাবে তৈরি যেসব খাদ্যে অতিরিক্ত পরিমাণে পুষ্টি উপাদান যথা খাদ্যপ্রাণ, খনিজ পদার্থ বা এমাইনো এসিড মিশানো হয় তাদেরকে সম্পূরক খাদ্য বলে।

    ১১১. জন্মের পর মহিষের বাচ্চাকে কি ধরণের খাবার খাওয়াতে হবে?

    • সদ্য-প্রসূত মহিষের পাকস্থলীর রূমেন নামক অংশটি অপরিপক্ক থাকে বিধায় এই সময় বাচ্চাকে শালদুধ, সাধারণ দুধ, টানা দুধ, বিকল্প দুধ এবং প্রাথমিক খাদ্য (কাফ ষ্টারটার) খাওয়াতে হয়।

    ১১২. বাচ্চা মহিষের পাকস্থলী স্বাভাবিক করার জন্য কি করা যেতে পারে?

    • পাকস্থলীর গঠন প্রক্রিয়া স্বাভাবিকভাবে ত্বরাণ্বিত হওয়ার জন্য কিছু কিছু উন্নতমানের ঘাস, শুকনা খড় খাওয়ানো যেতে পারে।

    ১১৩. এক দিন থেকে তিন মাস বয়স পর্যন্ত মহিষের বাচ্চাকে কি কি ধরণের খাবার খাওয়াতে হবে?

    • প্রথম তিন দিন ২.৫ লিটার শালদুধ, ৪র্থ দিন থেকে ৪র্থ সপ্তাহ পর্যন্ত শালদুধ, ৫ম সপ্তাহ থেকে ৯ম সপ্তাহ পর্যন্ত টানা দুধ(১ লিটার দিয়ে শুরু), দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে ১৩তম সপ্তাহ পর্যন্ত প্রাথমিক খাদ্য(৫০ গ্রাম দিয়ে শুরু) এবং উন্নতমানের ঘাস(২৫০ গ্রাম দিয়ে শুরু)।এক্ষেত্রে বিশদভাবে জানার জন্য বিঞ্জানীর বা পুস্তক-পুস্তিকার নির্দেশণা অনুসরণ করা যেতে পারে।

    ১১৪. মহিষের প্রাথমিক খাদ্য বলতে কোন-জাতীয় খাদ্যকে বুঝায়?

    • এক ধরণের দানাদার খাদ্য যা অল্প বয়সের মহিষের বাচ্চাকে খাওয়ানো হয়। বেশ কয়েকটি দানাদার খাদ্যসামগ্রীর মিশ্রণে তৈরী এ খাদ্যে ২০-২৩% পরিপাচ্য আমিষ এবং ৭০-৭৩% সামগ্রিক পরিপাচ্য খাদ্য পুষ্টি থাকে।

    ১১৫. মহিষের প্রাথমিক খাদ্যের নমুনা কি রকম হতে পারে?

    • ভাঙ্গাঁ-ভূট্টা ৫০%, খৈল ৩০%, ভূষি ৮%, গুঁড়া-মাছ বা দুধ ১০% এবং খনিজ পদার্থ ২%।

    ১১৬. মহিষকে খাওয়ানোর জন্য বিকল্প দুধ বলতে কোন দুধকে বুঝানো হয়?

    • টানা দুধের গুঁড়া ৫৫ গ্রাম, ছানার পানি ৪৫ গ্রাম, অরিওমাইসিন সাপ্লিমেন্ট ৪৫০ গ্রাম, ভিটামিন এ-১০০০০ আই.ইউ. এবং ভিটামিন-ই ৫০০ আই.ইউ.।

    ১১৭. বকনা মহিষের খাদ্য সরবরাহ করতে কি কি বিষয় বিবেচনা করতে হয়?

    • বকনা মহিষের দৈহিক ওজন, বয়স, দানাদার ও আঁশ-জাতীয় খাদ্যের উৎস, আমিষের পরিমাণ ও কর্মশক্তির পরিমাণ।

    ১১৮. মোটামুটি ১৫০ কেজি ওজনের একটি মহিষের জন্য (প্রতিদিন ৪৫০ গ্রাম দৈহিক ওজন বৃদ্ধির ক্ষেত্রে) কতটুকু খাদ্য লাগতে পারে?

    • শুকনো পদার্থ ৩ কেজি, পরিপাচ্য আমিষ ০.৩২ কেজি, সামগ্রিক পরিপাচ্য খাদ্য-পুষ্টি ২.৩ কেজি, বিপাকীয় কর্মশক্তি ৮.৪ মেগাক্যালরী, ক্যালসিয়াম ৮ গ্রাম এবং ফসফরাস ৬ গ্রাম।

    ১১৯. উল্লিখিত খাদ্য উপাদানসমূহের চাহিদা কিভাবে পূরণ করা যেতে পারে?

    • (ক) গমের খড়+দানাদার খাদ্য অথবা (খ) গমের খড়+সবুজ ঘাস+দানাদার খাদ্য অথবা (গ) সবুজ ঘাস+সামান্য দানাদার খাদ্য।

    ১২০. তিন থেকে ছয় মাস পর্যন্ত বয়সের বকনা মহিষের জন্য কি পরিমাণ খাবার দিতে হবে?

    • দশ থেকে বার কেজি সবুজ ঘাস, ভূট্টা অথবা সংরক্ষিত সবুজ ঘাসের সাথে ১.২-১.৫ কেজি দানাদার অথবা সবুজ ঘাস ১৩ কেজি+খড় ২ কেজি+দানাদার খাদ্য ১.৫-২ কেজি।

    ১২১. ৬-১২ মাস বয়সের মহিষের বকনাকে কি ধরণের এবং কি পরিমাণে খাদ্য দিতে হবে?

    • সবুজ ঘাস অথবা ভূট্টা ২০-২৫কেজি এবং ১.২৫ কেজি দানাদার খাদ্য অথবা সবুজ ঘাস ১৫ কেজি, খড়-৩ কেজি এবং দানাদার খাদ্য ২ কেজি।

    ১২২. তের মাস থেকে গর্ভধারণ পর্যন্ত বকনা মহিষকে কি পরিমাণ খাবার দিতে হবে?

    • সবুজ ঘাস/ভূট্টা ৩০-৩৫ কেজি এবং দানাদার খাদ্য ২ কেজি।

    ১২৩. দুগ্ধবতী মহিষের খাদ্য কি জন্য দেয়া হয় এবং খাদ্য কত প্রকারের হতে পারে?

    • শরীর রক্ষা এবং দুগ্ধ উৎপাদনের জন্য তিন প্রকার খাদ্য সরবরাহ করা হয় যথাঃ ১.সবুজ ঘাস ২. সবুজ ঘাসের সাথে গমের খড় অথবা ধানের খড় ৩. সবুজ ঘাসের সাথে গমের খড় অথবা ধানের খড় এবং দানাদার খাদ্য।

    ১২৪. পাঁচশত কেজি ওজনের দুগ্ধবতী মহিষ প্রতিদিন ১০ লিটার দুধ দেয় এবং দুধে ৭% চর্বি থাকলে এক্ষেত্রে কি পরিমাণ পুষ্টি সরবরাহ করতে হবে?

    • মোট ৬.৫ কেজি শুষ্ক পদার্থ, ০.৯৩ কেজি পরিপাচ্য আমিষ, সামগ্রীক পরিপাচ্য পুষ্টি ৮.৩ কেজি, ক্যালসিয়াম ৫৩ গ্রাম, ফসফরাস ৪১ গ্রাম এবং ২৮৬ মেগাক্যালরী বিপাকীয় শক্তি সরবরাহ করতে হবে।

    ১২৫. উল্লিখিত পরিমাণে পুষ্টি সরবরাহ করতে কি পরিমাণে খাদ্য সরবরাহ করতে হবে?

    • সবুজ ঘাস ৪০ কেজি, ধানের খড় ২ কেজি এবং দানাদার খাদ্য ২ কেজি।

    ১২৬. মহিষের ষাঁড়ের খাদ্য কি রকম হওয়া দরকার?

    • ষাঁড়কে শুধু শরীর রক্ষার্থে (সবল ও সক্রিয়তার জন্য) খাদ্য প্রদান করা প্রয়োজন এবং এ কারণে শুধু সবুজ ঘাস ও খড় পরিমিত মাত্রায় খাওয়ানো যেতে পারে।

    ১২৭. ছয়শত কেজি ওজনের মহিষ-ষাঁড়ের জন্য প্রতিদিন কি পরিমাণ খাবার সরবরাহ করতে হবে?

    • প্রতিদিন ৪০-৫০ কেজি সবুজ ঘাস এবং ২-৩ কেজি খড় অথবা ৫ কেজি কাঁচা ঘাস, ১০ কেজি খড় এবং ২ কেজি দানাদার খাদ্য সরবরাহ করতে হয়।

    ১২৮. মহিষকে ইউরিয়া খাওয়ানো যাবে কি?

    • খড় অথবা আঁশ-জাতীয় খাদ্যের সংগে মিশিয়ে অথবা দানাদার খাদ্যের সংগে মিশিয়ে গরু মোটাতাজাকরণের নিয়মে খা্ওয়ানো যেতে পারে।

    ১২৯. গরু ও মহিষের খাদ্য গ্রহণ ও হজম শক্তিতে পার্থক্য কতটুকু?

    • গরুর তুলনায় মহিষ ৭৩.১%-১১৬.৯% শুষ্ক পদার্থ খেতে পারে তবে দুগ্ধবতী মহিষ দুগ্ধবতী গাভীর তুলনায় ১৪% কম শুষ্ক পদার্থ খায়।

    ১৩০. মহিষ-বাছুরের পরিচর্যা কিভাবে করতে হয়?

    • গরুর বাছুর প্রসবের পর যেরকম পরিচর্যা করা হয় মহিষের বাছুর প্রসবের পর ঠিক একই রকম পরিচর্যা করতে হবে।

    ১৩১. মহিষের বাছুরের বাসস্থান কি রকম হ্ওয়া দরকার?

    • প্রতিটি মহিষের বাছুরের জন্য আলাদা ঘর থাকা ভাল, স্বাস্থ্য-রক্ষামূলক পরিষ্কার ব্যবস্থা গরুর বাছুরের প্রায় অনুরূপ।

    ১৩২. মহিষের প্রতিটি বাছুরের জন্য খোঁয়াড়ে কতটুকু জায়গার প্রয়োজন?

    • প্রসবের পর এক মাস পর্যন্ত (১.৫×১.০) বর্গমিটার আকারের খোঁয়াড়ে রাখা হয়। পরবর্তীতে এক মাসের বেশি বয়স হলে ১০, ১৫, ২০ অথবা অধিক সংখ্যক বাছুরকে একত্রে একই ঘরে রাখা যাবে।

    ১৩৩. গ্রাম্ এলাকায় মহিষের বাছুরকে কিভাবে কোথায় রাখা হয়?

    • প্রথমে ২-৩ সপ্তাহ পর্যন্ত গোয়াল ঘরের এক কোণায় প্রসূতি মহিষ থেকে সামান্য দুরে বেধে রাখা হয়।তারপর বাছুর ও প্রসূতি মহিষকে চাড়িতে একত্রে খাবার দেয়া হয়।

    ১৩৪. মহিষের বাছুরকে কিভাবে চিহ্নিত করা যায়?

    • গরুর বাছুরের ন্যায় মহিষের বাছুর চিহ্নিত করা যায়।

    ১৩৫. মহিষের বাছুরের শিং কিভাবে ছেদন করা হয়?

    • গরুর বাছুরের অনুরূপভাবে শিং ছেদন করা হয়।

    ১৩৬. মহিষকে খোঁজাকরণ করা হয় কিভাবে?

    • গরুর বাছুরের অনুরূপভাবে মহিষকে খোঁজাকরণ করা হয়।

    ১৩৭. মহিষের বাচ্চার রক্ষাণাবেক্ষণে ফার্মে কি কি তথ্য সংগ্রহ করা হয়?

    • জন্মগত সার্বিক ইতিহাস, খাদ্য তালিকা, স্বাস্থ্য ও জীবনিরাপত্তা এবং পরিচর্যা-সংক্রান্ত তথ্যাবলী লিপিবদ্ধ করা হয়।

    ১৩৮. অধিক বয়সে মহিষের বকনা বয়ঃসন্ধিক্ষণ প্রাপ্ত হয় এবং বাচ্চা প্রসব করে কেন?

    • যথাযথ পরিচর্যা করা হয় না বিধায় অধিক বয়সে বয়ঃসন্ধিক্ষণ প্রাপ্ত হয় এবং বাচ্চা প্রসব করে।

    ১৩৯. মহিষের বকনার ঘরের পরিচর্যা কি রকম হওয়া দরকার?

    • গরুর বকনার পরিচর্যার অনূরূপ হতে পারে।

    ১৪০. অ-গর্ভবতী বকনা মহিষের মেঝের পরিমাণ কতটুকু হতে পারে?

    • অ-গর্ভবতী বকনা মহিষের জন্য ৫-৬ বর্গমিটার ছাদবিহীন এলাকা, ১-১.৫ বর্গমিটার ছাদযুক্ত এলাকা এবং প্রতি মহিষের জন্য ৫০-৭৫ সে.মি. দৈর্ঘবিশিষ্ট চাড়ি প্রয়োজন।

    ১৪১. গর্ভবতী বকনা-মহিষের (৯ মাসের কম) মেঝের পরিমাণ কতটুকু হতে পারে?

    • মহিষ প্রতি ৮-১০ বর্গমিটার ছাদবিহীন স্থান, ৩-৪ ব.মি. ছাদযুক্ত স্থান, ৫০-৭৫ সে.মি. দৈর্ঘবিশিষ্ট চাড়ি প্রয়োজন।

    ১৪২. বাচ্চা প্রসবের কত দিন আগে গর্ভবতী মহিষকে আলাদা করতে হবে?

    • প্রায় এক সপ্তাহ আগে আলাদা করে প্রসূতি ঘরে রাখতে হবে।

    ১৪৩. গর্ভবতী মহিষের ঘর কত আয়তনের হতে হবে?

    • প্রসূতির ঘর কমপক্ষে ৯-১০ বর্গমিটার আয়তনের হওয়া উত্তম এবং ঘরের পরিবেশ স্বাস্থ্যসম্মত রাখতে হবে।

    ১৪৪. প্রসবের ৬-৮ সপ্তাহ আগে থেকেই কি ধরণের খাবার সরবরাহ করতে হবে?

    • মহিষকে পুষ্টিসহ দানাদার খাদ্য সরবরাহ করতে হবে, প্রসবের এক সপ্তাহ পূর্বে প্রসূতি মহিষকে প্রচুর কাঁচা ঘাস এবং পানি সরবরাহ করতে হবে।

    ১৪৫. প্রসবকালীন সময় আসন্ন হলে কি কি পরিচর্যা করা হয়?

    • গর্ভবতী গাভীর ক্ষেত্রে যে ধরণের পরিচর্যা করা হয় সে ধরণের পরিচর্যা করতে হবে।

    ১৪৬. দুধালো মহিষ থেকে বিশুদ্ধ দুধ পেতে হলে কি করতে হবে?

    • দুধালো গাভীর ক্ষেত্রে করণীয় অনুরূপ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

    ১৪৭. মহিষের খামারে এঁড়ে বাছুর কখন আলাদা করতে হবে?

    • প্রায় ছয় মাস বয়সের সময় বকনা থেকে এঁড়ে বাছুর আলাদা ঘরে রাখতে হবে এবং এঁড়ে বাছুরের ঘর খোলামেলা রাখতে হবে।

    ১৪৮. এঁড়ে বাছুরের ঘরের মেঝের পরিমাণ কতটুকু হতে হবে?

    • ছয় মাস থেকে বার মাস পর্যন্ত প্রতি বাছুরের জন্য ৪-৫ বর্গমিটার এবং ১২-২৪ মাস বয়স পর্যন্ত ৫-৬ বর্গমিটার বিশ্রামের স্থানের দরকার।

    ১৪৯. এঁড়ে বাছুরের ব্যায়ামের দরকার আছে কি?

    • এঁড়ে বাছুরকে ত্রিশ মিনিট থেকে এক ঘন্টা ব্যায়াম করানো দরকার।

    ১৫০. মহিষের খামারে বাছুরের মৃত্যুর কারণ কি কি এবং মৃত্যুর শতকরা হার কত?

    • নিমোনিয়া ৩৩.৮%, ডায়রিয়া ৩৫.৫%, নাভীর রোগ ২.১%, ক্ষুরা রোগ ২.১%, গলাফুলা রোগ ২.৭%, ব্লোট(পেট ফাঁপা)২.১% এবং এ্যাসকারিয়াসিস ২১.৭%।

    ১৫১. মহিষের সাধারণ পরিচর্যা বলতে কি কি করণীয়?

    • পানির প্রতি বিশেষ আকর্ষণ থাকায় কাঁদা-পানিতে ছেড়ে রাখতে হবে।

    ১৫২. মহিষ কাঁদা-পানিতে গড়াগড়ি করতে পছন্দ করে কেন?

    • মহিষের শরীরে ঘর্মগ্রন্থি তুলনামূলকভাবে খুবই কম তাই কাঁদামাটিতে গড়াগড়ি করে এরা শরীরের তাপমাত্রা সঠিক রাখতে পারে। মহিষের এই গড়াগড়ির অভ্যাসকে ইংরেজিতে ওয়ালোয়িং বলা হয়।

    ১৫৩. কাঁদা-মাটিতে সব এলাকার মহিষ কি গড়াগড়ি করতে পারে?

    • লবণাক্ত পানিতে মহিষ সাধারণত গড়াগড়ি দেয় না। তাই যেখানে নদী, খাল, ডোবা, পুকুর ইত্যাদি নেই সেখানে মহিষ সাধারণত দেখা যায় না।

    ১৫৪. যেখানে জলাশ্রয় নেই সেখানে মহিষের তাপমাত্রা কিভাবে সঠিক রাখা যায়?

    • ছায়াযুক্ত স্থানে পানির সাহায্যে সারা দিনে কম পক্ষে দু’বার মহিষের শরীরে পানি ছিটাতে হবে।

    ১৫৫. মহিষের অন্যান্য পরিচর্যা কি কি হতে পারে?

    • মহিষের বয়স নির্ধারণ, গা-ঘষাঘষি, পায়ে সু-নীল লাগানো, খাওয়ানোর অভ্যাস করানো, সকল বয়সের মহিষের যথাযথ স্বাস্থ্যসম্মত ব্যবস্থা গ্রহণ ও জীবনিরাপত্তার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

    ১৫৬. মহিষের মৃত্যুর সম্ভাবনা কি রকম?

    • গরুর তুলনায় মহিষের রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা কম তবে একবার রোগাক্রান্ত হলে মৃত্যুর সম্ভাবনা বেশি থাকে।

    ১৫৭. মহিষ কি কি রোগে আক্রান্ত হতে পারে?

    • গলাফুঁলা, বাদলারোগ, তড়কা, ব্রুসেলোসিস, ওলান প্রদাহ, গো-বসন্ত, ক্ষুরারোগ, এ্যাসকারিয়াসিস, ফ্যাসিওলিয়াসিস, কিটোসিস, দুধ জ্বর, অনুর্বরতা এবং পুষ্টিহীনতাজনিত রোগ দ্বারা মহিষ আক্রান্ত হতে পারে।

    ১৫৮. মহিষের গলাফোলা রোগের ধরণ ও ক্ষতির পরিমাণ কি রকম?

    • গলাফোলা এক ধরণের সংক্রামক রোগ, কম বয়সের মহিষ বেশি আক্রান্ত হয় এবং আক্রান্ত মহিষের প্রায় ৫০% মারা যায়।

    ১৫৯. কোন এলাকার মহিষ গলাফোলা রোগে বেশি আক্রান্ত হতে পারে?

    • জলাভূমি, নদী-খাল ঘেরা এলাকায় এবং সমুদ্রকূল এলাকায় এ রোগের প্রাদুর্ভাব বেশি দেখা যায়।

    ১৬০. বছরের কোন সময়ে গলাফোলা রোগের সংক্রমণ বেশি হয়?

    • মার্চ-মে মাসে সংক্রমণ বেশি হয়।

    ১৬১. গলাফোলা রোগে সদ্য আক্রান্ত মহিষের কি কি লক্ষণ দেখা দেয়?

    • ক্ষুধামন্দা, নাকে-শ্লেষ্মা, গলা ফুলে যায় এবং শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে যায়।

    ১৬২. গলাফোলা রোগের চিকিৎসা কি?

    • স্ট্রেপটোপেন ভেট ইনজেকশন (২.৫ গ্রাম ) অথবা এসপি-ভেট (২.৫ গ্রাম) প্রতি ১০০ কেজি দৈহিক ওজন হিসেবে মাংসে অথবা শিরার মধ্যে প্রয়োগ করা যেতে পারে।

    ১৬৩. বাদলা রোগে মহিষের কি কি লক্ষণ দেখা দেয়?

    • শরীরের তাপ অতি মাত্রায় বেড়ে যায়। মাংসপেশী ফুলে যায়, ক্ষুধামন্দা ইত্যাদি লক্ষণ দেখা দেয় এবং অনেক সময় মৃত্যু হার ৯০-৯৫% হতে পারে।

    ১৬৪. মহিষকে বাদলা রোগ থেকে রক্ষা করার উপায় কি?

    • কোন এলাকায় রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়ার আগেই টিকা প্রদান করতে হবে এবং আক্রান্ত মহিষকে এন্টিবায়োটিক দ্বারা চিকিৎসা করতে হবে।

    ১৬৫. বাদলা রোগের বিস্তার কিভাবে ঘটে?

    • জীবাণু দীর্ঘকাল মাটিতে থাকার পর বর্ষার সময় কাঁদা-পানির সাথে বিস্তার লাভ করে।

    ১৬৬. মহিষের তড়কা রোগ কখন দেখা দেয়?

    • তড়কা একটি সংক্রামক রোগ যার প্রকোপ গ্রীষ্মের শুরু থেকে সমগ্র বর্ষাকালে দেখা যায়। নিম্ন জলাভূমি থেকে নদী ও সমুদ্র উপকূলবর্তী এলাকায় এ রোগের প্রাদুর্ভাব বেশি ।

    ১৬৭. তড়কা রোগাক্রান্ত হলে মহিষের কি কি লক্ষণ দেখা দেয়, সর্বোচ্চ কি ক্ষতি হতে পারে?

    • অতিমাত্রায় শরীরের তাপ বাড়ে, মাংসে সংকোচন ও কম্পন হয়, হঠাৎ মাটিতে গড়াগড়ি দেয় এবং মৃত্যুর পর পায়ুপথ দিয়ে রক্ত বের হয়। মৃত্যুর হার শতকরা ১০০ ভাগ হয়।

    ১৬৮. তড়কা রোগ থেকে কিভাবে মহিষকে নিরাপদে রাখা যায়?

    • তড়কা রোগ দ্বারা মারাত্মকভাবে আক্রান্ত হলে কোন লক্ষণ প্রকাশের আগেই মহিষ মারা যাবে। আক্রান্ত মহিষ কয়েক ঘন্টার বেশি বাঁচে না। আক্রান্ত হওয়ার আগেই তড়কার টিকা অথবা এন্টি-এনথ্রাক্স সিরাপ প্রয়োগ করতে হবে।

    ১৬৯. মহিষের তড়কা রোগের চিকিৎসা আছে কি?

    • লক্ষণ বুঝতে পারলে প্রতি ১০০ কেজি দৈহিক ওজনের মহিষকে প্রোনাপেন ভেট-৪০ লক্ষ অথবা কমবিপেন ভেট-৪০ লক্ষ দেয়া যেতে পারে।

    ১৭০. কোন রোগের কারণে মহিষের গর্ভপাত হতে পারে?

    • ব্রুসেলাস এবরটাস নামক ব্যাক্টেরিয়া-ঘটিত সংক্রামক ব্রুসেলোসিস রোগ দ্বারা পৃথিবীর সব দেশের মহিষের গর্ভপাত ঘটতে পারে।

    ১৭১. ব্রুসেলোসিস রোগ দ্বারা মহিষের কি কি সমস্যা হতে পারে?

    • বাচ্চা প্রসবের জটিলতা এবং অনুর্বরতা এই রোগের প্রধান লক্ষণ। এ কারণে মহিষের খামার লাভজনক হতে সমস্যা হয়।

    ১৭২. ব্রুসেলোসিসের কারণে মহিষের গর্ভধারণের কোন সময়ে গর্ভপাত হতে পারে?

    • গর্ভকালের ৫-৭ মাসে সাধারনত একবারই গর্ভপাত হতে পারে।

    ১৭৩. গর্ভকালীন সময়ে গর্ভপাতের লক্ষণ কি কি হতে পারে?

    • গর্ভপাতের প্রাক্কালে ভালভা মুখে সামান্য শিথিলতা এবং ভালভা হতে লাল রঙের স্রাব বের হয় এবং গর্ভস্থ বাচ্চা জীবিতাবস্থায় প্রসব হলেও গর্ভপাতের পর মারা যায়।

    ১৭৩. ছয়শত কেজি ওজনের মহিষ-ষাঁড়ের জন্য প্রতিদিন কি পরিমাণ খাবার সরবরাহ করতে হবে?

    • প্রতিদিন ৪০-৫০ কেজি সবুজ ঘাস এবং ২-৩ কেজি খড় অথবা ৫ কেজি কাঁচা ঘাস, ১০ কেজি খড় এবং ২ কেজি দানাদার খাদ্য সরবরাহ করতে হয়।

    ১৭৪. গর্ভপাতের ফলে মহিষের বাচ্চা ধারণে কি সমস্যা হতে পারে?

    • অধিকাংশে স্ত্রী মহিষের ক্ষেত্রেই গর্ভপাতের কয়েক মাস থেকে কয়েক বৎসর পর্যন্ত অনুর্বরতা দেখা দেয়।

    ১৭৫. ব্রুসেলোসিস রোগে পুরুষ মহিষের শারীরিক কি ক্ষতি হয়?

    • পুরুষ মহিষের প্রজননহীনতা ও অনুর্বরতা ঘটে থাকে।

    ১৭৬. ব্রুসেলোসিস রোগের চিকিৎসা আছে কি?

    • বর্তমানে সাধারণত চিকিৎসা করা হয় না তবে সালফাডায়াজিন এবং অন্যান্য এন্টিবায়োটিক দ্বারা ব্রুসেলোসিস রোগের জীবাণু ধ্বংস করা যেতে পারে।

    ১৭৭. ব্রুসেলোসিস রোগের প্রতিরোধ কিভাবে করা যায়?

    • এগ্লুটিনেশন পরীক্ষার মাধ্যমে জীবাণু সনাক্তকরণ, অপসারণ, ধ্বংসকরণ এবং বাচ্চা অবস্থায় ব্রুসেলাস্টেইন টিকা প্রয়োগ করে অনেক দেশ থেকেই ব্রুসেলোসিস রোগ উচ্ছেদ করা সম্ভব হয়েছে।

    ১৭৮. ব্রুসেলোসিসে-আক্রান্ত মহিষ খামারে রাখা সুবিধাজনক হয় কি?

    • আক্রান্ত হওয়ার পর সুস্থ হলেও গর্ভধারণে অক্ষম মহিষকে খামারে না রাখাই ভালো।

    ১৭৯. মহিষের ওলান প্রদাহ কখন দেখা দেয়?

    • প্রসব পরবর্তীকালে দুগ্ধ-প্রদানকারী মহিষের ওলান প্রদাহ দেখা দেয়।

    ১৮০. ওলান প্রদাহে কি কি লক্ষণ দেখা দেয়?

    • স্তনগ্রন্থির স্ফীতি, উষ্ণতা, গাঢ় লোহিত বর্ণ ও ব্যথাসহ উল্লেখযোগ্য লক্ষণ দেখা দেয়। দোহন করার পর পর দুধে জমাট রক্ত ও পুঁজ দেখা যায়।

    ১৮১. ওলান প্রদাহে আর কি কি লক্ষণ দেখা যায়?

    • রোগের প্রথম অবস্থায় ওলানের তাপ বাড়ে এবং পরে তাপ কমে যায়, শরীর দূর্বল হয় ও বিমর্ষতা দেখা দেয়, নাড়ীর স্পন্দন বেড়ে যায়, ওলান জ্বলতে থাকে, লেজ, কান ও অন্যান্য অংগ প্রত্যঙ্গের শেষভাগে শীতলতা অনুভূত হয়।

    ১৮২. ওলান প্রদাহে মহিষের দুধ উৎপাদন সমস্যা হয় কি?

    • ওলানের মাংসগাঠনিক সমস্যা দেখা দেয় এবং দুধ উৎপাদন ব্যাহত বা বন্ধ হতে পারে।

    ১৮৩. ওলান প্রদাহে আক্রান্ত মহিষের চিকিৎসা কি হতে পারে?

    • রোগাক্রান্ত মহিষের আক্রান্ত বাঁট থেকে দুধ টেনে বের করতে হবে ও পরে এন্টিবায়োটিক জীবাণুনাশক ওষুধ বাটের ভিতর প্রয়োগ করতে হবে। ওলানের প্রদাহ বা ফোঁলা কমানোর জন্য বিশেষ কার্যকরী বরিক এসিড বা ম্যাগনেশিয়াম সালফেট গুলিয়ে গরম পানিতে ন্যাকড়া বা কাপড় ভিজিয়ে ওলানের আক্রান্ত স্থানে সেক দিতে হবে।

    ১৮৪. মহিষের গো-বসন্ত কি ধরণের রোগ এবং এ রোগের লক্ষণসমূহ কি?

    • মহিষের গো-বসন্ত হচ্ছে ভাইরাস দ্বারা সংক্রমিত সবচেয়ে মারাত্মক রোগ। এই রোগে আক্রান্ত মহিষ শতভাগ মারা যায় এবং রোগটি খুবই দ্রুত সমগ্র এলাকায় বিস্তার লাভ করতে পারে। শরীরের তাপমাত্রা বাড়ে, জাবরকাটা বন্ধ হয়ে যায়, খুবই পাতলা পিছকারীরমত দূর্গন্ধযুক্ত পায়খানা হয়, মুখে ফেনা বের হয় এবং পায়খানার সাথে শ্লেষ্মা বের হয়।

    ১৮৫. মহিষের গো-বসন্ত রোগের চিকিৎসা আছে কি?

    • কার্যকরী কোন চিকিৎসা ব্যবস্থা নেই যথা সময়ে টিকা প্রদানের মাধ্যমেই শুধুমাত্র মহিষের গো-বসন্ত রোগ দমন করা সম্ভব।

    ১৮৬. মহিষের গো-বসন্ত রোগের প্রতিরোধে মহিষকে কি ধরণের টিকা প্রদান করতে হবে?

    • ছয় মাস কিংবা আরো বেশি বয়সের মহিষকে ফ্রিজ-ড্রাই গো-বসন্ত টিকা প্রদান করলে ঐ মহিষ সারা জীবনে আর গো-বসন্ত রোগে আক্রান্ত হবে না।

    ১৮৭. মহিষের ক্ষুরা রোগ কোন জীবাণু দ্বারা সংক্রমিত হয়?

    • ফুট এন্ড মাউথ(ক্ষুরা রোগ)ভাইরাস এ ও এবং এশিয়া ওয়ান দ্বারা মহিষ আক্রান্ত হয়।

    ১৮৮. ক্ষুরা রোগে মহিষের কি কি ক্ষতি হয়?

    • বয়স্ক মহিষ মারা যায় না তবে রোগ মুক্তির পরে বেশ দূর্বল হয়ে পরে এবং কৃষি কাজে ব্যবহার করা যায় না।

    ১৮৯. ক্ষুরা রোগের লক্ষণসমূহ কি?

    • গরুতে যেসব লক্ষণ দেখা দেয় মহিষের ক্ষেত্রেও প্রায় একই রকম লক্ষণ দেখা দেয়। মহিষের বেলায় সাধারণত লক্ষনসমূহ হলো- শরীরের তাপমাত্রা বাড়ে, মুখে-পায়ে ঘা হয়, মুখ হতে লালা পড়ে, জিহ্বা ও মুখের মাঝখানে ক্ষত হয়, খাবার খেতে পারে না এবং মহিষ জাবর কাটতে পারে না।

    ১৯০. ক্ষুরা রোগের চিকিৎসা বা আক্রান্ত মহিষের পরিচর্যা কিভাবে করা উচিৎ?

    • আক্রান্ত স্থানে জীবাণুনাশক ঔষধ যথা ৩-৫% ফিটকারী অথবা 0.৫% পটাশিয়াম-পারম্যাংগানেট দ্বারা ধুয়ে দিতে হবে, এতে মহিষ আরোগ্য লাভ করতে পারে, আরোগ্য লাভের পর পর্যাপ্ত পরিমাণে সুষম খাদ্য প্রদান করতে হবে।

    ১৯১. ক্ষুরা রোগের প্রাদুর্ভাব কিভাবে বন্ধ করা যায়?

    • যে এলাকায় প্রাদুর্ভাবের সম্ভাবনা থাকে সে এলাকায় মহিষকে ক্ষুরা রোগের টিকা প্রদান করে এ রোগ নিয়ন্ত্রণ করা যায়। কঠোর জীবনিরাপত্তা ব্যবস্থা হিসেবে রোগাক্রান্ত কোন পশুকেই ক্ষুরা-রোগমুক্ত এলাকায় প্রবেশ করতে দেয়া যাবে না।

    ১৯২. মহিষের এসক্যারিয়াসিস বলতে কি বুঝায়?

    • নিয়োএসকারিস ভাইটুলোরাম নামক পরজীবি দ্বারা ঘটিত একটি রোগের নাম। ইহা মহিষের বাছুরের একটি মারাত্মক রোগ। এ রোগে বাছুরের মৃত্যুর হার ৬০-৮০%।

    ১৯৩.এসক্যারিয়াসিস রোগে মহিষের বাছুর আক্রান্ত হয় কখন?

    • জন্মগ্রহণের পূর্বে মাতৃগর্ভে অথবা প্রসব পরবর্তীকালে দুধ পান করার সময় মা থেকে বাছুরে এই রোগ সংক্রমিত হয়। সাধারণত সেপ্টেম্বর থেকে অক্টোবর এ দুই মাসে রোগের প্রাদুর্ভাব বেশি।

    ১৯৪. এসক্যারিয়াসিস রোগের লক্ষণ কি কি?

    • পাতলা পায়খানা ও চোখ লাল হয়ে যাওয়া এ রোগের সাধারণ লক্ষণ, শরীরের তাপমাত্রা কমে যায়, খসখসে চামড়া, লোম ঝরে পড়ে, গলার পেছনের দিক বেঁকে যায়, পা ছড়িয়ে পড়ে এবং উগ্র স্বরে চিৎকার করতে থাকে, আস্তে আস্তে অবসন্ন হয়ে মারা যায়।

    ১৯৫. এসক্যারিয়াসিস রোগ থেকে মহিষকে কিভাবে রক্ষা করা যায়?

    • মহিষের বাছুরের বয়স ১৫ দিন, ৩০ দিন এবং ৯০ দিন হলে পাইপারভেট পাউডার অথবা ইউভিলন প্রতি কেজি দৈহিক ওজনের জন্য ২০০ মিলিগ্রাম হিসাবে অথবা রেলনেক্স ৬০০ মিলিগ্রাম (৭.৫ মিলিগ্রাম প্রতি কেজি দৈহিক ওজনের জন্য) প্রয়োগে এসক্যারিয়াসিস থেকে মহিষকে রক্ষা করা যেতে পারে।

    ১৯৬. মহিষের ফ্যাসিওলিয়াসিস বলতে কোন রোগকে বুঝায় এবং এ রোগের সৃষ্টি বা বিস্তার কিভাবে ঘটতে পারে?

    • ফ্যাসিওলা জাইগানটিকা নামক কৃমি দ্বারা এ রোগ হয়। অল্প বয়স্ক মহিষের ক্ষেত্রে এই রোগের তীব্রতা খুব বেশি।এই কৃমির মাধ্যমিক ধারক শামুকের মেটাসার কেরিয়াম এবং ঘাস খড়ের সাথে মিশে বর্ষার সময়ে এ রোগ বিস্তার লাভ করে। মহিষের যকৃতে অধিক সংখ্যক সারকেরিয়া প্রবেশ করলে একিউট হেপাটাইটিস এবং রক্তক্ষরণের ফলে এই রোগ হয়।

    ১৯৭. ফ্যাসিওলিয়াসিস রোগের লক্ষণসমূহ কি?

    • এ রোগের কারণে হঠাৎ করে বিশেষ করে রাতের বেলায় কিছু মহিষ মারা যায়। ক্ষুধামন্দা, নিস্তেজভাব, সামান্য তাপমাত্রা বাড়তি, পেটে ব্যথা এবং রক্তশূণ্যতা এ রোগের লক্ষণ হিসাবে দেখা দেয়।

    ১৯৮. মহিষের ফ্যাসিওলিয়াসিস রোগের চিকিৎসা কি হতে পারে?

    • নাভাডেক্স বা এনডেক্স ট্যাবলেট বড় মহিষকে ৪-৮টি একবারে খালি পেটে খাওয়ালে এ রোগ প্রতিরোধ করা যাবে। সহায়ক চিকিৎসা হিসেবে বি-১২ এবং বি-কমপ্লেক্স ইনজেকশন দেয়া যেতে পারে।

    ১৯৯. মহিষের ফ্যাসিওলিয়াসিস রোগের প্রতিরোধে কি করতে হবে?

    • বর্ষাকালে প্রতি মাসে কমপক্ষে ১ বার করে প্রত্যেক পশুকে কৃমিনাশক খাওয়াতে হবে। সন্দেহযুক্ত পরিবেশের ঘাস খাওয়ানো যাবে না। ঘাস তীব্র রোদে ভালোভাবে শুকিয়ে খাওয়াতে হবে। মাঠের শামুক মারার ব্যবস্থা করতে হবে। ১০০,০০০ ভাগ পানির সাথে ১ ভাগ তুঁতে মিশিয়ে মাঠে ছিটালে শামুক মারা যাবে। মাঠের গোবর এক জায়গায় স্তুপাকারে রাখতে হবে।

    ২০০. মহিষের কিটোসিস রোগ বলতে কি ধরণের রোগ বুঝায়?

    • যে রোগ খাদ্যে কার্বোইড্রেট বা শর্করার গ্রহণ প্রণালীতে অসুবিধার কারণে দেখা দেয় তাকে কিটোসিস বলে।

    ২০১. কিটোসিস রোগের লক্ষণসমূহ কি?

    • প্রাথমিকভাবে ক্ষুধামন্দা, জাবর না-কাটা, আস্তে আস্তে ওজন কমে যায়, পেটের অসুখ দেখা দিতে পারে এবং প্রস্রাব পায়খানায় এ্যামিটনের গন্ধ পাওয়া যায়।

    ২০২. কিটোসিস দেখা দিলে কি চিকিৎসা করতে হবে?

    • সাধারণভাবে ৫% ডেক্সট্রোজ স্যালাইন, ক্যালসিয়াম ও কটিকোস্রেরোইড-জাতীয় ঔষধ খাওয়ালে মহিষ তাড়াতাড়ি ভালো হয়ে যাবে। প্রতিরোধ হিসাবে প্রচুর পরিমাণে কার্বোহাইড্রেট খাবার সরবরাহ করতে হবে।

    ২০৩. মহিষের মিল্ক-ফিডার বা দুধজ্বর বলতে কোন রোগকে বুঝায়?

    • সাধারণত খনিজ ক্যালসিয়ামের অভাবে মহিষের এ রোগ হয়ে থাকে।

    ২০৪. মহিষের মিল্ক-ফিডার রোগের লক্ষণসমুহ কি?

    • ক্ষুধামন্দা, জাবর না-কাটা, নাক মুখে লালা পড়া, শরীরের তাপমাত্রা বাড়া এবং পেটের দিকে ঘাড় রাখা এ রোগের সাধারণ লক্ষণ।

    ২০৫. মহিষের মিল্ক-ফিডার রোগ হলে কী চিকিৎসা হতে পারে?

    • গলার জগুলার শিরার মধ্যে দিয়ে ক্যালডিম্যাক বা মাইফিনিলভেট ইনজেকশন দিতে হবে, খাদ্যে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম দিতে হবে।সাধারণ খাবারের সাথে খনিজযুক্ত খাবারও দিতে হবে।

    ২০৬. মহিষের অনুর্বরতা বলতে কি বুঝায়?

    • যে মহিষকে পাল দেয়ার পর গর্ভধারণ করে না অথবা স্বাভাবিকভাবে যথা সময়ে গরম হয় না তখন তাকে অনুর্বর মহিষ বলা হয় এবং বাচ্চা না-দেয়ার অনুর্বরতা বলা হয়।

    ২০৭. উর্বর মহিষের বৈশিষ্ট্যসমূহ কি?

    • দুই থেকে তিন বৎসর বয়সে মহিষ বয়ঃসন্ধিপ্রাপ্ত হয় এবং কামোত্তেজনা দেখা দেয়। গর্ভসঞ্চার না হলে তিন সপ্তাহের মধ্যে পুণরায় গরম হয়, গর্ভধারণের ক্ষেত্রে দুইবারের অধিক পাল দেয়ার বা কৃত্রিম প্রজননের প্রয়োজন হয় না, ১৫-১৬ মাস পরপর বাচ্চা দেয়, স্বাভাবিক বাচ্চা প্রসবের পর ৬০ দিনের মধ্যে আবার গরম হবে এবং ৯০ দিনের মধ্যে গর্ভধারণ করবে, গর্ভসঞ্চার হার ৮০% এবং বাচ্চা দেয়ার হার ৭৫% এর কম হবে না এবং স্বাভাবিকভাবে বাচ্চা প্রসব করবে।

    ২০৮. অনুর্বর মহিষের বৈশিষ্ট্যসমূহ কি?

    • অনুর্বর স্ত্রী-মহিষ দুইবার পাল দেয়ার পরেও গর্ভধারণ করে না, প্রথম গরম হওয়ার ১০ দিন কমে অথবা ২৮ দিনের ব্যবধানে গরম হয়, মোটেই গরম হয় না অথবা সর্বদাই গরম থাকে।

    ২০৯. স্ত্রী-মহিষ উর্বর কি অনুর্বর তা বুঝতে সমস্যা হলে কি করতে হবে?

    • অভিঞ্জ পশু-ডাক্তারের শরণাপন্ন হওয়া ভাল।

    ২১০. স্ত্রী-মহিষের অনুর্বরতার কারণসমূহ কি হতে পারে?

    • পুষ্টিগত, বংশগত, ব্যবস্থাপনাগত, হরমোনের গোলযোগগত এবং অনুর্বরতার ব্যাধিগত কারণে স্ত্রী-মহিষ অনুর্বর হতে পারে।

    ২১১. স্ত্রী-মহিষের অনুর্বতার ব্যাধিসমূহের নাম কি?

    • ব্রুসেলোসিস, ভিবরিওসিস, ট্রাইকোমোনিয়েসিস, ম্যাসট্রাইটিস, সালপিনজাইটিস, সার্ভিসাইটিস ইত্যাদি ব্যাধির কারণে স্ত্রী-মহিষ অনুর্বর হতে পারে।

    ২১২. উল্লিখিত রোগসমূহ প্রতিরোধের জন্য কি কি ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে?

    • সুনির্দিষ্ট ও কার্যকরী সরকারী প্রশাসনিক কাঠামো তৈরি, মহিষের শুমারী করা, রোগ চিহ্নিত করে চিকিৎসাকরণ, টিকা ও সিরাম প্রদান, রোগ-প্রতিরোধক আইন প্রনয়ণ, সঠিক পরিচর্যা, বাসস্থান ও সুষম খাদ্যের নিশ্চয়তা বিধান, রোগ-ব্যাধি সম্পর্কে যথোপযুক্ত গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা, শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও প্রচার মাধ্যমে জনসাধারণকে রোগব্যাধি সম্পর্কে সচেতনকরণ।

    ২১৩. মহিষের সংক্রামক রোগ দেখা দিলে কি করতে হবে?

    • রোগ ধরা পড়লে উক্ত এলাকায় জনসাধারণ ও সকল পশুর চলাচলের উপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করতে হবে, বহিরাগত পশুপাখির গমনাগমন নিষিদ্ধ করতে হবে, রোগজীবাণুর মূল উৎস সনাক্ত করে মৃত পশুপাখির দেহ ভালোভাবে মাটিতে পুঁতে ফেলতে হবে, রোগের বিস্তারিত অনুসন্ধান চালাতে হবে, জীবাণু ধ্বংসের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে এবং সংক্রামক রোগ নিবারণের ধারণা জনগণকে দিতে হবে।
  • ব্যাসিক সূত্র আর কিছু শর্টকাট মেথড জানলেই যে কেউই ম্যাথস এ খুব সহজেই ১০ নম্বর তুলতে পারবে। আজ থাকছে ম্যাথস এর শর্টকাট টেকনিকস।

    গণিত আসলে পানির মত সোজা, বিশ্বাস না হলে দেখুন প্রতিটি অধ্যায়ের শর্টকাট টেকনিকগুলো।

    মৌলিক সংখ্যা নির্ণয়ঃ

    ১-১০০ পর্যন্ত মৌলিক
    সংখ্যা ২৫ টি।
    কিভাবে মনে রাখবেন? Just
    remember
    as a phone number or your account
    number:
    44 22 322 321

    (৪) ১-১০ পর্যন্ত ৪ টি যথাঃ ২, ৩,
    ৫,৭
    (৪) ১১-২০ পর্যন্ত ৪ টি যথাঃ ১১,
    ১৩, ১৭,
    ১৯
    (২) ২১-৩০ পর্যন্ত ২ টি যথাঃ ২৩,
    ২৯
    (২) ৩১-৪০ পর্যন্ত ২ টি যথাঃ ৩১,
    ৩৭
    (৩) ৪১-৫০ পর্যন্ত ৩ টি যথাঃ ৪১,
    ৪৩, ৪৭
    (২) ৫১-৬০ পর্যন্ত ২ টি যথাঃ ৫৩,
    ৫৯

    (২) ৬১-৭০ পর্যন্ত ২ টি যথাঃ ৬১,
    ৬৭
    (৩) ৭১-৮০ পর্যন্ত ৩ টি যথাঃ ৭১,
    ৭৩, ৭৯
    (২) ৮১-৯০ পর্যন্ত ২ টি যথাঃ ৮৩,
    ৮৯
    (১) ৯১-১০০ পর্যন্ত ১ টি যথাঃ ৯৭
    মোট ২৫ টি।

    11 থেকে 99 পর্যন্ত বর্গ করার কৌশল
    [] সূত্র:- (xy)^2=abc [যেখানে;b,cএকটি
    করে সংখ্যা & a এক বা একাধিক সংখ্যা হতে পারে] এবং
    a=x^2
    b=2xy
    c=y^2
    এবার 11 &25 বর্গ করি৷
    (11)^2=(1^2)(2.1.1)(1^2)
    =(1)(2)(1)
    =121

    আবার
    (25)^2=(2^2)(2.2.5)(5^2)
    =(4)(20)(25)
    =(4)(20+2)5
    =(4)(22)5
    =(4+2)25
    =625

    টপিকস : লাভ -ক্ষতি

    আইটেম -১

    একটি দ্রব্য নির্দিষ্ট % লাভে/ক্ষতিতে বিক্রয় করা হয়। বিক্রয় মূল্য ….. টাকা বেশি হলে % লাভে/ক্ষতি হয় ।ক্রয়মূল্য নির্ণয় করতে হবে।

    উদা: একটি মোবাইল ১০ % ক্ষতিতে বিক্রয় করা হয়। বিক্রয় মূল্য ৪৫ টাকা বেশি হলে ৫% লাভে হত ।ক্রয়মূল্য নির্ণয় করতে হবে।

    টেকনিক :
    ক্রয়মূল্য ={১০০xযত বেশি থাকবে}/ উল্লেখিত শতকরা হারদুটির যোগফল)

    অঙ্কটির সমাধান:
    ক্রয়মূল্য ={১০০x৪৫}/ {১০+৫)
    =৪৫০০/১৫
    =৩০০ (উত্তর)

    নিজে নিজে করুন

    ১। একটি কলম ১০ % ক্ষতিতে বিক্রয় করা হয়। বিক্রয় মূল্য ৩০ টাকা বেশি হলে ৫% লাভে হত ।ক্রয়মূল্য নির্ণয় করতে হবে। (২০০)

    ২। একটি কম্পিউটার২০ % ক্ষতিতে বিক্রয় করা হয়। বিক্রয় মূল্য ১৫০০ টাকা বেশি হলে ৫% লাভে হত ।ক্রয়মূল্য নির্ণয় করতে হবে।(৬০০০)

    আইটেম :-২

    -কোন দ্রব্যের মূল্য নির্দিষ্ট ৫% কমে যাওয়ায় দ্রব্যটি ৬০০০ টাকা পূর্ব অপেক্ষা ১ কুইন্টাল বেশি পাওয়া যায়। ১ কুইন্টাল এর বর্তমান মূল্য কত?

    টেকনিক :

    বর্তমান মূল্য: শতকরা হার/১০০) x{যে টাকা দেওয়া থাকবে/ কম-বেশি সংখ্যার পরিমাণ}x যত পরিমাণের মূল্য বাহির করতে বলা হবে।

    উদাহরণটির সমাধান:
    বর্তমান মূল্য = (৫/১০০)x(৬০০০/১)x১
    =৭২০ টাকা । (উত্তর)

    নিজে করুন:

    ৩। কোন দ্রব্যের মূল্য নির্দিষ্ট ৩০% কমে যাওয়ায় দ্রব্যটি ৬০০০ টাকায় পূর্ব অপেক্ষা ৬ কুইন্টাল বেশি পাওয়া যায়। ১ ০কুইন্টাল এর বর্তমান মূল্য কত? (উত্তর: ৩০০০০টাকা)

    ৪। কলার মূল্য নির্দিষ্ট ২৫% কমে যাওয়ায় দ্রব্যটি ১০০ টাকায় পূর্ব অপেক্ষা ২৫ টি বেশি পাওয়া যায়। ৩ হালি কলার বর্তমান মূল্য কত?( উত্তর:১২)

    অঙ্কের ধরণ:
    টাকায় নির্দিষ্ট দরে নির্দিষ্ট পরিমাণ দ্রব্য কিনে সেই টাকায় নিদিষ্ট কম-বেশি দরে বিক্রি করায় শতকরা লাভ -ক্ষতির হার নির্ণয় করতে হবে ।

    টেকনিক:
    লাভ/ক্ষতি = ১০০/ বিক্রির সংখ্যা

    উদা: টাকায় ৩টি করে লেবু কিনে ২টি করে বিক্রি করলে শতকরা লাভ কত?(২৬তম বিসিএস)
    টেকনিক:
    লাভ= ১০০/ বিক্রির সংখ্যা
    =১০০/২
    =৫০% (উত্তর)

    নিজে করুন:

    ১। টাকায় ৫টি করে লেবু কিনে ৪টি করে বিক্রি করলে শতকরা লাভ কত?
    ২। টাকায় ২১টি করে লেবু কিনে ২০টি করে বিক্রি করলে শতকরা লাভ কত?
    ৩।টাকায় ৯টি করে লেবু কিনে ১০টি করে বিক্রি করলে শতকরা ক্ষতি কত?
    ৪।টাকায় ৪৯টি করে লেবু কিনে ৫০টি করে বিক্রি করলে শতকরা লাভ কত?

    টেকনিকঃ
    দ্রব্যমূল্যের শতকরা হার হ্রাস পাওয়ায়–
    # দ্রব্যের_বর্তমান_মূল্য = (হ্রাসকৃত মূল্যেহার X মোট মূল্য)÷(১০০ + যে পরিমাণ পণ্য বেশি হয়েছে)
    # উদাহরণঃচালের মূল্য ১২% কমে যাওয়ায় ৬,০০০ টাকায়
    পূর্বাপেক্ষা ১ কুইন্টাল চাল বেশি পাওয়া যায়। ১ কুইন্টাল চালের দাম কত?
    # সমাধানঃদ্রব্যের বর্তমান মূল্য = (১২ X ৬০০০)÷(১০০ X ১)
    = ৭২০ টাকা(উঃ)

    # টেকনিকঃ
    মূল্য বা ব্যবহার হ্রাস-বৃদ্ধির ক্ষেত্রে–
    # হ্রাসের_হার =(বৃদ্ধির হার X হ্রাসের হার)÷১০০
    # উদাহরণঃচিনির মূল্য ২০% কমলো কিন্তু চিনির ব্যবহার ২০%বেড়ে গেল এতে চিনি বাবদ ব্যয় শতকরা কত বাড়বে বা কমবে?
    # সমাধানঃহ্রাসের হার = (২০ X ২০)÷১০০
    = ৪%(উঃ)

    টেকনিকঃ

    পূর্ব মূল্য এবং বর্তমান মূল্য অনুপাতে দেওয়া থাকলে
    মূল্যের শতকরা হ্রাস বের করতে হলে –
    # শতকরা_মূল্য_হ্রাস
    =(অনুপাতের বিয়োগফল X (১০০÷অনুপাতের প্রথম সংখ্যা)
    # উদাহরণঃমাসুদের আয় ও ব্যয় এর অনুপাত ২০:১৫ হলে তার মাসিক সঞ্চয় আয়ের শতকরা কত ভাগ?
    # সমাধানঃশতকরা মূল্য হার = (২০-১৫) X (১০০÷২০)= ২৫%(উঃ)
    টাইপ ১ঃ (যদি দাম বাড়ে)

    চালের দাম যদি ৪০% বেড়ে যায় তবে চালের ব্যাবহার শতকরা কত কমালে চালের ব্যয় অপরিবর্তিত থাকবে?

    টেকনিকঃ
    কমানো % = (100 × r) / (100 + r) (দাম বাড়লে ফর্মুলায় প্লাস ব্যাবহার হয়েছে)
    এখানে r = 40%
    Answer = (100 × 40)/(100 + 40) = 28.57%

    টাইপ ২ঃ (যদি দাম কমে)
    চালের দাম যদি ৪০% কমে যায় তবে চালের ব্যাবহার শতকরা কত বাড়ালে চালের ব্যয় অপরিবর্তিত থাকবে?

    টেকনিকঃ
    বাড়ানো % = (100 × r)/(100- r) (দাম কমলে ফর্মুলায় মাইনাস ব্যাবহার হয়েছে)
    এখানে r = 40%
    Answer = (100 × 40)/(100- 40) = 66.66%
    টাইপ ৩ঃ (যদি r এর মান ২০% দেয়া থাকে তবে বাড়ুক কমুক যে টাইপ সমস্যাই দেয়া হোক না কেন চোখ বন্ধ করে উত্তর হবে ২৫%, আর ২৫% দেয়া থাকলে উত্তর হবে ২০% )

    Example 1: চালের দাম যদি 25% বেড়ে যায় তবে চালের ব্যাবহার শতকরা কত কমালে চালের ব্যয় অপরিবর্তিত থাকবে?
    উত্তরঃ 20%

    যদি ২৫% কমে দেওয়া থাকে তাহলে উত্তর হবে ৩৩.৩৩%
    Example 2: চালের দাম যদি 20% বেড়ে যায় তবে চালের ব্যাবহার শতকরা কত কমালে চালের ব্যয় অপরিবর্তিত থাকবে?
    উত্তরঃ 25%

    ৩। সুদ কষা

    ১। শতকরা বার্ষিক কত হার সুদে কোন মুলধন ২৫ বছরে ৩গুন হবে?
    ২। শতকরা ২০টাকা হারে সুদে কোন মুলধন কত বছরে আসলের দ্বিগুন হবে?

    টেকনিক:
    যতগুন থাকবে তার থেকে ১ বিয়োগ করে ১০০ দিয়ে গুন করে তাকে তাকে প্রদত্ত হার দিয়ে ভাগ করলে সময় বের হবে । আর যদি প্রদত্ত বছর দিয়ে ভাগ করা হয় তাহলে হার বের হবে।
    অর্থাত্ সূত্রটি
    rxt =(n-1)x100. ( এখানে r= শতকরা হার ,t = সময় )

    এখন ১নং অঙ্কটি করি
    দেওয়া আছে t=২৫, n =৩ ; r=?
    r= {(n-1)x100}/t
    ={(৩-১)x১০০}২৫
    ={২x১০০}২৫
    =২০০/২৫
    =৮ % (উত্তর)

    ———-
    ২নং অঙ্কটি করি
    দেওয়া আছে t=?, n =২ ; r=২০
    t= {(n-1)x100}/r
    ={(২-১)x১০০}/২০
    =১০০/২০
    =৫ বছর

    নিজে করুন :

    ১। শতকরা বার্ষিক কত হার সুদে কোন মুলধন ১০বছরে ৩গুন হবে?
    ২।শতকরা বার্ষিক কত হার সুদে কোন মুলধন ৫ বছরে ২গুন হবে?
    ৩। শতকরা ১০টাকা হারে সুদে কোন মুলধন কত বছরে আসলের ৩গুন হবে?
    ৪।শতকরা ১৫টাকা হারে সুদে কোন মুলধন কত বছরে আসলের ৪গুন হবে?

    সূত্রঃ ১

    যখন মুলধন, সময় এবং সুদের হার সংক্রান্ত মান দেওয়া থাকবে তখন
    সুদ / মুনাফা = (মুলধন x সময় x সুদের হার) / ১০০
    প্রশ্নঃ ৯.৫% হারে সরল সুদে ৬০০ টাকার ২ বছরের সুদ কত?
    সমাধানঃ
    সুদ / মুনাফা = (৬০০ x ২ x ৯.৫) / ১০০
    = ১১৪ টাকা

    সূত্রঃ ২

    যখন সুদ, মুলধন এবং সুদের হার দেওয়া থাকে তখন –
    সময় = (সুদ x ১০০) / (মুলধন x সুদের হার)
    প্রশ্নঃ ৫% হারে কত সময়ে ৫০০ টাকার মুনাফা ১০০ টাকা হবে?
    সমাধানঃ
    সময় = (১০০ x ১০০) / (৫০০ x ৫)
    = ৪ বছর

    সূত্রঃ ৩

    যখন সুদে মূলে গুণ হয় এবং সুদের হার উল্লেখ থাকে তখন –
    সময় = (সুদেমূলে যতগুণ – ১) / সুদের হার x ১০০
    প্রশ্নঃ বার্ষিক শতকরা ১০ টাকা হার সুদে কোন মূলধন কত বছর পরে সুদে আসলে দ্বিগুণ হবে?
    সমাধানঃ
    সময় = (২– ১) /১০ x ১০০
    = ১০ বছর

    সূত্রঃ ৪

    যখন সুদে মূলে গুণ হয় এবং সময় উল্লেখ থাকে তখন
    সুদের হার = (সুদেমূলে যতগুণ – ১) / সময় x ১০০
    প্রশ্নঃ সরল সুদের হার শতকরা কত টাকা হলে, যে কোন মূলধন ৮ বছরে সুদে আসলে তিনগুণ হবে?
    সমাধানঃ
    সুদের হার = (৩ – ১) / ৮ x ১০০
    = ২৫%

    সূত্রঃ ৫

    যখন সুদ সময় ও মূলধন দেওয়া থাকে তখন
    সুদের হার = (সুদ x ১০০) / (আসল বা মূলধন x সময়)
    প্রশ্নঃ শতকরা বার্ষিক কত টাকা হার সুদে ৫ বছরের ৪০০ টাকার সুদ ১৪০ টাকা হবে?
    সমাধানঃ
    সুদের হার = (১৪০ x ১০০) / (৪০০ x ৫)
    = ৭ টাকা

    চক্রবৃদ্ধি সুদ নির্ণয়

    টেকনিক:
    যে সুদের হার দেওয়া থাকবে তাকে বছর অনুযায়ী যোগ করুন এবং হারের বর্গকে ১০০ দিয়ে ভাগ করে ভাগফলের সাথে হারের যোগফল যোগ করে যা পাওয়া যাবে সেটা মোট টাকার শতকরা বের করলেই চক্রবৃদ্ধি সুদ পাওয়া যাবে।

    উদাহরণ >২৫০০ টাকার উপর ১২% হারে ২ বছরের চক্রবৃদ্ধি সুদ কত?

    উত্তর:বছর দ্বিগুন থাকায় হারেকে ডাবল করুন এবং হারকে বর্গ করে ১০০
    দিয়ে ভাগ দিন। তারপর হারের
    যোগফলের সাথে ভাগফল যোগ করুন
    ব্যাস হয়ে গেল।

    (১২+ ১২) = ২৪ + ১.৪৪ =
    ২৫.৪৪% ধরুন ২৫০০ টাকার উপর ৬৩৬
    চক্রবৃদ্ধি সুদ।

    শতকরা
    মাত্র ৬/৭ সেকেন্ডে কিভাবে Percent বের করবেন তার জন্য নিচের টেকনিকটি দেখুন-

    1. 30% of 50= 15 (3*5=15) কিভাবে মাত্র কয়েক সেকেন্ডে এর উত্তর বের করবেন? প্রশ্নে উল্লেখিত সংখ্যা দুটি হল 30 এবং 50। এ

    খানে উভয় সংখ্যার এককের ঘরের অংক ‘শুন্য’ আছে। যদি উভয় সংখ্যার এককের ঘরের অংক ‘শুন্য’ হয় তাহলে উভয় সংখ্যা থেকে তাদেরকে (শুন্য) বাদ দিয়ে বাকি যে সংখ্যা পাওয়া যায় তাদেরকে গুণ করলেই উত্তর বের হয়ে যাবে অর্থাৎ এখানে 3 এবং 5 কে গুণ করলেই উত্তর বের হয়ে যাবে।

    2. 40% of 60= 24 (4*6=24)
    3. 20% of 190= 38 (2*19=38)
    4. 80% of 40= 32 (8*4=32)
    5. 20% of 18= 3.6 (2*1.8=3.6)

    এখানে দুটি সংখ্যার মধ্যে একটির এককের ঘরের সংখ্যা ‘শুন্য’।
    তাহলে এখন কি করব? ঐ ‘শুন্য’ টাকে বাদ দেব আর যে সংখ্যায় ‘শুন্য’ নেই সেই সংখ্যার এককের ঘরের আগে একটা ‘দশমিক’ বসিয়ে দেব।

    বাকী কাজটা আগের মতই।
    6. 25% of 44=11 (2.5*4.4=11)
    7. 245% of 245=600.25 (24.5*24.5=600.
    25)

    8. ১২৫ এর ২০% কত? =২৫ (১২.৫*২=২৫)
    9. ৫০ এর ১০% কত? =৫ (৫*১=৫)
    10. ১১৫২৫ এর ২৩% কত? =২৬৫০.৭৫ (১১৫২.৫*২.৩=২৬৫০.৭৫)

    প্রশ্নের ধরণ: অঙ্কে দুটো শতকরা হার থাকবে ; একটি বৃদ্ধি হার, অন্যটি হ্রাস হার/ অথবা উভয়টি বৃদ্ধিহার / উভয়টি হ্রাসহার । বলা হবে শতকরা হ্রাস বৃদ্ধির পরিমাণ বের কর।

    উদা: একটি আয়তাকার ক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য ২০% বৃদ্ধি ও প্রস্থ ১০% হ্রাস করা হলে ক্ষেত্রফলের শতকরা কত পরিবর্তন হবে?

    টেকনিক :
    ক্ষেত্রফলের বৃদ্ধি হার = 1st % + 2nd % +{(1st % x 2nd% )/100}
    = ২০+(-১০) + {(২০x-১০)/১০০}
    =১০+{-২০০/১০০}
    =১০-২
    =৮%(উত্তর)

    মনে রাখবেন বৃদ্ধি পেলে + চিহ্ন আর হ্রাস পেলে বিয়োগ চিহ্ন হয় ।

    নিজে করুন

    1 . একটি আয়তাকার ক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য ২০% ও প্রস্থ ২৫% হ্রাস করা হলে ক্ষেত্রফলের শতকরা কত পরিবর্তন হবে?
    2. If the length and breadth of a rectangle are both increased by 4% , then what is the increase in its area ?
    3.একটি আয়তাকার ক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য 1০% ও প্রস্থ ১০% হ্রাস করা হলে ক্ষেত্রফলের শতকরা কত পরিবর্তন হবে?
    ৪.২০১৪সালে গ্রামীণ সিমের দাম ১০০টাকা এবং পরবর্তী দুই বছরের জন্য প্রতিবছর সিমের দাম ২০% করে বৃদ্ধি পায় তাহলে ২০১৬সালে সিমের দাম কত?

    5. Successive increase of 20% and 15% is equal to what single Increase rate%?
    6. চিনির মূল্য ২০% কমলো, কিন্তু চিনির ব্যবহার ২০% বৃদ্ধি পেলো । এতে চিনি বাবদ ব্যয় শতকরা কত বাড়লো বা কমলো?(কমলো ৪%)

    ৭. একজন ব্যবসায়ী একটি পণ্যের মূল্য ২৫% বাড়ালো , অত:পর বর্ধিত মূল্য থেকে ২৫% কমালো। সর্বশেষ মূল্য সর্বপ্রথম মূলের তুলনায় শতকরা কত বাড়লো বা কমলো?

    ৮.চালের দাম ২০১৫সালে পূর্বের তুলনায় ২০% হ্রাস পেয়েছে। ২০১৬সালে উত্পাদন বৃদ্ধির জন্য চালের দাম ১০% বৃদ্ধি পেলে ২০১৪সালের তুলনায় চালের দাম কতটুকু হ্রাস পেয়েছে?

  • বাংলাদেশের বন্দর, সমুদ্র সৈকত ও দ্বীপ
    May 8, 2012
    ১৷ চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
    ক) পশুর
    খ) শীতলক্ষা
    গ) কর্ণফূলী
    ঘ) মাতামহুরী

    ২৷ বাংলাদেশের প্রধান নদী বন্দর কোনটি?
    ক) নারায়ণগঞ্জ
    খ) চাঁদপুর
    গ) গোয়ালন্দ
    ঘ) পটুয়াখালী

    ৩৷ বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ও প্রধান স্থলবন্দর কোনটি?
    ক) হিলি
    খ) বুড়িমারী
    গ) কসবা
    ঘ) বেনাপোল

    ৪৷ ‘নিঝুম দ্বীপ’ কোন নদীর মোহনায় অবস্থিত?
    ক) পদ্মা
    খ) মেঘনা
    গ) সুরমা
    ঘ) কর্ণফূলী

    ৫৷ ‘দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ’ কোথায় অবস্থিত?
    ক) সাতক্ষীরা
    গ) ঝালকাঠি
    খ) বারেহাট
    ঘ) বরিশাল

    ৬৷ ‘বুড়িমারী’ স্থল বন্দরটি কোন জেলায় অবস্থিত?
    ক) পঞ্চগড়
    গ) লালমনিরহাট
    খ) চাঁপাইনবাবগঞ্জ
    ঘ) কুমিল্লা

    ৭৷ বাংলাশের কোন দ্বীপে মন্দির রয়েছে?
    ক) নিঝুম দ্বীপ
    খ) মহেশখালী দ্বীপ
    গ) দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ
    ঘ) ছেঁড়া দ্বীপ

    ৮৷ বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণের দ্বীপ কোনটি?
    ক) সন্দ্বীপ
    গ) দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ
    খ) ভোলা দ্বীপ
    ঘ) ছেঁড়া দ্বীপ
    উত্তরমালা
    ১৷ গ ২৷ ক ৩৷ ঘ ৪৷ খ
    ৫৷ ক ৬৷ গ ৭৷ খ ৮৷ ঘ

    জানা অজানা আরো কিছু তথ্য:

    1. পৃথিবীর বৃহত্তম ব-দ্বীপ কোনটি?
    2. বাংলাদেশের বৃহত্তম ব-দ্বীপ-
    3. পৃথিবীর বৃহত্তম সমুদ্র সৈকত-
    4. বাংলাদেশের সাগর কন্যা বলা হয়-
    5. বাংলাদেশের সমুদ্র উপকূলের দৈর্ঘ্য-
    6. বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্র বন্দর-
    7. মায়ানমারের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্য পরিচালিত হয়-
    8. বাংলাবান্ধা স্থল বন্দর অবস্থিত –
    9. মংলা সমুদ্র বন্দরের বড় জাহাজের মালামাল খালাস করা হয়-
    10. বাংলাদেশের একমাত্র সামুদ্রিক প্রবাল দ্বীপ-
    11. দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ আয়তন কত?
    12. বাতিঘরের জন্য বিখ্যাত দ্বীপ কোনটি?
    13. বাংলাদেশের প্রধান সমুদ্র বন্দর হচ্ছে –
    14. বাংলাদেশের একমাত্র পাহাড়ী দ্বীপ কোনটি?

    উত্তরসমূহ

    01. বাংলাদেশ৷
    02. সুন্দরবন
    03. কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত|
    04. কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতকে
    05. ৭১১ কিঃমিঃ৷
    06. মংলা সমুদ্র বন্দর৷
    07. টেকনাফ স্থলবন্দর দিয়ে৷
    08. পঞ্চগড় জেলায়৷
    09. চালনায়৷
    10. সেন্টমার্টিন
    11. ৮বর্গ কিলোমিটার|
    12. কুতুবদিয়া দ্বীপ৷
    13. চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর৷
    14. মহেশখালী

    বাংলাদেশের চর, বিল, হাওড় ও হ্রদ
    May 8, 2012
    চরঃ সাধারণত নদীর গতিপ্রবাহে অথবা মোহনায় পলি সঞ্চয়নের ফলে গড়ে ওঠা ভূ-ভাগকে চর বলা হয়|

    বিলঃ বৃহৎ আকৃতির প্রাকৃতিক জলাধার, যেগুলোতে ভূ-পৃষ্ঠ থেকে অভ্যন্তরীণ ও পৃষ্ঠ নিষ্কাশনের মাধ্যমে বয়ে আসা পানি জমা হয়|

    হাওড়ঃ পিরিচ আকৃতির বৃহ্ত ভূ-গাঠনিক অবনমন| বষার্কালে হাওড়ের পানিরাশির ব্যপ্তি থাকে অনেক বেশি আর শীতকালে সংকুচিত হয়ে পড়ে|

    হ্রদঃ প্রাকৃতিক কোন কারণে যদি বিস্তীর্ণ পানিরাশি ভূ-ভাগে আবদ্ধ হয়ে একটা স্থায়ী জলাশয় সৃষ্টি করে তবে সে জলাশয়কে হ্রদ বা লেক বলে|

    ১৷ দুবলার চর কোথায় অবস্থিত?
    ক) সুন্দরবনের দক্ষিণে
    খ) সুন্দরবনের পশ্চিমে
    গ) রাজশাহীতে
    ঘ) হাতিয়ায়

    ২৷ বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ বিল কোনটি?
    ক) ডাকাতিয়া বিল
    খ) তামা বিল
    গ) চলন বিল
    ঘ) উপরের কোনটিই নয়

    ৩৷ হাকালুকি হাওড় কোথায় অবস্থিত?
    ক) মৌলভীবাজার জেলায়
    খ) সিলেট জেলায়
    গ) নাটোর জেলায়
    ঘ) পাবনা জেলায়

    ৪৷ চলন বিলের মাঝখান দিয়ে কোন নদী প্রবাহিত হয়েছে?
    ক) ইছামতি
    খ) আত্রাই
    গ) পশুর
    ঘ) ডাকাতিয়া

    ৫৷ বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি চর বিশিষ্ট নদী কোনটি?
    ক) পদ্মা
    খ) সুরমা
    গ) মেঘনা
    ঘ) যমুনা

    উত্তরমালা
    ১৷ ক ২৷ গ ৩৷ ক ৪৷ খ ৫৷ ঘ

    জানা অজানা আরো কিছু তথ্য:

    ০১. চর মনপুরা কোথায় অবস্থিত?
    ০২. বাংলাদেশের কোন নদীতে চরের সংখ্যা বেশি?
    ০৩. দুবলার চর কেন বিখ্যাত?
    ০৪. চর কুকড়ি মুকড়ি কি জন্য বিখ্যাত?
    ০৫. বিল কিভাবে সৃষ্টি হয়?
    ০৬. চলন বিল কোথায় অবস্থিত?
    ০৭. আড়িয়াল বিল কোথায় অবস্থিত?
    ০৮. বাংলাদেশের মিঠাপানির মাছের উৎস কোনটি?
    ০৯. বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী বিল কোনটি?
    ১০. বাংলাদেশের ‘পশ্চিমা বাহিনীর নদী’ বলা হয় কাকে?-
    ১১. চলন বিল কোন নদীর মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে?

    উত্তরসমূহ
    ০১. ভোলা জেলায়|
    ০২. যমুনা নদীতে|
    ০৩. মৎস্য আহরণ, শুটকি উৎপাদন ও উপকূলীয় সবুজ বেষ্টনীর জন্য|
    ০৪. মৎস্য আহরণ, অতিথি পাখি ও উপকূলীয় সবুজ বেষ্টনীর জন্য|
    ০৫. নদী প্রবাহ পরিবর্তনের মাধ্যমে নদীর অংশাবিশেষ থেকে|
    ০৬. পাবনা, সিরাজগঞ্জ ও নাটোর জেলায়|
    ০৭. মুন্সিগঞ্জ|
    ০৮. চলন বিল।
    ০৯. তামাবিল|
    ১০. ডাকাতিয়া বিলকে|
    ১১. আত্রাই|

    বাংলাদেশের চর ও তার অবস্থানঃ

    নাম অবস্থান
    মহুরির চর পরশুরাম, ফেনী
    দুবলার চর সুন্দরবনের দক্ষিণে
    চর কুকড়ি মুকড়ি ভোলা
    চর জব্বার ও চর মালিক ভোলা
    উড়ির চর সন্দ্বীপ,চট্টগ্রাম
    চর গজারিয়া লক্ষ্মীপুরে
    চর আলেকজান্ডার লক্ষ্মীপুর
    চর শ্রীজনী ও চর শাহাবানি নোয়াখালীর হাতিয়ায়

    Posted in সাধারণজ্ঞান | Tags: চর, বিল, হাওড় ও হ্রদ | Leave a Comment »

    বাংলাদেশের পাহাড়-পবর্ত
    May 5, 2012
    ১৷ বাংলাদেশের সবোর্চ্চ পবর্তশৃঙ্গ কোনটি?
    ক) কেওকারাডং
    খ) তাজিং ডং
    গ) চিম্বুক
    ঘ) উপরের কোনটিই নয়

    ২৷ বাংলাশের সবচেয়ে উঁচু ও বৃহত্তম পাহাড় কোনটি?
    ক) লালমাই পাহাড়
    খ) চন্দ্রনাথ পাহাড়
    গ) গারো পাহাড়
    ঘ) চিম্বুক পাহাড়

    ৩৷ কোন ভূমি রূপটি বাংলাদেশে নেই?
    ক) মালভূমি
    খ) প্লাবন ভূমি
    গ) সমভূমি
    ঘ) কোনটিই নয়

    ৪৷ কুলাউড়া পাহাড় কোথায় অবস্থিত?
    ক) মৌলভীবাজার
    খ) কুমিল্লা
    গ) চট্টগ্রাম
    ঘ) সিলেট

    ৫৷ লালমাই পাহাড় কোথায় অবস্থিত?
    ক) মৌলভীবাজার
    খ) কুমিল্লা
    গ) চট্টগ্রাম
    ঘ) বান্দরবন
    উত্তরমালা
    ১৷ খ ২৷ গ ৩৷ ক ৪৷ ক ৫৷ খ

    জানা অজানা আরো কিছু তথ্য:

    1. বাংলাদেশের পাহাড়সমূহ গঠিত হয় কেন যুগে?
    2. বাংলাদেশের পাহাড়সমূহ কোন শ্রেণীর?
    3. গারো পাহাড় কোথায় অবস্থিত?
    4. চন্দ্রনাথের পাহাড় কোথায় অবস্থিত?
    5. হিন্দুদের তীর্থস্থানের জন্য কোন পাহাড় বিখ্যাত?
    6. মারমা উপজাতিরা কোথায় বাস করে?
    7. তাজিং ডং কোথায় অবস্থিত?
    8. তাজিং ডং এর উচ্চতা কত?
    9. বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ কোনটি?
    10. বাংলাদেশের পাহাড়সমূহের গড় উচ্চতা কত?
    11. বাংলাদেশে ইউরেনিয়াম পাওয়া গেছে কোথায়?
    12. খাগড়াছড়ি জেলার উচুঁ পাহাড় কোনটি?

    উত্তরসমূহ

    01. টারশিয়ারী যুগে৷
    02. ভাঁজ পবর্ত শ্রেণীর
    03. ময়মনসিংহ জেলায়৷
    04. চট্টগ্রামের সীতাকুন্ডে৷
    05. চন্দ্রনাথের পাহাড়|
    06. চিম্বুক পাহাড়ের পাদদেশে৷[চিম্বুক পাহাড় বান্দরবনে অবস্থিত ৷]
    07. বান্দরবন জেলায়৷[তাজিং ডং মারমা শব্দ৷ এর অর্থ গভীর অরণ্যের পাহাড়|
    08. ৩,১৮৫ ফুট৷
    09. কেওকারাড|[এটি বান্দরবান জেলায় অবস্থিত|কেওকারাডং এর উচ্চতা ২,৯২৮ ফুট৷]
    10. ৬১০ মি. বা ২০৫০ ফুট৷
    11. কুলাউড়া পাহাড়ে৷
    12. আলুটিলা|

     

    বাংলাদেশের নদ-নদী
    May 3, 2012
    বাংলাদেশের নদ-নদী ও এর উৎপত্তিস্থল

    নদীঃ পাহাড়, হ্রদ, প্রস্রবণ প্রভৃতি উচ্চ ভূমিতে সৃষ্ট ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র স্রোতধারার মিলিত প্রবাহ নির্দিষ্ট প্রাকৃতিক খাত দিয়ে প্রবাহিত হয়ে যখন অপর কোনো জলাশয়, হ্রদ বা সাগরে মিলিত হয় তখন ঐ প্রবাহকে নদী বলে|

    মোহনাঃ নদী যে স্থানে সমুদ্রে বা হ্রদে মিলিত হয় তাকে মোহনা বলে|

    ১৷ বাংলাদেশের নদী গবেষণা ইন্সটিটিউট কোথায় অবস্থিত?
    ক) নারায়ণগঞ্জ
    খ) ফরিদপুর
    গ) চাঁদপুর
    ঘ) বরিশাল

    ২৷ বাংলাদেশে খরস্রোতা নদী কোনটি? [ঢাবি’৯৭]
    ক) পদ্মা
    খ) মেঘনা
    গ) সুরমা
    ঘ) যমুনা

    ৩৷ বাংলাদেশ ও মায়ানমারকে বিভক্তকারী নদী কোনটি?
    ক) কর্ণফুলী
    খ) পশুর
    গ) কুলিখ
    ঘ) নাফ

    ৪৷ বাংলাদেশের দীর্ঘতম নদী?
    ক) সুরমা
    খ) পদ্মা
    গ) যমুনা
    ঘ) মেঘনা

    ৫৷ শাখা প্রশাখাসহ বাংলাদেশের নদ-নদীর সংখ্যা কতটি?
    ক) ৩১০টি
    খ) ১৭২টি
    গ) ২৩০টি
    ঘ) ৩৬৩টি

    ৬৷ বাংলাবান্ধা কোন নদী তীরে অবস্থিত?
    ক) মহানন্দা
    খ) পূনর্ভবা
    গ) করতোয়া
    ঘ) শংখ
    ৭৷ জোয়ার ভাটা হয় না কোন নদীতে?
    ক) বুড়িগঙ্গা
    খ) কপোতাক্ষ
    গ) গোমতী
    ঘ) মহানন্দা

    ৮৷ পদ্মা নদী যমুনার সাথে কোথায় মিলিত হয়েছে?
    ক) চাঁদপুরে
    খ) কুমিল্লায়
    গ) গোয়ালন্দে
    ঘ) কুষ্টিয়া

    ৯৷ বাংলাদেশ হতে ভারতে প্রবেশকারী নদী কোনটি?
    ক) কুলিখ
    খ) নাফ
    গ) মাতামহুরী
    ঘ) সাঙ্গু

    ১০৷ কুষ্টিয়া কোন নদীর তীরে অবিস্থত?
    ক) ডাকাতিয়া
    খ) মধুমতি
    গ) পদ্মা
    ঘ) গড়াই

    উত্তরমালা
    ১৷ খ ২৷ খ ৩৷ ঘ ৪৷ ক ৫৷ ক
    ৬৷ ক ৭৷ গ ৮৷ গ ৯৷ ক ১০৷ ঘ

    জানা অজানা আরো কিছু তথ্য:
    1. বাংলাদেশ ও ভারতকে বিভক্তকারী নদী কোনটি?
    2. বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম নদী কোনটি?
    3. বাংলাদেশের প্রশস্ত নদী কোনটি?
    4. বাংলাদেশের পাশাপাশি দুই রঙের পানির স্রোত পাওয়া যায় কোন নদীতে?
    5. মেঘনা নদীর উৎপত্তিস্থল কোথায়?
    6. পদ্মা নদীর উৎপত্তিস্থল স্থল কোথায়?
    7. কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করা হয় কত সালে?
    8. বাংলাদেশের জলসীমায় উত্পত্তি এবং সমাপ্তি ঘটেছে-
    9. পদ্মা নদী বাংলাশে প্রবেশ করেছে-
    10. মেঘনা নদী প্রবেশ করেছে-
    11. পদ্মার একমাত্র উপনদী কোনটি?
    12. চলনবিলের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত নদী হয়েছে কোন নদী?
    13. বাংলাদেশের একমাত্র কৃত্রিম হ্রদ কোনটি?
    14. বাংলাদেশের প্রধান নদীবন্দর-
    15. যমুনা নদীর পূর্ব নাম কি?
    16. বুড়িগঙ্গা নদীর পূর্বনাম কি?
    17. পদ্মা নদীর পূর্বনাম কি?
    উত্তরসমূহ
    01.হাড়িয়াভাঙ্গা
    02.পদ্মা
    03.যমুনা৷
    04.যমুনা নদীতে৷
    05.আসামের লুসাই পাহাড়ে৷
    06. হিমালয় পর্বতেরগাঙ্গো্ত্রি নামক হিমবাহ থেকে৷
    07. ১৯৬২সালে|
    08.হালদা ও সাঙ্গুর৷
    09.চাঁপাইনবাবগঞ্জ দিয়ে৷
    10.সিলেটে৷
    11.মহানন্দা৷
    12. বাঙ্গালী
    13. রাঙ্গামাটি জেলার কাপ্তাই হ্রদ৷
    14. নারায়ণগঞ্জ৷
    15. জোনাই নদী|
    16. কীর্তিনাশা|
    17. দোলাই নদী|

    প্রধান প্রধান নদ-নদীর উৎপত্তিস্থলঃ

    নদ-নদী উৎপত্তিস্থল
    পদ্মা হিমালয় পবর্তের গঙ্গোত্রী হিমবাহ
    ব্রহ্মপুত্র, যমুনা তিব্বতের কৈলাসশৃঙ্গের মানস সরোবর
    মেঘনা আসামের নাগা মণিপুর পাহাড়ের দক্ষিণে লুসাই পাহাড়
    কর্ণফুলী আসামের লুসাই পাহাড়ের লংলেহ
    করতোয়া সিকিমের পার্বত্য অঞ্চল
    তিস্তা সিকিমের পার্বত্য অঞ্চল
    মহানন্দা হিমালয় পর্বতমালার মহালদিরাম পাহাড়
    সুরমা নাগা মণিপুর পাহাড়ের দক্ষিণাংশ
    সাঙ্গু মিয়ানমার-বাংলাদেশ সীমানার আরাকান পর্বত
    মাতামহুরী লামাই মইভার পর্বত
    গোমতী ত্রিপুরা পাহাড়ের ডুমুর

     

    বাংলাদেশের জাতীয় বিষয়াবলী
    May 2, 2012

    এক নজরে জাতীয় বিষয়াবলীঃ
    জাতীয় ভাষা : বাংলা|
    জাতীয় প্রতীক : উভয় পাশে ধানের শীষবেষ্টিত পানিতে ভাসমান জাতীয় ফুল শাপলা|
    তার মাথায় পাট গাছের পরস্পরসংযুক্ত তিনটি পাতা এবং উভয় পাশে দুটি করে তারকা|
    জাতীয় পতাকা : সবুজের মাঝে লাল বৃত্ত|
    জাতীয় সংগীত : আমার সোনার বাংলা (প্রথম ১০ লাইন)|
    জাতীয় দিবস : ২৬ শে মার্চ|
    জাতীয় ধর্ম : ইসলাম|
    জাতীয় মসজিদ : বায়তুল মোকাররম
    জাতীয় পাখি : দোয়েল|
    জাতীয় বন : সুন্দরবন|
    জাতীয় মাছ : ইলিশ|
    জাতীয় ফল : কাঁঠাল|
    জাতীয় গাছ : আম গাছ|
    জাতীয় জাদুঘর : জাতীয় জাদুঘর, শাহবাগ|
    জাতীয় গ্রন্থাগার : শেরে বাংলা নগর,আগারগাঁও|
    জাতীয় কবি : কাজী নজরুল ইসলাম|
    জাতীয় পার্ক : শহীদ জিয়া পার্ক|
    জাতীয় স্টেডিয়াম : বঙ্গবদ্ধু স্টেডিয়াম|
    জাতীয় খেলা : কাবাডি|

    গূরুত্বপূর্ণ কিছু প্রশ্ন:

    ১৷ বাংলাদেশের জাতীয় দিবস কোনটি?
    ক) ১৬ই ডিসেম্বর
    খ) ১০ এপ্রিল
    গ) ২৬শে মার্চ
    ঘ) ১৪ এপ্রিল

    ২৷ বাংলাদেশের জাতীয় মসজিদ কোনটি?
    ক) বায়তুল আনাম
    খ) বায়তুল মোকাররম
    গ) বায়তুর রহমান
    ঘ) ষাট গম্বুজ

    ৩৷ বাংলাদেশের জাতীয় খেলা কোনটি?
    ক) ক্রিকেট
    খ) ফুটবল
    গ) কাবাডি/হা-ডু-ডু
    ঘ) দাড়িয়াবান্ধা

    ৪৷ বাংলাদেশের জাতীয় বন কোনটি?
    ক) গাজীপুর বন
    খ) সুন্দরবন
    গ) মধুপুর বন
    ঘ) শালবন
    ৫৷ বাংলাদেশের জাতীয় পশুর নাম কী?
    ক) রয়েল বেঙ্গল টাইগার
    খ) হরিণ
    গ) গরু
    ঘ) ঘোড়া
    উত্তরমালা
    ১৷ গ ২৷ খ ৩৷ গ ৪৷ খ ৫৷ ক

    The best time for planning a book is while you’re doing the dishes.
    _Agatha Christie

    Posted in সাধারণজ্ঞান | Leave a Comment »

    বাংলাদেশ বিষয়াবলী
    May 1, 2012
    Image

    বাংলাদেশ পরিচিতি

    বাংলাদেশের বৈশিষ্ট্য

    সরকারি নাম : গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ৷

    ইংরেজী নাম : The People’s Republic of Bangladesh.

    রাজধানী : ঢাকা৷

    ভাষা/রাষ্ট্রভাষা : বাংলা৷

    আয়তন : ১,৪৭,৫৭০ বর্গ কিলোমিটার৷

    ভৌগলিক অবস্থান : ২০°৩৪² উত্তর হতে ২৬°৩৮² উত্তর

    অক্ষাংশ এবং ৮৮°০১² পূর্ব হতে

    ৯২°৪১² পূর্ব দ্রাঘিমাংশ ৷

    সীমা : উত্তরে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, আসাম ও

    মেঘালয়, পূর্বে ভারতের আসাম, ত্রিপুরা,

    মিজোরাম এবং মায়ানমার, পশ্চিমে

    ভারতের পশ্চিমবঙ্গ এবং দক্ষিণে

    বঙ্গোপসাগর৷

    মোট সীমা : ৫,১৩৮ কিঃ মিঃ

    সরকার পদ্ধতি : সংসদীয় পদ্ধতির সরকার৷ গণতান্ত্রি ব্যবস্থা, এককক্ষ বিশিষ্ট পার্লামেন্ট|এর নাম জাতীয় সংসদ৷

    জাতীয় সংসদে ৩৫০ জন নির্বাচিত প্রতিনিধি থাকে। এর মধ্যে ৫০টি আসন নারীদের জন্য থাকে।

    লোকসংখ্যা : ১৪ কোটি ২৩ লাখ ১৯ হাজার৷ [আদমশুমারী ২০১১ (সাময়িক)]

    ১৪ কোটি ৭৯ লাখ। [অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০১১]

    জনসংখ্যার ঘনত্ব : ৯৯৩ জন প্রতি বর্গ কিলোমিটার৷[অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০১১]

    ৯৬৪ জন প্রতি বর্গ কিলোমিটার৷[আদমশুমারী ২০১১ (সাময়িক)]

    জনসংখ্য বৃদ্ধির হার : ১.৩৪% [আদমশুমারী ২০১১ (সাময়িক)]
    ১.৩৬[অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০১১]

    মানুষের গড় আয়ু : ৬৭.২ বছর।[অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০১১]

    গড় মাথাপিছু আয় : ৮১৮ মার্কিন ডলার। [অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০১১]।

    স্থানীয় সময় : গ্রীনিচ মান সময় অপেক্ষা ৬ ঘন্টা আগে৷

    জলবায়ু : মৌসুমী জলবায়ু বিরাজমান৷

    গড় তাপমাত্রা : ২৫.৭০° সেলসিয়াস৷

    গড় বৃষ্টিপাত : ২০৩ সেন্টিমিটার৷

    ধর্মভিত্তিক জনসংখ্যা : ইসলাম ৮৯.৭%, হিন্দু ৯.২% বৌদ্ধ ০.৭%, খ্রিস্টান ০.৩%,

    অন্যান্য ০.২%।

    প্রধান রপ্তানি দ্রব্য :বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি দ্রব্যগুলো হলো তৈরি পোশাক, চা, হিমায়িত চিংড়ি,

    চামড়া, কাঁচা পাট ও পাটজাত দ্রব্যাদি৷

    প্রধান আমদানি দ্রব্য : বাংলাদেশের প্রধান আমদানি দ্রব্যের মধ্যে রয়েছে খাদ্যসামগ্রী, অপরিশোধিত তেল,

    ঔষধ শিল্পের কাঁচামাল, কলকব্জা, রাসায়নিক দ্রব্য, খুচরা যন্ত্রাংশ প্রভৃতি৷

    বিভাগ : ৭টি৷

    জেলা : ৬৪টি৷

    উপজেলা : ৪৮৪টি ৷

    প্রশাসনিক থানা : ৫৮৯টি৷

    বাংলাদেশের সিটি কর্পোরেশন: ৮টি ৷

    বাংলাদেশের পৌরসভার সংখ্যা কতটিঃ ৩০৯টি৷

    বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতি

    ১৷ ভূ-প্রকৃতি অনুসারে বাংলাদেশকে কয় ভাগে ভাগ করা যায়?

    ক) ৩ ভাগে

    খ) ৫ভাগে

    গ) ৪ভাগে

    ঘ) ৭ভাগে

    ২৷ বাংলাদেশের বৃহত্তম এবং উঁচু পাহাড় কোনটি?

    ক) লালমাই পাহাড়

    খ) তাজিং ডং

    গ) গারো পাহাড়

    ঘ) ময়নামতি পাহাড়

    ৩৷ বাংলাদেশের সমুদ্র সমতল থেকে সবচেয়ে উঁচুতে কোন জেলা অবস্থিত?

    ক) ঢাকা

    খ) সিলেট

    গ) রাজশাহী

    ঘ) দিনাজপুর

    ৪৷ বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে অতিক্রম করেছে কোন রেখা?

    ক) ৯০° পূর্ব দ্রাঘিমা রেখা

    খ) বিষুব রেখা

    গ) মকরক্রান্তি রেখা

    ঘ) কোনটিই নয়৷

    ৫৷ “সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড” (বা নিমগ্ন মহাসাগর) কোথায় অবস্থিত?

    ক) পদ্মা নদীর মোহনায়

    গ) পটুয়াখালীতে

    খ) বঙ্গোপসাগরে

    ঘ) সুন্দরবনে৷

    ৬৷ বাংলাদেশের পাহাড়গুলো গঠিত হয় কোন যুগে?

    ক) প্রাচীন যুগে

    খ) মধ্যযুগে

    গ) টারশিয়ারী যুগে

    ঘ) আধুনিক যুগে৷

    ৭| কাপ্তাই থেকে প্লাবিত পাবর্ত্য চট্টগ্রামের এলাকাকে কি বলে?

    ক) বরেন্দ্র

    খ) তাজিং ডং

    গ) ভেঙ্গী ভেলী

    ঘ) উপরের কোনটিই নয়

    উত্তরমালা
    ১৷ ক ২৷ গ ৩৷ ঘ ৪৷ ক ৫৷ খ ৬৷ গ ৭|গ
    জানা অজানা আরো কিছু তথ্য:

    বাংলাদেশের অবস্থান কোন অঞ্চলে?
    বরেন্দ্রভূমি বলা হয় কোন অঞ্চলকে?
    পৃথিবীর বৃহত্তম ব-দ্বীপ কোনটি?
    বাংলাদেশে আগে সাগর ছিল তার প্রমাণ পাওয়া যায় কিসের মাধ্যমে?
    বাংলাদেশে পাহাড়ী এলাকার গড় উচ্চতা কত?
    সমুদ্র সমতল থেকে দিনাজপুরের উচ্চতা কত?
    বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ কোনটি?
    মধুপুর ও ভাওয়ারের মাটির রং কিরূপ?
    বরেন্দ্রভূমির মাটির রং কিরূপ?
    উত্তরসমূহ:

    1. ক্রান্তীয় অঞ্চলে৷

    2. রাজশাহী বিভাগের উত্তর পশ্চিমাঞ্চলকে৷

    3. বাংলাদেশ৷

    4. চুনা পাথরের খনি থেকে৷

    5. ২০৫০ ফুট৷

    6. ৩৭.৫০ মিটার|

    7. সেন্টমার্টিন

    8. লালচে ও ধূসর|

    9. ধূসর ও লাল |

    বাংলাদেশের অবস্থান ও সীমানা

    ১৷ বাংলাদেশের সাথে ভারতের কয়টি রাজ্যের সীমানা রয়েছে?

    ক) ৪টি

    খ) ৭টি

    গ) ৫টি

    ঘ) ৯টি৷

    ২৷ বাংলাদেশের সাথে কয়টি দেশের সীমান্ত সংযোগ রয়েছে?

    ক) ২টি

    খ) ১টি

    গ) ৩টি

    ঘ) ৪টি

    ৩৷ বাংলাশের স্থল সীমা কত?

    ক) ৪,৪২৭ কিঃ মিঃ

    খ) ৫,৪২৭কিঃ মিঃ

    গ) ৪,৫২৫ কিঃ মিঃ

    ঘ) ৫,৪২৪ কিঃ মিঃ

    ৪৷ আঙ্গরাপোতা-দহগ্রাম ছিটমহলটি লালমনিরহাট জেলার কোথায় অবস্থিত?

    ক) চিলমারী

    খ) পাটগ্রাম

    গ) সদর

    ঘ) উলিবপুর

    ৫৷ দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপের অপর নাম কী?

    ক) পূর্বাশা দ্বীপ

    খ) নারিকেল জিঞ্জিরা

    গ) ছেঁড়া দ্বীপ

    ঘ) উপরের কোনটিই নয়

    ৬৷ বাংলাদেশের রাজনৈতিক সমুদ্রসীমা কত?

    ক) ৭১১ নটিক্যাল মাইল

    খ) ২০০ নটিক্যাল মাইল

    গ) ৭৭২ নটিক্যাল মাইল

    ঘ) ১২ নটিক্যাল মাইল

    [১ নটিক্যাল মাইল- ১.৮৫৩ কিঃ মিঃ৷]

    ৭৷ বাংলাদেশের সর্বপশ্চিমের জেলা কোনটি?

    ক) সাতক্ষীরা

    খ) চাঁপাইনবাবগঞ্জ

    গ) রাজশাহী

    ঘ) মেহেরপুর

    ৮৷ প্রাচীনকালের সমতট বলতে বাংলাদেশের কোন অঞ্চলকে

    বুঝায়?

    ক) বগুড়া ও দিনাজপুর অঞ্চল

    খ) বৃহত্তর কুমিল্লা ও নোয়াখালী অঞ্চল

    গ) ঢাকা ও ময়মনসিংহ অঞ্চল

    ঘ) বৃহত্তর সিলেট অঞ্চল

    ৯৷ বাংলাশের সর্বদক্ষিণের স্থান কোনটি?

    ক) সেন্টমার্টিন

    খ) দক্ষিণ তালপট্টি

    গ) টেকনাফ

    ঘ) কুয়াকাটা

    ১০৷ ভারতের সাথে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা কয়টি?

    ক) ২৫টি

    খ) ৩০টি

    গ) ৩১টি

    ঘ) ৩৫টি

    ১১৷ আয়তনে বাংলাদেশের বড় থানা কোনটি?

    ক) শ্যামনগর

    খ) শিবগঞ্জ

    গ) থানচি

    ঘ) টেকনাফ

    ১২৷ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা কত?

    ক) ৭১১ নটিক্যাল মাইল

    খ) ২০০ নটিক্যাল মাইল

    গ) ৭৭২ নটিক্যাল মাইল

    ঘ) ১২ নটিক্যাল মাইল

    উত্তরমালা
    ১৷ গ ২৷ ক ৩৷ ক ৪৷ খ ৫৷ ক ৬৷ ঘ
    ৭৷ খ ৮৷ খ ৯৷ ক ১০৷ গ ১১৷ ক ১২|খ
    জানা অজানা আরো কিছু তথ্য:

    বাংলাদেশের সমুদ্র উপকূলের দৈর্ঘ্য কত?
    কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের দৈর্ঘ্য কত কিঃ মিঃ?
    বাংলাদেশের দক্ষিণের স্থান কোনটি?
    বাংলাদেশের ভিতরে ভারতের ছিটমহল আছে কত?
    ভারতের ভিতরে বাংলাদেশের ছিটমহল আছে কত?
    বেড়–বাড়ী নামক জায়গাটির অবস্থান কোথায়?
    তিনবিঘা করিডোরের আয়তন কত?
    বাংলাদেশের সর্ব উত্তর স্থান, থানা ও জেলা হলো__
    বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের স্থান কোনটি?
    10. আয়তনে বাংলাদেশের ছোট জেলা কোনটি?

    আয়তনে বড় জেলা কোনটি?
    12. জনসংখ্যায় বাংলাদেশের বড় জেলা কোনটি?

    13. বাংলাদেশের সাথে ভারতের সীমান্ত সংযোগ নেই কোন কোন জেলার সাথে?

    14. কোন বিভাগের সাথে ভারতের কোন সীমান্ত সংযোগ নেই?

    15. ‘বঙ্গ’ অঞ্চল গঠিত হয় কোন কোন অঞ্চল নিয়ে?

    16. ‘পুন্ড্র’ বলতে বুঝায় –

    17. বাংলার আদি জনপদগুলোর ভাষা ছিল-

    18. বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের উপজেলার নাম কি?

    19. বাংলাদেশের সর্ব পূর্বের স্থান ও উপজেলার নাম কি?

    20.বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের স্থান ও উপজেলার নাম কি?

    উত্তরসমূহ:

    ৭১১ কিঃ মিঃ ৷
    ১৫৫কিঃ মিঃ [এটি পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত|]
    বঙ্গোপসাগর৷
    ১১১টি (আয়তন ১৭১৫০.০৫ একক)৷ [অধিকাংশ ছিটমহল লালমনিরহাট জেলায় অবস্থিত]
    ৫১টি৷ [৭১১০.১২ একর]
    পঞ্চগড় জেলায়৷
    ১৭৮মিটার´৮৫মিটার৷ [এটি তিতাস নদীর তীরে অবস্থিত৷]
    বাংলাবান্ধা; তেতুলিঁয়া ও পঞ্চগড়|
    মনকশা।
    নারায়নগঞ্জ।[সূত্র:পঞ্চম আদমশুমারী২০১১]
    রাঙ্গামাটি (৬.১১৬ বর্গ কিঃমিঃ)]
    ঢাকা৷
    বান্দরবান ও কক্সবাজার জেলার৷
    বরিশাল।
    ঢাকা, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও ফরিদপুর অঞ্চল নিয়ে৷
    বগুড়া, রাজশাহী, রংপুর ও দিনাজপুর অঞ্চলকে৷
    অষ্ট্রিক৷
    শিবগঞ্জ (চাপাইনবাবগঞ্জ)|
    আখাইনঠং ও থানচি (বান্দরবান)|
    ছেঁড়াদ্বীপ ও টেকনাফ (কক্সবাজার)|
    বাংলাদেশের আবহাওয়া ও জলবায়ু

    ১৷ বাংলাদেশের কোন ঋতুকে স্বতন্ত্র ঋতু বলা হয়?

    ক) গ্রীষ্ম

    খ) বর্ষা

    গ) শরৎ

    ঘ) শীতঋতু

    ২৷ বাংলাদেশের আবহাওয়া অধিদপ্তর (SPARSO) কোন মন্ত্রণালয়ের অধীনে?

    ক) প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়

    খ) পরিবেশ মন্ত্রণালয়

    গ) কৃষি মন্ত্রণালয়

    ঘ) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

    ৩৷ বাংলাদেশের আবহাওয়া অধিদপ্তর (SPARSO) কোথায় অবস্থিত?

    ক) পতেঙ্গা

    খ) কক্সবাজার

    গ) পটুয়াখালীর খেপুপাড়ায়

    ঘ) ঢাকার আগারগাঁও

    ৪৷ বাংলাদেশের উষ্ণতম জেলা কোনটি?

    ক) ঢাকা

    খ) চট্টগ্রাম

    গ) সিলেট

    ঘ) রাজশাহী

    ৫৷ বাংলাদেশে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হয় কোথায়?

    ক) নাটোরের লালপুরে

    খ) শ্রীমঙ্গলে

    গ) সিলেটের লালখানে

    ঘ) উপরের কোনটিই নয়

    ৬| বাংলাদেশের গড় বৃষ্টিপাত কত?

    ক) ১১৭.৫ সে.মি.

    খ) ২১০.৩ সে.মি.

    গ) ১৭৫ সে.মি.

    ঘ) ২০৩ সে.মি.

    উত্তরমালা

    ১৷ খ ২৷ ক ৩৷ ঘ ৪৷ ঘ ৫৷ গ ৬|ঘ
    জানা অজানা আরো কিছু তথ্য:

    বাংলাদেশে কতটি উপগ্রহ আছে ও কি কি?
    বাংলাদেশের কোথায় সর্বনিম্ন বৃষ্টিপাত হয়?
    বাংলাদেশের জলবায়ু কেমন?
    বাংলাদেশের জলবায়ুর প্রধান বৈশিষ্ট্য কি?
    বাংলাদেশের শীতলতম স্থান কোথবয় অবস্থিত?
    গ্রীনিচ মান সময় অপেক্ষা বাংলাদেশ সময় কত ঘন্টা পাথর্ক্য?
    গ্রিন হাউজের ক্ষতির কারণ কি?
    উত্তরসমূহ

    1.বাংলাদেশে মোট ৪টি উপগ্রহ রয়েছে|যথা:

    বেতবুনিয়া উপগ্রহ
    তালিবাবাদ উপগ্রহ (১৯৭৫ সালে)
    মহাখালী উপগ্রহ (১৯৯৫ সালে)
    সিলেট উপগ্রহ(১৯৯৭ সালে)
    2. নাটোরের লালপুরে

    3. সমভাবাপন্ন৷

    4. মৌসুমী বায়ু৷

    5. শ্রীমঙ্গল [এটি সিলেট জেলায় অবস্থিত]

    6. ৬ঘন্টা আগে৷

    7. CFC গ্যাস৷

    Posted in সাধারণজ্ঞান | Leave a Comment »

    General Knowledege
    April 23, 2012
    01. Which was the first university established in the world?

    a) Oxford university

    b) Nalanda University

    c) Delhi University

    d) Rhodes University

    e) None of these

    02. Which country is called the Land of Rising Sun ?

    a) Norway

    b) China

    c) Japan

    d) India

    e) None of these

    03. Which country is called “the door of Europe” ?

    a) Norway

    b) Sweden

    c) Italy

    d) Vienna

    e) None of these

    04. Euro was introduced in_

    a) 2000

    b) 1997

    c) 1999

    d) 1995

    e) None of these

    05. Which country is the world’s biggest individual producer of Carbon dioxide ?

    a) USA

    b) Japan

    c) UK

    d) China

    e) None of these

    Answer
    1| b 2| c 3| d 4| c 5| d

    Computer Knowledge
    April 18, 2012
    History of Computer

    The first digital computer was invented in 1642 by Blais Pascal. Charles Babbage is known as the father of computer. He designed a mechanical computing machine analytical engine. The first complete electronic computer was developed in England in 1943. It is known as colossus. The first working digital computer was the ENIAC by J.P. Eckert and john Mauchy. Name of 1st personal computer was MIST Altar 8800 (micro Computer).

    01. The first digital computer was invented by-

    a) Abucas

    b) Blais Pascal

    c) Jon von Neumann

    d) Ken Thompson

    e) None of these

    02.What is the permanent memory storage of a computer?

    a) Software

    b) Rom

    c) Ram

    d) CD

    e) None of these

    03. WINDOWS is

    a) antivirus software

    b) Scanning Software

    c) Data storage device

    d) Operating System

    e) None of these

    04. A byte consists of how many bits ?

    a) 8

    b) 16

    c) 4

    d) 32

    e) None of these

    05. Which one of the following is called the Brain of the Computer ?

    a) Memory

    b) Hard disk

    c) CPU

    d) RAM

    e) None of these

    06. The word LAN is related to _

    a) Magnetic tape

    b) Information technology

    c) Air traffic control

    d) Computer Network

    e) None of these

    07. Which of the following is not an input device of a computer?

    a) Scanner

    b) Pen drive

    c) Keyboard

    d) Mouse

    e) None of these

    08. Which will be the most suitable computer program that you can use to prepare your bio-data?

    a) Power point

    b) MS word

    c) Excel

    d) Access

    e) None of these

    09. Submarine cable is the term used in

    a) Navigation Communication

    b) Cable TV Network

    c) Information Technology

    d) Telecommunication

    e) None of these

    10. Which of the following is not a storage medium in a computer system?

    a) Magnetic tape

    b) Processor

    c) Hard disk drive

    d) Pen drive

    e) Nome of these

    11. The computer stores its program and data in its

    a) Control Unit

    b) Memory

    c) Cache Memory

    d) Light Pen

    e) None of these

    12. Which of the followings is a computer operating system?

    a) Linux

    b) Oracle

    c) Java

    d) Gigabyte

    e) None of these

    13. Which of the followings is not a processor used in PC?

    a) Athlon

    b) Pentium

    c) Zylog

    d) None of these

    e) All of these

    14. What is another name for a portable computer?

    a) Abacus

    b) Desktop

    c) Laptop

    d) Maintop

    e) None of these

    Answer

    01. b 02. b 03. d 04. a 05.c
    06. d 07. c 08. b 09. c 10. a
    11. b 12. c 13. c 14. c

  • ওয়ার্ডপ্রেস (ইংরেজিWordPress) ওয়ার্ডপ্রেস হচ্ছে বর্তমানে সর্বাধিক জনপ্রিয় ব্লগ পাবলিশিং অ্যাপলিকেশনস এবং শক্তিশালী কন্টেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (CMS), যা পিএইচপি এবং মাইএসকিউএল দ্বারা তৈরিকৃত ওপেন সোর্স ব্লগিং সফটওয়্যার। ওয়ার্ডপ্রেস প্রথম পর্যায়ে একটি ফ্রি ব্লগিং প্লাটফর্ম ছিল যা পরবর্তীকালে একটি ইঞ্জিন তৈরি করে এবং বিনামূল্যে তা ডাউনলোড করে যেকোনো ব্লগারকে ব্যবহারের সুবিধা দিতে শুরু করে . ওয়ার্ডপ্রেস দ্বারা কোনো প্রকার পিএইচপি, মাইএসকিউএল বা এইচটিএমএল জ্ঞান ছাড়াই একটি প্রোফেশনাল মানের ওয়েবসাইট তৈরি করা সম্ভব। ম্যাট মুলেনওয়েগ ২০০৩ সালের ২৭শে মে এটি প্রাথমিকভাবে প্রকাশ করেন। জানুয়ারি ২০১২ পর্যন্ত ওয়ার্ডপ্রেস ৩.৪ সংস্করণ ৩ কোটিরও বেশিবার ডাউনলোড হয়েছিল (!!)।Capture.JPGw

    একটি PHP ও MySQL দ্বারা তৈরি উন্মুক্ত প্রযুক্তি ব্লগিং সফটওয়্যার। বর্তমানে এটি সর্বাধিক জনপ্রিয় কন্টেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (CMS), এবং বিশ্বের প্রথম সারির, ৪০,০০,০০০টি ওয়েবসাইটের ১২% এটি ব্যবহার করে।

    ম্যাট মুলেনওয়েগ ২০০৩-এর ২৭শে মে এটির প্রাথমিক প্রকাশ করেন। আগস্ট ২০১০ পর্যন্ত ওয়ার্ডপ্রেসের সাম্প্রতিকতম সংস্করণ ওয়ার্ডপ্রেস ৩.০১২৫লক্ষ বারের বেশি ডাউনলোড করা হয়েছে।

    • সফটওয়্যারটি ওপেনসোর্স এবং বিনামূল্যে ডাউনলোড করে ব্যবহার করা যায়।
    • ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহার করে কোনো প্রকার PHP এবং HTML জ্ঞান ছাড়াই ব্লগিং ওয়েবসাইট তৈরি করা সম্ভব।
    • প্লাগইন যা ইনস্টল করে ওয়েবসাইটকে আরো সয়ংক্রিয় করে তোলা যায়।
    • ব্লগ পোস্ট ও স্ট্যাটিক পৃষ্ঠা সুবিধা।
    • সমবায়িত ব্লগিং সুবিধা (community blog)।
    • এছাড়াও বিনামূল্যে থিম, প্লাগইন্স পাওয়া যায়।
    • কন্টেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (সিএমএস) হবার ফলে যেকোন তথ্য সহজেই পরিবর্তন, পরিবর্ধন, সংযোজন বা বিয়োজন করা যায়। অর্থাৎ আপনি স্বাধীন ভাবে কাজ করতে পারবেন।
    • ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহার বান্ধব এবং ব্যবহার প্রণালী খুবই সহজ, সার্চ ইঞ্জিন অফটিমাইজেশেন পদ্ধতি ব্যবহার ইত্যাদি।
    • সার্চ ইঞ্জিন বান্ধব।
      • ফ্রি ওয়ার্ডপ্রেস ডাউনলোড: ওয়ার্ডপ্রেস www.wordpress.org/download থেকে ডাউনলোড করতে পারবেন।
  • 1.Lieutenant (লেফটেনেন্ট) ➫ সামরিক কর্মী।
    ✎ Lie u ten ant ➫ মিথ্যা তুমি দশ পিপড়া।
    2. Psychological (সাইকোলজিক্যাল) ➫ মনস্তাত্ত্বিক।
    ✎ Psy cholo gi cal ➫ পিসি চলো যাই কাল।
    3. Assassination (এ্যাসএ্যাসিনেশন) ➫ গুপ্তহত্যা।
    ✎ Ass ass i nation -গাধার উপরে গাধা, তার
    উপরে আমি, আমার উপরে জাতি।
    4. Questionnaire ➫ প্রশ্নমালা।
    ✎ Question nai re ➫ কোশ্চেন নাই রে।
    5. Assessment ➫ কর নির্ধারণ।
    ✎ Ass e ss men t ➫ গাধায় ই ডাবল ss মানুষেতে নাই।
    6. Hallucination ➫ অমুলক / অলীক কিছু দেখা বা তাতে বিশ্বাস।
    ✎ Hall u ci nation-হলে তুমি! ছি জাতি।
    7. Diarrhoea ➫ উদারাময়।
    ✎ Dia rr hoea ➫ ডায়াল করো ডাবল rr হয়ে যাবে।
    8. Bureaucracy ➫ আমলাতন্ত্র।
    ✎ Burea u cracy ➫ বুড়িয়া তুমি cracy.
    9. Restaurant ➫ রেস্টুরেন্ট।
    ✎ Rest a u r ant ➫ বিশ্রাম এ তুমি আর পিপড়া।
    10. Parallel ➫ সমান্তরাল।
    ✎ Par all e l ➫ পার করো সকলকে ই।
    11. Illegitimate ➫ অবৈধ।
    ✎ Illeg i tim ate ➫ অসুস্থ পায় আমি টিম খেয়েছিলাম।
    12. Miscellaneous ➫ বিবিধ।
    ✎ Mis cell an e o us-মিস করলে একটি সেলে ই ও আমাদের সাথে থাকবে। (cell-ক্ষুদ্র কক্ষ)।
    কিছু প্রয়োজনীয় ইংরেজি বানানঃ
    1)Accommodation(বাসস্থান)
    2) Brilliant(মেধাবী)
    3) Bulletin(বুলেটিন)
    4) Burglar(চোর)
    5) Challenge(চ্যালেন্জ)
    6) Cigarette(সিগরেট)
    7) Colonel(কর্নেল)
    8) Commission(কমিশন)
    9) Committee(কমিটি)
    10) Guerrilla(গেরিলা যুদ্ধা)
    11) Leisure(অবসর)
    12) Maintenance(ভরণপোষণ)
    13) Millennium(সহস্রাব্দ)
    14) Misspell(ভুল বানান করা)
    15) Questionnaire(প্রশ্নমালা) কতিপয়
    16) Aberration ➫ বিপদগামিতা/নীতিভ্রংশ
    17) Accessory ➫ অপরাধের সহযোগী
    18) Acclivity ➫ উর্ধ্বমুখী ঢাল/চড়াই
    19) Amateur ➫ শৌখিন/অপেশাদার
    20) Ammunition ➫ গোলা-বারুদের ভাণ্ডার
    21) Anaemia ➫ রক্তাল্পতা
    22) Anesthesia ➫ অনুভূতিবিলোপ/অবেদন
    23) Apocalypse ➫ (জগতের ভবিষ্যত পরিণতি বিষয়ে) ঈশ্বরলব্ধ দিব্যজ্ঞান
    24) Archipelago ➫ দ্বীপপুঞ্জ
    25) Assassin ➫ গুপ্তঘাতক
    26) Avaricious ➫ লোলুপ/লোভী
    27) Besiege ➫ অবরোধ করা/চারিদিক থেকে আক্রমণ করা
    28) Bourgeois ➫ সম্পদশালী/মধ্যবিত্ত শ্রেণীর লোক
    29) Camouflage ➫ ছদ্মবেশ/কপটবেশ
    30) Celestial ➫ স্বর্গীয়/দিব্য
    31) Cemetery ➫ সমাধিক্ষেত্র/গোরস্থান
    32) Colonel ➫ উচ্চতর পদমর্যাদার সেনাপতি/কর্নেল
    33) Commemoration ➫ স্মৃতিরক্ষার্থে অনুষ্ঠান
    34) Commencement ➫ সূচনা/আরম্ভ
    35) Commodity ➫ পণ্যদ্রব্য
    36) Complaisant ➫ সৌজন্যপূর্ণ/সন্তোষ উৎপাদনে আগ্রহী
    37) Contemporaneous ➫ সমকালীন/সমসাময়িক
    38) Contemptuous ➫ ঘৃণ্য/অবজ্ঞেয়
    39) Councillor/Counsellor ➫ পরিষদের সদস্য/উপদেষ্টা
    40) Counterfeit ➫ জাল/নকল
    41) Curriculum ➫ পাঠ্যসূচি
    42) Delinquency ➫ দুষ্কৃতি/অপকর্ম
    43) Dilettante ➫ (কাব্য/সঙ্গীত বিষয়ে) অগভীর জ্ঞানসম্পন্ন
    44) Disciplinarian ➫ কঠোর শাসক
    45) Dyspepsia ➫ অজীর্ণ রোগ/বদহজম
    46) Elephantiasis ➫ গোদ/পা ফোলা রোগ
    47) Embarrassment ➫ অস্বস্তি/মানসিক দুশ্চিন্তা
    48) Encyclopedia ➫ বিশ্বকোষ/জ্ঞানকোষ
    49) Erroneous ➫ অশুদ্ধ/ভ্রান্ত
    50) Etiquette ➫ শিষ্টাচার/নম্র আচরণ
    51) Etiquette ➫ নম্র আচরণ/শিষ্টাচার
    52) Exaggerate ➫ অতিরঞ্জিত করা
    53) Factitious ➫ অস্বাভাবিক/কৃত্রিম
    54) Flicker ➫ মিট মিট করা
    55) Gargantuan ➫ প্রকাণ্ড/সুবিপুল/দানবীয়
    56) Grandeur ➫ মহিমা/বিশালতা
    57) Gymnasium ➫ শরীরচর্চা কেন্দ্র
    58) Hereditary ➫ বংশানুক্রমিক/কৌলিক
    59) Hippopotamus ➫ জলহস্তী
    60) Homogeneous ➫ সমজাতীয়
    61) Honorary ➫ অবৈতনিক/সম্মানসূচক
    62) Humorous ➫ রসিকতাপূর্ণ
    63) Hyacinth ➫ কচুরিপানা
    64) Idiosyncrasy ➫ স্বভাব বৈশিষ্ট্য/আচরণ
    65) Inapplicable ➫ অপ্রযোজ্য/অনুপযুক্ত
    66) Incorrigible ➫ অশোধনীয়/অপ্রতিকার্য
    67) Infinitesimal ➫ অতিক্ষুদ্র/অনীয়ান
    68) Inheritance ➫ উত্তরাধিকার
    69) Interruption ➫ ব্যাঘাত/বিঘ্ন/বাধা
    70) Irreconcilable ➫ বিসঙ্গত/অসদৃশ
    71) Irresponsible ➫ দায়িত্বহীন/বেপরোয়া
    72) Irreversible ➫ অপরিবর্তনীয়
    73) Itinerant ➫ পরিভ্রমী/ভ্রমণশীল
    74) Jewelry ➫ রত্নখচিত অলঙ্কারাদির সমগ্র
    75) Magniloquent ➫ বাগাড়ম্বরপূর্ণ/বড় বড় কথা বলে এমন
    76) Malediction ➫ অভিশাপ
    77) Manoeuvre ➫ কৌশল
    78) Masquerade ➫ ভান বা ছদ্মবেশ ধারণ করা
    79) Mediterranean ➫ ভূমধ্যসাগরীয়
    80) Mellifluous ➫ সুমধুর/সুললিত
    81) Mellifluous ➫ সুমধুর/সুললিত
    82) Mercenary ➫ ভাড়াটে সৈনিক বা কর্মী
    83) Millennium ➫ সহস্রাব্দ/বর্ষসহস্রক
    84) Millionaire ➫ কোটিপতি/অতি ধনাঢ্য ব্যক্তি
    85) Monotonous ➫ একঘেয়ে/বৈচিত্র্যহীন
    86) Multifarious ➫ নানাবিধ/বিচিত্র
    87) Nauseous ➫ বিতৃষ্ণাজনক
    8) Omelet ➫ ডিম ভাজা/মামলেট
    89) Omission ➫ বর্জন/বাতিল
    90) Opprobrious ➫ অশোভন
    91) Orthodoxy ➫ গোঁড়ামি
    92) Oscillate ➫ দোলানো/আন্দোলিত করা
    93) Palliate ➫ প্রশমন/লাঘব করা
    94) Pedagogue ➫ স্কুলশিক্ষক/পণ্ডিতপ্রবর
    95) Peevish ➫ বিরক্তিকর
    96) Phthisis ➫ যক্ষ্মারোগ
    97) Physique ➫ দৈহিক গঠন
    98) Pomegranate ➫ ডালিম
    99) Predecessor ➫ পূর্বসূরী
    100) Procession ➫ মিছিল/শোভাযাত্রা
    101) Prodigious ➫ অতিবৃহৎ
    102) Prolegomenon ➫ গ্রন্থাভাষ/ভূমিকা
    103) Pseudonym ➫ ছদ্মনাম
    104) Pulchritude ➫ দৈহিক সৌন্দর্য
    105) Questionnaire ➫ প্রশ্নাবলী
    106) Receipt ➫ প্রাপ্তি
    107) Recommendation ➫ সুপারিশ/পরামর্শ
    108) Reconciliation ➫ সামঞ্জস্যবিধান/মীমাংসা
    109) Reconnaissance ➫ তথ্যসংক্রান্ত অভিযান
    110) Referendum ➫ গণভোট
    111) Regeneration ➫ আধ্যাত্মিক পুনর্জম্ম/নবজন্মলাভ
    112) Reminiscence ➫ স্মৃতিচারণ
    113) Rendezvous ➫ মিলনস্থল
    114) Rhinoceros ➫ গণ্ডার
    115) Sanatorium ➫ স্বাস্থ্যকেন্দ্র
    116) Scissors ➫ কাঁচি
    117) Shaggy ➫ রুক্ষ/মোটা ও অপরিপাটি
    118) Simultaneous ➫ যুগপৎ/সমকালীন
    119) Sobriety ➫ আত্মনিয়ন্ত্রণ/সংযম
    120) Souvenir ➫ স্মৃতিচিহ্ন
    121) Stereotype ➫ গৎবাঁধা/অপরিবর্তনীয়
    122) Successive ➫ ক্রমাগত/পারস্পরিক
    123) Superiority ➫ শ্রেষ্ঠতা/উৎকৃষ্টতা
    124) Superstition ➫ কুসংস্কার/অন্ধবিশ্বাস
    125) Thesaurus ➫ ভাব-অভিধান
    126) Transliterate ➫ ভিন্ন ভাষায় রূপান্তর করা
    127) Unparalleled ➫ অতুলনীয়/অদ্বিতীয়
    128) Vehement ➫ প্রবল/ব্যগ্র/উদ্দাম
    129) Vendetta ➫ বংশানুক্রমিক প্রতিহিংসা
    130) Veterinary ➫ পশুচিকিৎসক
    131) Vicissitude ➫ উত্থানপতন/পরিবর্তন

  • আজকের বিষয়ঃ Presentation কি? Presentation কিভাবে শুরু ও শেষ করব ? Format of a formal Speech ………সাথে থাকছে এস,এস,সি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান উপলক্ষ্যে দেওয়া এক শিক্ষার্থীর বক্তব্য যা আত্ববিশ্বাসকে একধাপ বাড়িয়ে দিবে ইনশাল্লাহ।
    আশা করি সবার খুব উপকারে আসবে।
    (Re-posted)

    আজকে আপনাদের ইংরেজিতে বক্তব্য দেওয়া শিখিয়ে ছাড়ব। কিভাবে?
    তাহলে, Let’s start your effort from very now my Dearest Brothers & sisters …………..

    The easiest way of Presentation, Episode-1

    পেশাগত ও সামাজিক জীবনে সফলতার ক্ষেত্রে ভাল বক্তব্য দেওয়ার যোগ্যতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সাবলিলভাবে দেওয়া হৃদয়গ্রাহী বক্তব্য যে কোন ব্যক্তিকে খুব দ্রুত সবার কাছে জনপ্রিয় করে তোলে । যুগের পরিবর্তনের সাথে সাথে ইংরেজি ভাষার গুরুত্ব সর্বক্ষেত্রে বৃদ্ধি পাওয়ায় বর্ণময় সফল ক্যারিয়ারের জন্য ইংরেজিতে বক্তব্য দেওয়ার দক্ষতা অপরিহার্য হয়ে পড়েছে। Smart Career ক্ষেত্রে (সরকারি / বেসরকারি) ইংরেজি বক্তব্য দেওয়া আরোও জরুরী বিষয় হয়ে পড়েছে। কিন্ত দুঃখের বিষয় আমাদের অনেকেই ইংরেজিতে কথা বলা অভ্যাস আর সঠিক গাইডলাইন না থাকায় বিষয়টি প্রায় সবার কাছে দুরূহ হয়ে পড়েছে। অাসলে ইংরেজিতে বক্তব্য দেওয়া কোন কঠিন বক্ন কাজ নয়। তাই যারা ইংরেজিতে দুর্বল তাদের জন্য আমার এ ক্ষদ্র প্রয়াস। আশা করছি এখানে বর্ণিত কাঠামো ও গাইডলাইন অনুসরণ করে আপনি নিজেই হয়ে উঠবেন একজন দক্ষ ইংরেজি ভাষার বক্তা।।

    No more confusion, hesitation & fear about Speech in English !!!
    Presentation :
    A presentation is an ornamental speech presented by someone. The personality of a man is can be vividly expressed through his attracting presentation. Honestly saying, Presentation is nothing but the expression of a man having artistic appeal as well as information.

    আপনাকে যে কাজগুলো করতে হবে।
    Handy Hints for formal speech / Presentation

    1. Preparing the Speech ( বক্তব্য প্রস্তুতকরণ)

    ভাল বক্তব্য দেওয়ার জন্য আগেই বক্তব্য প্রস্তুত করা দরকার। হাতে গোনা কিছু মানুষ তৎক্ষণাৎভাবে চমৎকার বক্তব্য দিতে পারে, কিন্তু অধিকাংশ মানুষের ক্ষেত্রে প্রস্তুতি না দিলে বক্তব্য এলোমেলো হয়ে যেতে পারে। মঞ্চে উঠার পূর্বে মনে মনে অথবা ছোট্ট চিরকুটে বক্তব্যের মূল বিষয় সাজিয়ে নেওয়া যেতে পারে।

    2.সতর্কতাঃ-
    শ্রোতা বুজতে না পারে এমন বক্তব্য দিবেন না। শুদ্ধ ইংরেজি বলার চেষ্টা করতে হবে। ইংরেজি বক্তব্য দেওয়ার সময় কোন ভুল পরিসংখ্যান বা তথ্য দিবেন না । অত্যন্ত উচু গলায় বক্তব্য না দেওয়া ভাল। কোন quotation অথবা proverb correctly use করবেন । বক্তব্য দীর্ঘায়িত করবেন না।

    Presentation :
    A presentation is an ornamental speech presented by someone. The personality of a man can be vividly expressed through his nice presentation. Actually, presentation is a nothing but the expression of a man having artistic appeal as well as in formation.

    3. Tips for impressive speech:
    Build up your confidence. Follow the style of any impressive speech. Try to use recent statistics. Develop an impressive style of speaking. Control your breath, voice and tone. Try to use simple and easy language. Maintain an eye contact. Present your speech lively and without any hesitation. Try to quote relevant example, story, incident and jokes in your speech.

    4.How will you start the function?
    Dear friends/ Ladies and gentlemen, good morning/ good afternoon/ good evening, this is ( mention your full name ) on behalf of the ( mention the name of the institution/ organization), I welcome you all, to this ( mention the name of the programme). Honourable audience, you will be glad to hear that Mr. Akbar Ali Khan is the chief guest and Mrs. Salma Khan is the special guest of today’s function.
    Honourable guest, you will be glad to hear that the distinguised is the chief guest and the reverened special guest of today’s function have already arrived in our midst.

    5. How will you call somebody else to the dais ?
    Now I would like to request the honourable president along with the distinguised chief guest and the reverened special guests to kindly come to dias to take their respective seats.
    Now I would like to request Mr./ Mrs./ Miss./ ( mention the name of the speaker ) to come to the dias and to say something about today’s topic. Please Mr./ Mrs./ Miss.( mention the name of the speaker) . Ladies and Gentleman, now I would like to invite you all to enjoy the speech of Mr./ Miss/Mrs.X.

    6.How will you start your speech?
    Dear brothers and sisters/ Dear friends/ Dear audience/ Dear students/ Ladies and gentleman, aaslamualaikum wa rahmatullah/ good morning / good afternoon / good evening. It’s my special pleasure to be here today/ I am thrilled and excited tio be here today/ I am so honoured to be here today/ I am really very pleased to come here in this beautiful morning / beautiful evening. Truly speaking it is a great pleasure for me to say something before you. But I am not a good speaker. Please pardon me for my limitation / ignorance. I will try my level best to deliver my short speech on today’s topic and the topic is ( mention the name of your topic).

    Steps of formal Speech:
    There are three steps in formal Speech . They are mentioned
    below :
    1.Addressing (সম্মোধন)
    2.Body of Speech ( গর্ভাংশ / মূল বক্তব্য))
    3.Conclusion ( শেষকথা)

    1. Addressing :(সম্মোধন)

    Addressing বা সম্মোধন বক্তব্যের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ। It is said that ” First impression is the last impression.” Addressing (সম্মোধন) এর পূর্বে দেখতে হবে অনুষ্ঠানে কে কে উপস্থিত আছেন, অনুষ্ঠানটি কাদের জন্য, সভাপতিত্ব কে করছেন, প্রধান অতিথি কে, বিশেষ অতিথি কে । Address করার সময় নাম এবং পদবি সঠিকভাবে উচ্চারণ করতে করতে হবে । সম্মানীত অতিথিদের Address করার সময় উপযুক্ত বিশষণে বিশেষাশিত করতে হবে। Address করার সময় আয়োজক এবং অনুষ্ঠানের সাথে সংশ্রিষ্ট সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে হবে আপনাকে বক্তব্য দেওয়ার জন্য ।

    1. Example of an Addressing (সম্মোধনের উদাহরণ)

    Honorable President of today’s programme , Professor (Name)….., Head,Department of English, distinguished chief Guest Professor Dr. ………teachers, mam, demure seniors ,doting /sweet juniors and and my constant companions my courteous Salam to u all , Assalamualaikum Wa Rahmatullah. I am really delighted to have the change to say something in this programme.

    2. Body of Speech:
    It is the main part of speech. You should take necessary preparation for this portion. You can use reference & statistics in this section. You should arrange your information in a sequence. You should accommodate your speech within time frame. The object of Language is comprehensibility (বোধগম্যতা) . So Language should be simple & easy. You should present your speech confidently and there should be a rhythm in your speech. You are at liberty to deliver your opinion, comment and feelings. If you get ample time for preparation write down your speech and practice.

    03. Conclusion
    You should conclude your speech systematically. You should not conclude your speech abruptly. At the end of the speech you should summarize you information and statistics and put your opinion and suggestion if any. You can call upon the audience to implement your proposal. Finally you should. extend thanks and gratefulness to the organizer, guests and the audience.

    How will you finish your speech ?
    Well, dear friends / dear brothers and sisters/ Ladies and gentleman, I would like to finish here today. If you have any question you can ask me very frankly. I will try my level best to answer if I can. Thanks you very much / Thank you very much for your patient hearing/ Thank you very much for staying with us/ Thank you once again.
    Thank you very much Mr/ Miss/ Mrs. ( Mention the name of the speaker) for making your valuable, brilliant, informative and educative speech before the audience.
    Ladies and Gentleman, we are at the end of today’s function.
    Ladies and Gentleman, we are going to finish our function today.

    এবার আপনাদের কাজ:

    Practice 1:Your district administration has arranged a reception for the students who have got A+ in the S.S.C exam. You have been invited as a special guest in the programme. Now deliver your speech as a special guest.

    ( যদি টাইপিং মিস্টেক হয়, ক্ষমা প্রার্থী)
    ……To be continued

  • সাধারণ জ্ঞান, বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী…..

    √√নোবেল চালু-১৯০১
    √√ফিফা গঠিত-১৯০৪
    √√বঙ্গভঙ্গ-১৯০৫
    √√বঙ্গভঙ্গ রদ-১৯১১

    √√টাইটানিক ধংস-১৯১২
    √√রবীন্দ্রনাথের নোবেল লাভ-১৯১৩
    √√১ম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়-১৯১৪
    √√রুশ বিপ্লব-১৯১৭

    √√১ম বিশ্বযুদ্ধ শেষ-১৯১৯
    √√২য় ভার্সাই চুক্তি-১৯১৯
    √√ম্যাগনাকার্টা-১২১৫
    √√উত্তর আমেরিকা আবিস্কার-১৪৯২
    √√শিল্প বিপ্লব-১৭৬০.

    √√আমেরিকা মুক্ত-১৭৭৬
    √√১ম ভার্সাই চুক্তি-১৭৮০
    √√ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ -১৮০০
    √√ট্রাফালগার যুদ্ধ-১৮০৫
    √√ওয়াটার লুর যুদ্ধ -১৮১৫
    √√দাশ প্রথার বিলোপ-১৮৬৩
    √√আব্রাহাম লিংকন মারা যান-১৮৬৫
    √√সুয়েজ খাল খনন-১৮৬৯
    √√ফরাসি বিপ্লব-১৭৮৯
    দুই জার্মানী একত্রিত হয়-১৯৯০
    >>
    >>

    √√শিমন পেরেজ+ইয়াসির আরাফাত নোবেল
    পান-১৯৯৩
    √√নেলসন ম্যান্ডেলা প্রেসিডেন্ট
    হন-১৯৯৪
    >>
    >>

    √√সিটি বিটি সই হয়-১৯৯৬
    √√সিটি বিটি অনুমোদন-২০০০
    √√জাতিসংঘ নোবেল পায়-২০০৭
    >>
    >>
    √√দঃ সুদান স্বাধীন হয়-২০১১
    √√এপিজে আঃ কালাম মারা যান-২০১৫
    √√মোঃ আলী মারা যান-২০১৬
    ফিডেল কাস্ত্রো মারা যায়-২৫
    >>
    >>
    >>^^

    ^^নভেম্বর,২০১৬
    >>ঢাবি স্থাপিত-১৯২১
    ><হিটলার জার্মান চ্যান্সলর হন-১৯৩৩
    >>২য় বিশ্বযুদ্ধ শুরু-১৯৩৯
    >>ছিয়াত্তরের মনবন্তর-১ছিয়াত্তরের মনবন্তর-১১৭৬ (বাংলা)
    >>
    >>
    >>
    ২য় বিশ্বযুদ্ধ শেষ-১৯৪৫
    জাতিসংঘ-১৯৪৫
    দেশ বিভাগ-১৯৪৭
    আরব-ইসরায়েল যুদ্ধ-১৯৪৮
    বিবিসি বাংলার যাত্রা-১৯৪৯
    এভারেস্ট বিজয়-১৯৫৩
    সুয়েজ খাল জাতীয়করন-১৯৫৬
    >>
    >>

    চাঁদে ১ম মানুষ যায়-১৯৬৯
    তাইওয়ান স্বাধীনতা হারায়-১৯৭১
    ইরানে ইসলামী বিপ্লব-১৯৭৯
    আঃ ছালাম ও মাদার তেরেসার নোবেল
    লাভ-১৯৭৯

    collected..

  • Design a site like this with WordPress.com
    Get started